ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১ মাঘ, ১৪৩২, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬

চট্টগ্রাম ১২ (পটিয়া) আসনের এলডিপি প্রার্থী এয়াকুব আলীর আপিল নামঞ্জুর হাইকোর্টের আদেশ উপেক্ষার অভিযোগ

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

চট্টগ্রাম ১২ (পটিয়া) আসনের এলডিপি প্রার্থী এয়াকুব আলীর আপিল নামঞ্জুর হাইকোর্টের আদেশ উপেক্ষার অভিযোগ

পটিয়া চট্টগ্রাম প্রতিনিধি |

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রার্থী এম. এয়াকুব আলীর মনোনয়ন বাতিল ও আপিল নামঞ্জুর করা হয়েছে। এ ঘটনাকে আইনের শাসনের ওপর সরাসরি আঘাত, সংবিধান লঙ্ঘন এবং পূর্বপরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে আখ্যায়িত করেছেন তিনি।(১৩ জানুয়ারি মঙ্গলবার এয়াকুব আলীর এ আপিল নামঞ্জুর করা হয়।বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোর (সিআইবি) রিপোর্টের অজুহাতে মনোনয়ন বাতিল করা হলেও ওই রিপোর্টের ওপর মহামান্য হাইকোর্টের সুস্পষ্ট স্থগিতাদেশ ছিল। কিন্তু এরপরও নির্বাচন কমিশনের এক কমিশনার তা প্রকাশ্যে অগ্রাহ্য করেছেন, যা নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত বলে মন্তব্য করেন এয়াকুব আলী।

তিনি বলেন, গত ২৯ ডিসেম্বর মনোনয়ন দাখিলের পর গত ৩ জানুয়ারি রিটার্নিং অফিসার বেআইনিভাবে তার মনোনয়ন বাতিল করেন। এর পরপরই তিনি হাইকোর্টে রিট করলে গত ৬ জানুয়ারি আদালত সিআইবি রিপোর্টের ওপর স্থগিতাদেশ দেন। এরপর আইনানুগ প্রক্রিয়ায় ৭ জানুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর আপিল দায়ের করা হলে কমিশন ধার্যকৃত গত ১৩ জানুয়ারি শুনানিতে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানের মাছউদ একতরফাভাবে তার আপিল খারিজ করেন। এ ঘটনায় এম এয়াকুব আলী আরও বলেন, একজন নির্বাচন কমিশনার যদি হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে নিজের খেয়ালখুশিমতো সিদ্ধান্ত দেন, তাহলে নির্বাচন কমিশন আর সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান থাকে না, তা পরিণত হয় একটি দলীয় দপ্তরে। তিনি অভিযোগ করেন, তার বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, অথচ বাস্তবতা ভিন্ন। মোট প্রায় ২১ কোটি ৮০ লক্ষ টাকার ঋণের অধিকাংশই নিয়মিত, বাকি অংশ বিভিন্ন ব্যাংকের হিসাবগত জটিলতা ও মামলা হাইকোর্টের স্থগিতাদেশাধীন। এমনকি সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এলডিপি'র সভাপতি পরিছন্ন রাজনীতিবিধ এম এয়াকুব আলী বলেন,চট্টগ্রামে যেখানে একটি বিশেষ দলের হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে বৈধতা পায়, সেখানে আমাকে টার্গেট করে মাঠের বাইরে রাখার অপচেষ্টা স্পষ্ট ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়,নির্বাচন আমার প্রতিপক্ষরা হেরে যাওয়ার ভয়ে নির্বাচন থেকে আমাকে বিরত রাখার অপচেষ্টা করা হচ্ছে, তিনি দলীয় নেতা কর্মীদের ধৈর্য ধরার আহবান জানান এবং সাংগঠনিক তৎপরতা বৃদ্ধি করতে ঐকবদ্ধ হয়ে কাজ করতে বলেন,তিনি এবিষয়ে আইনে শেষ লড়াই করে নির্বাচনে বৈধ প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন বিবেচিত হবেন আশাবাদী।

<p><span style="color: rgb(0, 0, 0);"><strong>চট্টগ্রাম ১২ (পটিয়া) আসনের এলডিপি প্রার্থী এয়াকুব আলীর আপিল নামঞ্জুর হাইকোর্টের আদেশ উপেক্ষার অভিযোগ</strong></span></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>পটিয়া চট্টগ্রাম প্রতিনিধি |</strong></span></p><p><strong>আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রার্থী এম. এয়াকুব আলীর মনোনয়ন বাতিল ও আপিল নামঞ্জুর করা হয়েছে। এ ঘটনাকে আইনের শাসনের ওপর সরাসরি আঘাত, সংবিধান লঙ্ঘন এবং পূর্বপরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে আখ্যায়িত করেছেন তিনি।(১৩ জানুয়ারি মঙ্গলবার এয়াকুব আলীর এ আপিল নামঞ্জুর করা হয়।বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোর (সিআইবি) রিপোর্টের অজুহাতে মনোনয়ন বাতিল করা হলেও ওই রিপোর্টের ওপর মহামান্য হাইকোর্টের সুস্পষ্ট স্থগিতাদেশ ছিল। কিন্তু এরপরও নির্বাচন কমিশনের এক কমিশনার তা প্রকাশ্যে অগ্রাহ্য করেছেন, যা নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত বলে মন্তব্য করেন এয়াকুব আলী।</strong></p><p>তিনি বলেন, গত ২৯ ডিসেম্বর মনোনয়ন দাখিলের পর গত ৩ জানুয়ারি রিটার্নিং অফিসার বেআইনিভাবে তার মনোনয়ন বাতিল করেন। এর পরপরই তিনি হাইকোর্টে রিট করলে গত ৬ জানুয়ারি আদালত সিআইবি রিপোর্টের ওপর স্থগিতাদেশ দেন। এরপর আইনানুগ প্রক্রিয়ায় ৭ জানুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর আপিল দায়ের করা হলে কমিশন ধার্যকৃত গত ১৩ জানুয়ারি শুনানিতে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানের মাছউদ একতরফাভাবে তার আপিল খারিজ করেন। এ ঘটনায় এম এয়াকুব আলী আরও বলেন, একজন নির্বাচন কমিশনার যদি হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে নিজের খেয়ালখুশিমতো সিদ্ধান্ত দেন, তাহলে নির্বাচন কমিশন আর সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান থাকে না, তা পরিণত হয় একটি দলীয় দপ্তরে। তিনি অভিযোগ করেন, তার বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, অথচ বাস্তবতা ভিন্ন। মোট প্রায় ২১ কোটি ৮০ লক্ষ টাকার ঋণের অধিকাংশই নিয়মিত, বাকি অংশ বিভিন্ন ব্যাংকের হিসাবগত জটিলতা ও মামলা হাইকোর্টের স্থগিতাদেশাধীন। এমনকি সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এলডিপি'র সভাপতি পরিছন্ন রাজনীতিবিধ এম এয়াকুব আলী বলেন,চট্টগ্রামে যেখানে একটি বিশেষ দলের হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে বৈধতা পায়, সেখানে আমাকে টার্গেট করে মাঠের বাইরে রাখার অপচেষ্টা স্পষ্ট ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়,নির্বাচন আমার প্রতিপক্ষরা হেরে যাওয়ার ভয়ে নির্বাচন থেকে আমাকে বিরত রাখার অপচেষ্টা করা হচ্ছে, তিনি দলীয় নেতা কর্মীদের ধৈর্য ধরার আহবান জানান এবং সাংগঠনিক তৎপরতা বৃদ্ধি করতে ঐকবদ্ধ হয়ে কাজ করতে বলেন,তিনি এবিষয়ে আইনে শেষ লড়াই করে নির্বাচনে বৈধ প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন বিবেচিত হবেন আশাবাদী।</p>

জেলার খবর

play storeapp store