ঢাকা, শুক্রবার, ১৯ চৈত্র, ১৪৩২, ৩ এপ্রিল ২০২৬

কালো জাদুর প্রতিশোধ বন্ধুর হাতে ফাহিম খুন আদালতে চাঞ্চল্যকর জবানবন্দি

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

০২ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৫১ পূর্বাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

কালো জাদুর প্রতিশোধ বন্ধুর হাতে ফাহিম খুন আদালতে চাঞ্চল্যকর জবানবন্দি

ময়মনসিংহের ত্রিশালে সরকারি নজরুল একাডেমি মাঠে গত ২৭ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) সংঘটিত মুনতাসির ফাহিম হত্যাকাণ্ডে নতুন তথ্য বেরিয়ে এসেছে। রোববার আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে অভিযুক্ত অহিদুল ইসলাম অনিক দাবি করেছে ফাহিম আমার ওপর কালো জাদু করেছিল, তাই প্রতিশোধ নিয়েছি।”এর আগে ২৭ নভেম্বর ফাহিমকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় এলাকায় তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়। নিহত ২৩ বছর বয়সী মুনতাসির ফাহিম ত্রিশাল ইউনিয়নের চিকনা মনোহর গ্রামের বাদল মিয়ার ছেলে। তিনি মালয়েশিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতেন। চার মাস আগে দেশে ফিরেছিলেন, এবং ২৯ নভেম্বর তার আবার মালয়েশিয়া ফিরে যাওয়ার কথা ছিল। ২৫ ডিসেম্বর ক্লাস শুরু হওয়ার কথা ছিল তার।অভিযুক্ত অহিদুল ইসলাম অনিক, ত্রিশাল পৌরসভার দরিরামপুর গ্রামের জহিরুল ইসলামের ছেলে। শৈশব থেকেই ফাহিম ও অনিকের ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব ছিল। বড় হওয়া,পড়াশোনা সবই একসঙ্গে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, দেশে ফেরার পর দুই বন্ধু আবারও নিয়মিত একসঙ্গে সময় কাটাতে থাকে। তবে কিছুদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিল অনিক। এ থেকেই তার মনে সন্দেহ সৃষ্টি হয়—ফাহিম নাকি মালয়েশিয়া থেকে ‘কালো জাদু’ শিখে তাকে ক্ষতি করেছে। এই কুসংস্কার ও ভ্রান্ত ধারণা থেকেই পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে ধারণা পুলিশের।ফাহিমের স্কুলজীবনের বন্ধু সোহান বলেন, “ফাহিম ছিল হাসিখুশি ও সবার প্রিয়। আমাদের এলাকায় এমন ভয়াবহ ঘটনা কখনো ঘটেনি। এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না।”নিহতের মা ফাতেমা খাতুন জানান, “আমার ছেলে এসব কালো জাদুতে বিশ্বাস করত না। অনিক কয়েকদিন আগে বাড়িতে এসে বলে আন্টি ফাহিমকে ভালো মন্দ খাওয়ান, ওর মালোশিয়ার খাবার ভালো লাগেনা । আমি আমার ছেলের হত্যার বিচার চাই।ত্রিশাল থানার ওসি মনসুর আহমেদ বলেন, “হত্যাকাণ্ডের দিনই অনিক থানায় এসে আত্মসমর্পণ করে এবং দাবি করে—ফাহিম নাকি কালো জাদু করে তার জীবন নষ্ট করেছে। আজ আদালতে সে একই বক্তব্য দিয়েছে।”পুলিশ আরও জানায়, পুরো ঘটনাটি কুসংস্কার ও ভুল ধারণা থেকেই ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। মামলার তদন্ত চলছে।

এস এ হাসিব/ময়মনসিংহ

<p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>কালো জাদুর প্রতিশোধ বন্ধুর হাতে ফাহিম খুন আদালতে চাঞ্চল্যকর জবানবন্দি</strong></span></p><p><strong>ময়মনসিংহের ত্রিশালে সরকারি নজরুল একাডেমি মাঠে গত ২৭ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) সংঘটিত মুনতাসির ফাহিম হত্যাকাণ্ডে নতুন তথ্য বেরিয়ে এসেছে। রোববার আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে অভিযুক্ত অহিদুল ইসলাম অনিক দাবি করেছে ফাহিম আমার ওপর কালো জাদু করেছিল, তাই প্রতিশোধ নিয়েছি।”এর আগে ২৭ নভেম্বর ফাহিমকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় এলাকায় তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়। নিহত ২৩ বছর বয়সী মুনতাসির ফাহিম ত্রিশাল ইউনিয়নের চিকনা মনোহর গ্রামের বাদল মিয়ার ছেলে। তিনি মালয়েশিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতেন। চার মাস আগে দেশে ফিরেছিলেন, এবং ২৯ নভেম্বর তার আবার মালয়েশিয়া ফিরে যাওয়ার কথা ছিল। ২৫ ডিসেম্বর ক্লাস শুরু হওয়ার কথা ছিল তার।অভিযুক্ত অহিদুল ইসলাম অনিক, ত্রিশাল পৌরসভার দরিরামপুর গ্রামের জহিরুল ইসলামের ছেলে। শৈশব থেকেই ফাহিম ও অনিকের ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব ছিল। বড় হওয়া,পড়াশোনা সবই একসঙ্গে।</strong></p><p>স্থানীয় সূত্র জানায়, দেশে ফেরার পর দুই বন্ধু আবারও নিয়মিত একসঙ্গে সময় কাটাতে থাকে। তবে কিছুদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিল অনিক। এ থেকেই তার মনে সন্দেহ সৃষ্টি হয়—ফাহিম নাকি মালয়েশিয়া থেকে ‘কালো জাদু’ শিখে তাকে ক্ষতি করেছে। এই কুসংস্কার ও ভ্রান্ত ধারণা থেকেই পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে ধারণা পুলিশের।ফাহিমের স্কুলজীবনের বন্ধু সোহান বলেন, “ফাহিম ছিল হাসিখুশি ও সবার প্রিয়। আমাদের এলাকায় এমন ভয়াবহ ঘটনা কখনো ঘটেনি। এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না।”নিহতের মা ফাতেমা খাতুন জানান, “আমার ছেলে এসব কালো জাদুতে বিশ্বাস করত না। অনিক কয়েকদিন আগে বাড়িতে এসে বলে আন্টি ফাহিমকে ভালো মন্দ খাওয়ান, ওর মালোশিয়ার খাবার ভালো লাগেনা । আমি আমার ছেলের হত্যার বিচার চাই।ত্রিশাল থানার ওসি মনসুর আহমেদ বলেন, “হত্যাকাণ্ডের দিনই অনিক থানায় এসে আত্মসমর্পণ করে এবং দাবি করে—ফাহিম নাকি কালো জাদু করে তার জীবন নষ্ট করেছে। আজ আদালতে সে একই বক্তব্য দিয়েছে।”পুলিশ আরও জানায়, পুরো ঘটনাটি কুসংস্কার ও ভুল ধারণা থেকেই ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। মামলার তদন্ত চলছে।</p><p><span style="color: rgb(251, 140, 0);"><strong>এস এ হাসিব/ময়মনসিংহ</strong></span></p>

জেলার খবর

play storeapp store