ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১ মাঘ, ১৪৩২, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬

লৌহজংয়ে বেদে সম্প্রদায়ের জীবন যাত্রায় চায় নানামুখী পরির্বতন।

সময় বাংলার ||

২২ নভেম্বর ২০২৫, ০৪:২৬ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

লৌহজংয়ে বেদে সম্প্রদায়ের জীবন যাত্রায় চায় নানামুখী পরির্বতন।

মুন্সীগঞ্জের ৬টি উপজেলার লৌহজংয়ের তিনটি ইউনিয়নে প্রায় সাড়ে চার হাজার বেদে পরিবার বসবাস করছেন সরকারী তালিকা অনুযায়ী। বেদে নামটির অবজ্ঞাসূচক ডাক বাইদ্যা (হাতুড়ে ডাক্তার) পরিমার্জিত বৈদ্য (চিকিৎসক) থেকে উৎপত্তি, আরকান রাজ্যের মনতাং থেকে এসেছে বিধায় প্রথম দিকে এদেরকে মনতা বলা হলেও কালের পরিবর্ত্বে এরা চিকিৎসক অর্থাৎ কবিরাজিতে সম্পৃক্ত হওয়ায় বৈদ্য বাইদ্যা থেকে তারা বেদে উপাধি পায়। এরা বছর জুরে নৌকায় ঘুরে বেড়ায় গ্রাম থেকে গ্রাম, বন্দর থেকে বন্দরে। মাঝে মধ্যে স্থলে নোঙর ফেলে টোড়ী বা তাঁবুতেও বাস করে এমন দেখা মিলে লৌহজং-শ্রীনগর উপজেলায়। বাংলাদেশে বেদে জনগোষ্ঠীর সংখ্যা কত এর পরিসংখ্যান জানা নেই কারো লৌহজং ইউনিয়ন বেদে সম্প্রদায়ের সরদার মো. নজরুল ইসলাম, সাহেব আলী,ও এবাদুল মেম্বার এর মতে, বেদে শব্দটি ‘বাদিয়া’ থেকে এসেছে। জেম্স ওয়াইজের মতে, সাংস্কৃত ‘ব্যাধ’ থেকে বেদে শব্দটি এসেছে। তবে কথিত আছে, ১৬৩৮ খ্রিস্টাব্দে শরণার্থী আরাকান রাজ বল্লাল রাজার সঙ্গে এরা ঢাকায় আসে বেদেরা। বাঙালির অতি পরিচিত নৃত-গোষ্ঠী। সাধারণত বাদিয়া বা বাইদ্যা নামে পরিচিত। এরা এক ধরনের পেশাজীবী গোষ্ঠী।

পরে এরা ইসলাম ধর্ম দীক্ষা নেয়। সেই ততকালিন সময়ে ঢাকা থেকে প্রথমে বিক্রমপুর অঞ্চল পরে পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে এরা ছড়িয়ে পড়ে। আবার ভিন্ন মতও আছে। বেদেদের জীবন বড়ই বিচিত্র। তাদের ধর্মমত, বিশ্বাস, আচার-অনুষ্ঠান, চলাফেরা, কথাবার্তা- সবকিছুতে এক ধরনের রহস্যময়তা দেখা যায়। যাচাই করে দেখা বেদেদের ভাষায় অন্য সাধারণরা কথা বলতেওপারে না। কারণ তাদের ভাষার সঙ্গে বাংলা ভাষার মিল নেই অনেকটা। কেউ সঠিক করে বলতে পারে না- এরা কারা! কোথায় তাদের আদি নিবাস।এটি একটি স্বতন্ত্র ভাষা, যা জটিল ও দুর্বোধ্য। বেদেরা নিজেদের ‘মাঙতা’ বা ‘মানতা’ নামে ডাকে। মাঙতা অর্থ মেগে বা ভিক্ষা করে খাওয়া। তারা সাপ, বাঁদর, ভাল্লুক ইত্যাদি নাচিয়ে, শারীরিক কসরত- জাদুর খেলা দেখিয়ে, পোক-জোঁক ফেলে, শিঙ্গা বসিয়ে, শেকড়-বাকড় ও তাবিজ-কবজ বিক্রি করে, তন্ত্র-মন্ত্র পড়ে- লোকজনদের থেকে যা পায় তা-ই দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে বলে তারা নিজেদের ‘মানতা’ নামে পরিচয় দিতে পছন্দ করে। বাংলা মিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, ১৭ শতকে মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখানে বেদেরা প্রথম বসতি গড়ে তুলেন, পাষেই শ্রীনগর ও লৌহজংয়ের খড়িয়া, গোয়ালীমান্দ্রা তেও,এদের বসবাস চোখে পড়ে।

জমির মলিকানা, স্থায়ী নাগরিকত্ব ও ভোটার হওয়ার জন্য এদের আন্দোলনও করতে হয়েছিল এক যোগ আগে,বর্তমানে গোয়ালীমান্দ্রা এলাকায় এদের সাবেক পেশা যেমন ঝাড়ফুক, সাপের খেলা, যাদু, কবিরাজী, তাবিজ বিক্রি, চুড়ির ব্যবসা ইত্যাদি। এ এলাকায় তাদের সরকারী নিতিমালায় নির্বাচিত মেম্বার ও আছে। সাথে পাচ বছরের কেউ ২০ বছর হয় রাজনৈতিক দল গুলোর কমিটিও রয়েছে, সভাপতি মান্নান , সেক্রেটরী আঃ রউফ।এদিকে আয় রোজগার কমে গেলে তাদের জীবনযাত্রায় নানামুখী পরির্বতন ঘটতে থাকলে। কৃষিআবাদ, দিনমজুরির কাজ করে এদেরকে জীবিকা নির্বাহ করতে হয়।তাদের কেউ কেউ মাদক ব্যবসায় জড়িত কথাটাও শোনা গেছে।

লৌহজংয়ের খরিয়াগ্রামে, বেদে সম্প্রদায়ের মহল যোগ্য এনামুল, মাসুম মাদবর, সৈয়দ মাদবর, সম্বু মাতুব্বর,পান্না মাতুব্বর,নুরুল হক মাতুব্বর,ও মজনু মাতুব্বর সহ সংশ্লিষ্ট আনেকের সংগে আলাপ কালে বেরিয়ে আসে তাদের দুঃখ কষ্ট দুর্দশার দিন, তারা বলেন আমার এলাকায় ৪৫বছরে র বসবাস নেইকোন সরকারী উন্নয়ের লক্ষ্যে পরিবারের জীবনমান,উন্নয়ের লক্ষ্যে, নেই বাচ্চাদের শিক্ষা প্রতিস্থান ও ৬০ ভাগ লোকের মাথা ঠোকার বাসস্থান নেই একটি করব স্থান নেই ইদের নামাজের জন্য মুশুল্লিদের ইদগাহ মাঠ,

কোন রকম এক বেলা খেতে পাইলে অন্য বেলায় নাখাওয়ার মতোই চিন্তা রেখে দিনযাপন করতে হয়। বেদে সম্প্রদায়ের মহল আরো বলেন আমাদের এ করুন ইতিহাস খোজ নেয়ার এ ৪৫ বছরেও নেয়নি কেউ। শুনেছি বেদে পরিবারের জীবনমান উন্নয়ের লক্ষ্যে পাইলট প্রকল্প হাতে নিয়েছিলেন সরকার।সে ধারাবাহিকতায়,গেল বছর গোয়ালী মান্দ্রা বেদে সম্প্রদায়ের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক সভায় লৌহজংয়ের খরিয়াগ্রামে,অতিথির বক্তব্যে অনেকে বলেছেন, ‘লৌহজংয়ের তিনটি ইউনিয়নের সাড়ে চার হাজার বেদে পরিবারের জীবনমান উন্নয়ের লক্ষ্যে এখানে নেয়া হবে পাইলট প্রকল্প। কই আর দেখিনা -তো সে পাইলট প্রকল্প কই? তারা আরো বলছিলেন বেদে সম্প্রদায়ের জীবনমান উন্নয়নের কাজ করছে সরকার। এই দেশের বেদেদের কে নিয়ে স্বপ্ন দেখতেন দেশের নেতারা আর সেই স্বপ্ন বাস্তবে রুপ নিচ্ছেনা।

বেদে সরদার এনামুল বলেন,উপজেলার কয়েকটি গ্রামের প্রায় হাজার হাজার বেদে সম্প্রদায়ের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে হলোদিয়া ইউনিয়নের গোয়ালীমান্দ্রা মাঠে সেই সাথে উপজেলার ৩ টি ইউনিয়নের প্রায় সাড়ে চার হাজার বেদে সম্প্রদায়ের ছেলে-মেয়েদের কে নিয়ে সব সময় সকল সরকারী কর্মকান্ড- অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে থকেন,আজ আমাদের কে চাকুরীতে সুযোগ সুবিধা দেয়া ও স্থায়ী ভাবে বসবাসের ব্যবস্থা করে দেয়া হলে আমরদের লৌহজংয়ে বেদে সম্প্রদায়ে রা জীবন যাত্রায় নানামুখী পরির্বতন হবে।

রুবেল ইসলাম তাহমিদ, শ্রীনগর/লৌহজং থেকে

<p><strong>লৌহজংয়ে বেদে সম্প্রদায়ের জীবন যাত্রায় চায় নানামুখী পরির্বতন।</strong></p><p><strong>মুন্সীগঞ্জের ৬টি উপজেলার লৌহজংয়ের তিনটি ইউনিয়নে প্রায় সাড়ে চার হাজার বেদে পরিবার বসবাস করছেন সরকারী তালিকা অনুযায়ী। বেদে নামটির অবজ্ঞাসূচক ডাক বাইদ্যা (হাতুড়ে ডাক্তার) পরিমার্জিত বৈদ্য (চিকিৎসক) থেকে উৎপত্তি, আরকান রাজ্যের মনতাং থেকে এসেছে বিধায় প্রথম দিকে এদেরকে মনতা বলা হলেও কালের পরিবর্ত্বে এরা চিকিৎসক অর্থাৎ কবিরাজিতে সম্পৃক্ত হওয়ায় বৈদ্য বাইদ্যা থেকে তারা বেদে উপাধি পায়। এরা বছর জুরে নৌকায় ঘুরে বেড়ায় গ্রাম থেকে গ্রাম, বন্দর থেকে বন্দরে। মাঝে মধ্যে স্থলে নোঙর ফেলে টোড়ী বা তাঁবুতেও বাস করে এমন দেখা মিলে লৌহজং-শ্রীনগর উপজেলায়। বাংলাদেশে বেদে জনগোষ্ঠীর সংখ্যা কত এর পরিসংখ্যান জানা নেই কারো লৌহজং ইউনিয়ন বেদে সম্প্রদায়ের সরদার মো. নজরুল ইসলাম, সাহেব আলী,ও এবাদুল মেম্বার এর মতে, বেদে শব্দটি ‘বাদিয়া’ থেকে এসেছে। জেম্স ওয়াইজের মতে, সাংস্কৃত ‘ব্যাধ’ থেকে বেদে শব্দটি এসেছে। তবে কথিত আছে, ১৬৩৮ খ্রিস্টাব্দে শরণার্থী আরাকান রাজ বল্লাল রাজার সঙ্গে এরা ঢাকায় আসে বেদেরা। বাঙালির অতি পরিচিত নৃত-গোষ্ঠী। সাধারণত বাদিয়া বা বাইদ্যা নামে পরিচিত। এরা এক ধরনের পেশাজীবী গোষ্ঠী।</strong></p><p>পরে এরা ইসলাম ধর্ম দীক্ষা নেয়। সেই ততকালিন সময়ে ঢাকা থেকে প্রথমে বিক্রমপুর অঞ্চল পরে পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে এরা ছড়িয়ে পড়ে। আবার ভিন্ন মতও আছে। বেদেদের জীবন বড়ই বিচিত্র। তাদের ধর্মমত, বিশ্বাস, আচার-অনুষ্ঠান, চলাফেরা, কথাবার্তা- সবকিছুতে এক ধরনের রহস্যময়তা দেখা যায়। যাচাই করে দেখা বেদেদের ভাষায় অন্য সাধারণরা কথা বলতেওপারে না। কারণ তাদের ভাষার সঙ্গে বাংলা ভাষার মিল নেই অনেকটা। কেউ সঠিক করে বলতে পারে না- এরা কারা! কোথায় তাদের আদি নিবাস।এটি একটি স্বতন্ত্র ভাষা, যা জটিল ও দুর্বোধ্য। বেদেরা নিজেদের ‘মাঙতা’ বা ‘মানতা’ নামে ডাকে। মাঙতা অর্থ মেগে বা ভিক্ষা করে খাওয়া। তারা সাপ, বাঁদর, ভাল্লুক ইত্যাদি নাচিয়ে, শারীরিক কসরত- জাদুর খেলা দেখিয়ে, পোক-জোঁক ফেলে, শিঙ্গা বসিয়ে, শেকড়-বাকড় ও তাবিজ-কবজ বিক্রি করে, তন্ত্র-মন্ত্র পড়ে- লোকজনদের থেকে যা পায় তা-ই দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে বলে তারা নিজেদের ‘মানতা’ নামে পরিচয় দিতে পছন্দ করে। বাংলা মিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, ১৭ শতকে মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখানে বেদেরা প্রথম বসতি গড়ে তুলেন, পাষেই শ্রীনগর ও লৌহজংয়ের খড়িয়া, গোয়ালীমান্দ্রা তেও,এদের বসবাস চোখে পড়ে।</p><p>জমির মলিকানা, স্থায়ী নাগরিকত্ব ও ভোটার হওয়ার জন্য এদের আন্দোলনও করতে হয়েছিল এক যোগ আগে,বর্তমানে গোয়ালীমান্দ্রা এলাকায় এদের সাবেক পেশা যেমন ঝাড়ফুক, সাপের খেলা, যাদু, কবিরাজী, তাবিজ বিক্রি, চুড়ির ব্যবসা ইত্যাদি। এ এলাকায় তাদের সরকারী নিতিমালায় নির্বাচিত মেম্বার ও আছে। সাথে পাচ বছরের কেউ ২০ বছর হয় রাজনৈতিক দল গুলোর কমিটিও রয়েছে, সভাপতি মান্নান , সেক্রেটরী আঃ রউফ।এদিকে আয় রোজগার কমে গেলে তাদের জীবনযাত্রায় নানামুখী পরির্বতন ঘটতে থাকলে। কৃষিআবাদ, দিনমজুরির কাজ করে এদেরকে জীবিকা নির্বাহ করতে হয়।তাদের কেউ কেউ মাদক ব্যবসায় জড়িত কথাটাও শোনা গেছে। </p><p>লৌহজংয়ের খরিয়াগ্রামে, বেদে সম্প্রদায়ের মহল যোগ্য এনামুল, মাসুম মাদবর, সৈয়দ মাদবর, সম্বু মাতুব্বর,পান্না মাতুব্বর,নুরুল হক মাতুব্বর,ও মজনু মাতুব্বর সহ সংশ্লিষ্ট আনেকের সংগে আলাপ কালে বেরিয়ে আসে তাদের দুঃখ কষ্ট দুর্দশার দিন, তারা বলেন আমার এলাকায় ৪৫বছরে র বসবাস নেইকোন সরকারী উন্নয়ের লক্ষ্যে পরিবারের জীবনমান,উন্নয়ের লক্ষ্যে, নেই বাচ্চাদের শিক্ষা প্রতিস্থান ও ৬০ ভাগ লোকের মাথা ঠোকার বাসস্থান নেই একটি করব স্থান নেই ইদের নামাজের জন্য মুশুল্লিদের ইদগাহ মাঠ,</p><p>কোন রকম এক বেলা খেতে পাইলে অন্য বেলায় নাখাওয়ার মতোই চিন্তা রেখে দিনযাপন করতে হয়। বেদে সম্প্রদায়ের মহল আরো বলেন আমাদের এ করুন ইতিহাস খোজ নেয়ার এ ৪৫ বছরেও নেয়নি কেউ। শুনেছি বেদে পরিবারের জীবনমান উন্নয়ের লক্ষ্যে পাইলট প্রকল্প হাতে নিয়েছিলেন সরকার।সে ধারাবাহিকতায়,গেল বছর গোয়ালী মান্দ্রা বেদে সম্প্রদায়ের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক সভায় লৌহজংয়ের খরিয়াগ্রামে,অতিথির বক্তব্যে অনেকে বলেছেন, ‘লৌহজংয়ের তিনটি ইউনিয়নের সাড়ে চার হাজার বেদে পরিবারের জীবনমান উন্নয়ের লক্ষ্যে এখানে নেয়া হবে পাইলট প্রকল্প। কই আর দেখিনা -তো সে পাইলট প্রকল্প কই? তারা আরো বলছিলেন বেদে সম্প্রদায়ের জীবনমান উন্নয়নের কাজ করছে সরকার। এই দেশের বেদেদের কে নিয়ে স্বপ্ন দেখতেন দেশের নেতারা আর সেই স্বপ্ন বাস্তবে রুপ নিচ্ছেনা। </p><p>বেদে সরদার এনামুল বলেন,উপজেলার কয়েকটি গ্রামের প্রায় হাজার হাজার বেদে সম্প্রদায়ের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে হলোদিয়া ইউনিয়নের গোয়ালীমান্দ্রা মাঠে সেই সাথে উপজেলার ৩ টি ইউনিয়নের প্রায় সাড়ে চার হাজার বেদে সম্প্রদায়ের ছেলে-মেয়েদের কে নিয়ে সব সময় সকল সরকারী কর্মকান্ড- অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে থকেন,আজ আমাদের কে চাকুরীতে সুযোগ সুবিধা দেয়া ও স্থায়ী ভাবে বসবাসের ব্যবস্থা করে দেয়া হলে আমরদের লৌহজংয়ে বেদে সম্প্রদায়ে রা জীবন যাত্রায় নানামুখী পরির্বতন হবে।</p><p><span style="color: rgb(251, 140, 0);"><strong>রুবেল ইসলাম তাহমিদ, শ্রীনগর/লৌহজং থেকে</strong></span></p><p></p>

জেলার খবর

play storeapp store