ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১ মাঘ, ১৪৩২, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬

রাঙামাটির জগদ্ধাত্রী মেলায় চাঁদাবাজি, ছাত্রদলের উদ্যোগে দোকানদারদের সহায়তা।

সময় বাংলার ||

০১ নভেম্বর ২০২৫, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

রাঙামাটির জগদ্ধাত্রী মেলায় চাঁদাবাজি, ছাত্রদলের উদ্যোগে দোকানদারদের সহায়তা।

রাঙামাটি, ৩ অক্টোবর রাঙামাটির ঐতিহ্যবাহী ও ঐতিহাসিক জগদ্ধাত্রী মেলার দ্বিতীয় দিনে চাঁদাবাজি ও দোকানদার হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মেলা প্রাঙ্গণে চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগকারী দোকানদাররা জানান, কিছু যুবক নিজেদের মেলা নিয়ন্ত্রণকারী পরিচয় দিয়ে দোকান বসাতে হলে টাকা দিতে হবে বলে চাপ সৃষ্টি করে। টাকা না দিলে দোকান ভাঙচুর ও হুমকির মুখে পড়ছেন তারা।

দোকানদার সাফায়েত হোসেন বলেন, “আমি দোকান বসানোর পর কয়েকজন ছেলে এসে বলে, এখানে দোকান করতে হলে তাদের টাকা দিতে হবে। প্রথমে ১,৫০০ টাকা দাবি করে, পরে ১,৪০০ টাকায় রাজি হয়। সন্ধ্যায় আবার এসে টাকা দিতে চাপ দেয়।” একজন ফুচকাওয়ালা জানান, প্রায় ১০–১৫ জন যুবক এসে তার কাছ থেকে জোর করে ১,০০০ টাকা নিয়ে যায়। তিনি বলেন, যাদের তিনি চিনেছেন তাদের মধ্যে বেলাল, মানিক, রুবেল, জুয়েল ও ইয়াসিন নামে কয়েকজন রয়েছে।

একইভাবে এক পেন্ট বিক্রেতা বলেন, তাকে আরও বেশি টাকার দাবি করে হুমকি দেওয়া হয়েছে। “আগামীকাল এসে চাঁদা নিয়ে যাবে”—এই বলে চলে যায় দুর্বৃত্তরা।অভিযোগের খবর পেয়ে রাঙামাটি জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ফারুক আহমেদ সাব্বিরের নির্দেশে ঘটনাস্থলে যান রাঙামাটি সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. ওমর মোরশেদ, পৌর কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক ইমরান, সহ–সাংগঠনিক সম্পাদক সোলাইমান রানাসহ ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবকদল ও কৃষকদলের নেতাকর্মীরা।

মেলা চত্বরে উপস্থিত হয়ে ওমর মোরশেদ বলেন,“আমরা ব্যবসায়ীদের পাশে আছি। কেউ আবার চাঁদা দাবি করতে এলে তাৎক্ষণিক আমাদের জানাতে অনুরোধ করেছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। যাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে, তাদের টাকা ফেরত আনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে। আমরা শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কাজ করছি।”

সংবাদ প্রকাশের সময় পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।মেলার ব্যবসায়ীরা বলেন, “চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে মেলার স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হবে, ক্রেতারা দূরে সরে যাবে এবং দোকানদাররা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।” তারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত নিরাপত্তা নিশ্চিত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

মেহেদী হাসান/রাঙামাটি প্রতিনিধি

<p style="text-align: left;"><strong>রাঙামাটির জগদ্ধাত্রী মেলায় চাঁদাবাজি, ছাত্রদলের উদ্যোগে দোকানদারদের সহায়তা।</strong></p><p style="text-align: left;"><strong>রাঙামাটি, ৩ অক্টোবর রাঙামাটির ঐতিহ্যবাহী ও ঐতিহাসিক জগদ্ধাত্রী মেলার দ্বিতীয় দিনে চাঁদাবাজি ও দোকানদার হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মেলা প্রাঙ্গণে চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগকারী দোকানদাররা জানান, কিছু যুবক নিজেদের মেলা নিয়ন্ত্রণকারী পরিচয় দিয়ে দোকান বসাতে হলে টাকা দিতে হবে বলে চাপ সৃষ্টি করে। টাকা না দিলে দোকান ভাঙচুর ও হুমকির মুখে পড়ছেন তারা।</strong></p><p style="text-align: left;">দোকানদার সাফায়েত হোসেন বলেন, “আমি দোকান বসানোর পর কয়েকজন ছেলে এসে বলে, এখানে দোকান করতে হলে তাদের টাকা দিতে হবে। প্রথমে ১,৫০০ টাকা দাবি করে, পরে ১,৪০০ টাকায় রাজি হয়। সন্ধ্যায় আবার এসে টাকা দিতে চাপ দেয়।” একজন ফুচকাওয়ালা জানান, প্রায় ১০–১৫ জন যুবক এসে তার কাছ থেকে জোর করে ১,০০০ টাকা নিয়ে যায়। তিনি বলেন, যাদের তিনি চিনেছেন তাদের মধ্যে বেলাল, মানিক, রুবেল, জুয়েল ও ইয়াসিন নামে কয়েকজন রয়েছে।</p><p style="text-align: left;">একইভাবে এক পেন্ট বিক্রেতা বলেন, তাকে আরও বেশি টাকার দাবি করে হুমকি দেওয়া হয়েছে। “আগামীকাল এসে চাঁদা নিয়ে যাবে”—এই বলে চলে যায় দুর্বৃত্তরা।অভিযোগের খবর পেয়ে রাঙামাটি জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ফারুক আহমেদ সাব্বিরের নির্দেশে ঘটনাস্থলে যান রাঙামাটি সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. ওমর মোরশেদ, পৌর কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক ইমরান, সহ–সাংগঠনিক সম্পাদক সোলাইমান রানাসহ ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবকদল ও কৃষকদলের নেতাকর্মীরা।</p><p style="text-align: left;">মেলা চত্বরে উপস্থিত হয়ে ওমর মোরশেদ বলেন,“আমরা ব্যবসায়ীদের পাশে আছি। কেউ আবার চাঁদা দাবি করতে এলে তাৎক্ষণিক আমাদের জানাতে অনুরোধ করেছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। যাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে, তাদের টাকা ফেরত আনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে। আমরা শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কাজ করছি।”</p><p style="text-align: left;">সংবাদ প্রকাশের সময় পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।মেলার ব্যবসায়ীরা বলেন, “চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে মেলার স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হবে, ক্রেতারা দূরে সরে যাবে এবং দোকানদাররা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।” তারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত নিরাপত্তা নিশ্চিত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।</p><p style="text-align: left;"><span style="color: rgb(251, 140, 0);"><strong>মেহেদী হাসান/রাঙামাটি প্রতিনিধি </strong></span></p><p style="text-align: left;"></p>

জেলার খবর

play storeapp store