ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১ মাঘ, ১৪৩২, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬

অভিনন্দন ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।

সময় বাংলার ||

১২ অক্টোবর ২০২৫, ০১:৩৮ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

অভিনন্দন ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।

দীর্ঘ ৩৮ বছর জীবনে তিনি অনেকগুলো ব্যর্থতার মধ্যে হুট করে সফলতার মুখ দেখলেন। গতকাল তিনি তার বাগদান সম্পন্ন করলেন। তাঁর হবু শ্বশুর নূর মোহাম্মদ খান সাবেক একজন মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও একজন স্বাধীনতাবিরোধী। একজন মন্ত্রীর মেয়েকে বিয়ে করা যেমন অপরাধ নয়, তেমনি একজন স্বাধীনতাবিরোধীর মেয়েকে বিয়ে করাও অপরাধ নয়। এটা জাস্ট একটা ইনফরমেশন।

ইশরাক হোসেনের হবু স্ত্রীর নাম ব্যারিস্টার নুসরাত খান। নুসরাত খানের পিতা নূর মোহাম্মদ খান হলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর একজন রাজনীতিবিদ, প্রাক্তন প্রতিমন্ত্রী এবং প্রাক্তন সংসদ সদস্য যিনি টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনের প্রতিনিধিত্ব করেন।

তিনি ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে টাঙ্গাইল-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় এলজিইডির প্রতিমন্ত্রী এবং আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভায় তথ্য ও বেতার প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

নূর মোহাম্মদ খান টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬২ সাল থেকে ছাত্র ইউনিয়নের একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন এবং আইনে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর তিনি আইন পেশায় যোগ দেন এবং হাইকোর্টে নিয়মিত অনুশীলন শুরু করেন।

১৯৬৭ সালে তিনি ভাসানীর দল ন্যশনাল আওয়ামী পার্টিতে যোগ দেন। চীনপন্থী বাম হিসেবে তিনি স্বাধীনতার বিরোধীতা করেন। ৭১ এর পর কাদের সিদ্দিকীর ভয়ে এলাকাছাড়া হয়ে পলাতক ছিলেন।

১৯৭৫ সালে ঐতিহাসিক পরিবর্তনের পর কাদের সিদ্দিকী ভারত পালিয়ে যায়, নূর মোহাম্মদ খান প্রকাশ্যে আসেন। তিনি জিয়াউর রহমান কর্তৃক গঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নামক নতুন রাজনৈতিক দলে যোগ দেন। তিনি ১৯৭৯ সালে বিএনপির প্রার্থী হন এবং আওয়ামী লীগের প্রার্থী সেতাব আলী খানকে পরাজিত করেন।

তবে নূর মোহাম্মদ খান একজন পল্টিবাজ নেতা হিসেবে পরিচিত। ১৯৮১ সালে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর, যখন দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট বদলে যায়, তখন খান বিএনপি ত্যাগ করে জেনারেল এরশাদের গঠিত জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন।

তিনি ১৯৮৬ সালের ৭ মে তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবং ১৯৮৮ সালের ৩ মার্চ চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে টাঙ্গাইল-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

স্বৈরাচার এরশাদের পতনের পর তিনি পুনরায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে যোগ দেন। তবে বেঈমানী করার কারণে খালেদা জিয়া আর কখনো তাকে মনোনয়ন দেন নি বলে জানতে পেরেছি।

<p><strong>অভিনন্দন ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। </strong></p><p><strong>দীর্ঘ ৩৮ বছর জীবনে তিনি অনেকগুলো ব্যর্থতার মধ্যে হুট করে সফলতার মুখ দেখলেন। গতকাল তিনি তার বাগদান সম্পন্ন করলেন। তাঁর হবু শ্বশুর নূর মোহাম্মদ খান সাবেক একজন মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও একজন স্বাধীনতাবিরোধী। একজন মন্ত্রীর মেয়েকে বিয়ে করা যেমন অপরাধ নয়, তেমনি একজন স্বাধীনতাবিরোধীর মেয়েকে বিয়ে করাও অপরাধ নয়। এটা জাস্ট একটা ইনফরমেশন। </strong> </p><p>ইশরাক হোসেনের হবু স্ত্রীর নাম ব্যারিস্টার নুসরাত খান। নুসরাত খানের পিতা নূর মোহাম্মদ খান হলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর একজন রাজনীতিবিদ, প্রাক্তন প্রতিমন্ত্রী এবং প্রাক্তন সংসদ সদস্য যিনি টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনের প্রতিনিধিত্ব করেন। </p><p>তিনি ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে টাঙ্গাইল-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় এলজিইডির প্রতিমন্ত্রী এবং আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভায় তথ্য ও বেতার প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।</p><p>নূর মোহাম্মদ খান টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬২ সাল থেকে ছাত্র ইউনিয়নের একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন এবং আইনে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর তিনি আইন পেশায় যোগ দেন এবং হাইকোর্টে নিয়মিত অনুশীলন শুরু করেন। </p><p>১৯৬৭ সালে তিনি ভাসানীর দল ন্যশনাল আওয়ামী পার্টিতে যোগ দেন। চীনপন্থী বাম হিসেবে তিনি স্বাধীনতার বিরোধীতা করেন। ৭১ এর পর কাদের সিদ্দিকীর ভয়ে এলাকাছাড়া হয়ে পলাতক ছিলেন।</p><p>১৯৭৫ সালে ঐতিহাসিক পরিবর্তনের পর কাদের সিদ্দিকী ভারত পালিয়ে যায়, নূর মোহাম্মদ খান প্রকাশ্যে আসেন। তিনি জিয়াউর রহমান কর্তৃক গঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নামক নতুন রাজনৈতিক দলে যোগ দেন। তিনি ১৯৭৯ সালে বিএনপির প্রার্থী হন এবং আওয়ামী লীগের প্রার্থী সেতাব আলী খানকে পরাজিত করেন।</p><p>তবে নূর মোহাম্মদ খান একজন পল্টিবাজ নেতা হিসেবে পরিচিত। ১৯৮১ সালে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর, যখন দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট বদলে যায়, তখন খান বিএনপি ত্যাগ করে জেনারেল এরশাদের গঠিত জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন। </p><p>তিনি ১৯৮৬ সালের ৭ মে তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবং ১৯৮৮ সালের ৩ মার্চ চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে টাঙ্গাইল-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।</p><p>স্বৈরাচার এরশাদের পতনের পর তিনি পুনরায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে যোগ দেন। তবে বেঈমানী করার কারণে খালেদা জিয়া আর কখনো তাকে মনোনয়ন দেন নি বলে জানতে পেরেছি।</p>

জেলার খবর

play storeapp store