ঢাকা, বুধবার, ২১ মাঘ, ১৪৩২, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

সাভারে বিএনপি নেতাসহ ডাকাত দলের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:০৯ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

সাভারে বিএনপি নেতাসহ ডাকাত দলের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার

মোহাম্মদ শান্ত খান | সাভার প্রতিনিধি |

ভোরের নীরবতাকে ঢাল বানিয়ে সাভারের আঞ্চলিক সড়কে আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা যে ব্যর্থ হয়েছে, তা প্রমাণিত হয়েছে পুলিশের ধারাবাহিক অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিরুলিয়া রোডের কালিয়াকৈর এলাকায় কয়েকদিন আগে গাছ ফেলে চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি ও ভয় ছড়ানোর ঘটনার সূত্র ধরেই পুলিশের নজর পৌঁছায় একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত ও মাদক সিন্ডিকেটের দিকে। পুলিশের তদন্তে স্পষ্ট হয়, দীর্ঘদিন ধরে এই চক্র সাভার ও রাজধানীর আঞ্চলিক সংযোগ সড়কে ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদক কারবার চালিয়ে আসছিল এবং ডাকাত দলের মূল মাস্টারমাইন্ড হচ্ছেন জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির অঙ্গ সংগঠন মৎস্যজীবী দলের নেতা মোঃ শাহ আলী ওরফে রাকিব।পুলিশের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ভোর রাতে ডাকাতির প্রস্তুতির খবর পাওয়া যায়। তাৎক্ষণিকভাবে পুরো এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করে পুলিশের টহল দল বিরুলিয়া ইউনিয়নের কালিয়াকৈর এলাকার গোল্ডস্টার গার্মেন্টস সংলগ্ন বাঁশঝাড়ে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে প্রায় ১৫ থেকে ১৬ জনের একটি ডাকাত দল পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া করে ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- ঢাকা জেলার সাভার পৌরসভার রাজাশন গ্যারেজ এলাকার তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে মোঃ সানি মিয়া (৩৫), সাভার উপজেলার বিরুলিয়া ইউনিয়নের ছোট কালিয়াকৈর এলাকার আব্দুল মালেকের ছেলে মোঃ রাসেল মিয়া (৩২), একই এলাকার আবুল হাশেমের ছেলে মোঃ রিপন মিয়া (৩৩), হানিফ মিয়ার ছেলে মাসুদ রানা (৩১),সামাইর এলাকার চান মিয়ার ছেলে শাহিন মিয়া (৩১), সাভার উপজেলার তেঁতুলঝরা ইউনিয়নের হেমায়েতপুর পূর্বহাটি উত্তরপাড়া এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে সোহাবান মিয়া (২৩),একই ইউনিয়নের পূর্বহাটি এলাকার আবু মিয়ার ছেলে নুর নবী (২৭) ও হেমায়েতপুরের উত্তর মেইটকা এলাকার হাছনের ছেলে ইমন মিয়া (২৫)।গ্রেপ্তারকৃতদের দেহ তল্লাশিতে উদ্ধার হয় দুটি ধারালো লোহার দা, একটি লোহার ছুরি, একটি স্টিলের চাইনিজ কুড়াল ও তিনটি সুইচ গিয়ার চাকুসহ মোট সাতটি দেশীয় অস্ত্র। পরে তাদের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে মামলা রুজু করা হয় এবং আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করে, দীর্ঘদিন ধরে তারা পরস্পর যোগসাজশে এলাকায় ডাকাতি ও ছিনতাই চালিয়ে আসছিল এবং এই চক্রের মূল পরিকল্পনাকারী ও নিয়ন্ত্রক হচ্ছেন মোঃ শাহ আলী ওরফে রাকিব (৩৮)।তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান আরও জোরদার করে পুলিশ এবং শুক্রবার দিবাগত (৩১ জানুয়ারি) রাত সাড়ে বারোটার দিকে সাভার পৌরসভার শাহীবাগ এলাকা থেকে শাহ আলী ওরফে রাকিবকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর সে নিজেকে সাভার পৌর মৎস্যজীবী দলের সহ-সভাপতি দাবি করে এবং বিএনপি মনোনীত ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবুর অনুসারী হিসেবে পরিচয় দেয়। তার ফেসবুক প্রোফাইলে সংশ্লিষ্ট নেতার সঙ্গে একাধিক ছবি ও নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয় থাকার প্রমাণও মিলেছে। গ্রেপ্তারকৃত মোঃ শাহ আলী ওরফে রাকিব মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর থানার ওয়াইল গ্রামের তোতা মিয়া ওরফে পাখি কবিরাজের ছেলে। সেই গ্রামের আলোচিত বাচ্চু ডাকাত তার আপন চাচা, বাচ্চু ডাকাত গণপিটুনিতে নিহত হওয়ার পর রাকিব মানিকগঞ্জ থেকে পালিয়ে সাভারে এসে দীর্ঘদিন ধরে সাভার পৌরসভার দিলখুশাবাগ এলাকায় ভাড়া বাসা নিয়ে থাকত এবং এই অঞ্চলে ডাকাতি, ছিনতাই, মাদক ও চাঁদাবাজি চক্রের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিল।  

তবে এলাকাবাসী জানিয়েছেন, ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে দলীয় পরিচয় বদলালেও রাকিবের অপরাধী চরিত্র বদলায়নি। এর আগে সে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের সময় নিষিদ্ধ ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জহিরুল ইসলাম জহির এবং তার বাবা সাভার উপজেলা হকার্স লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের মোল্লার অনুসারী হিসেবে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে ডাকাতি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজিতে জড়িত ছিল। রাজনৈতিক পালাবদলের পর একই অপরাধ সিন্ডিকেটকে নতুন পরিচয়ের আড়ালে টিকিয়ে রাখে সে।পুলিশ জানায়, শাহ আলী ওরফে রাকিবের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক মামলা রয়েছে। ২০২৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর রাতে সাভার পৌর এলাকার শাহীবাগ চৌরাস্তা থেকে বড় একটি মাদক চালানসহ রিমি নামের এক নারী মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় রিমির সঙ্গে থাকা এই শাহ আলী ওরফে রাকিব। ওই মামলায় রিমির স্বীকারোক্তিতেও রাকিবের নাম উঠে আসে। পুলিশের ধারাবাহিক নজরদারি ও সমন্বিত অভিযানে দীর্ঘদিন ধরে রাতের অন্ধকারে ডাকাতি ও মাদক কারবার চালানোর মাস্টারমাইন্ড শাহ আলী ওরফে রাকিব অবশেষে পুলিশের হাতে ধরা পরল।এদিকে এলাকাবাসী জানিয়েছেন, ডাকাত দলের সর্দার শাহ আলী ওরফে রাকিব গ্রেপ্তারের পর সাভার পৌরসভা, বিরুলিয়ার আকরান ও কালিয়াকৈর এলাকায় ভীতিকর পরিবেশ কেটে গেছে। পুলিশের সফল অভিযানের ফলে মানুষ আবারও নিরাপত্তা ও আস্থার অনুভূতি ফিরে পেয়েছে।এ ব্যাপারে সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরমান আলী বলেন, “গাছ ফেলে আতঙ্ক সৃষ্টির ঘটনাকে আমরা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করেছি। ডাকাতির প্রস্তুতির খবর পেয়ে পুরো এলাকায় অভিযান চালানো হয়। প্রথমে ৮ জন গ্রেপ্তার এবং তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে মূল হোতা শাহ আলী ওরফে রাকিবকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। আমাদের অভিযান চলমান, যারা এই চক্রের সঙ্গে জড়িত তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। আমাদের লক্ষ্য- নিয়ম-শৃঙ্খলা, আইন ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

<p><span style="color: rgb(0, 0, 0);"><strong>সাভারে বিএনপি নেতাসহ ডাকাত দলের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার </strong></span></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>মোহাম্মদ শান্ত খান | সাভার প্রতিনিধি | </strong></span></p><p><strong>ভোরের নীরবতাকে ঢাল বানিয়ে সাভারের আঞ্চলিক সড়কে আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা যে ব্যর্থ হয়েছে, তা প্রমাণিত হয়েছে পুলিশের ধারাবাহিক অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিরুলিয়া রোডের কালিয়াকৈর এলাকায় কয়েকদিন আগে গাছ ফেলে চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি ও ভয় ছড়ানোর ঘটনার সূত্র ধরেই পুলিশের নজর পৌঁছায় একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত ও মাদক সিন্ডিকেটের দিকে। পুলিশের তদন্তে স্পষ্ট হয়, দীর্ঘদিন ধরে এই চক্র সাভার ও রাজধানীর আঞ্চলিক সংযোগ সড়কে ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদক কারবার চালিয়ে আসছিল এবং ডাকাত দলের মূল মাস্টারমাইন্ড হচ্ছেন জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির অঙ্গ সংগঠন মৎস্যজীবী দলের নেতা মোঃ শাহ আলী ওরফে রাকিব।পুলিশের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ভোর রাতে ডাকাতির প্রস্তুতির খবর পাওয়া যায়। তাৎক্ষণিকভাবে পুরো এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করে পুলিশের টহল দল বিরুলিয়া ইউনিয়নের কালিয়াকৈর এলাকার গোল্ডস্টার গার্মেন্টস সংলগ্ন বাঁশঝাড়ে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে প্রায় ১৫ থেকে ১৬ জনের একটি ডাকাত দল পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া করে ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।</strong></p><p>গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- ঢাকা জেলার সাভার পৌরসভার রাজাশন গ্যারেজ এলাকার তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে মোঃ সানি মিয়া (৩৫), সাভার উপজেলার বিরুলিয়া ইউনিয়নের ছোট কালিয়াকৈর এলাকার আব্দুল মালেকের ছেলে মোঃ রাসেল মিয়া (৩২), একই এলাকার আবুল হাশেমের ছেলে মোঃ রিপন মিয়া (৩৩), হানিফ মিয়ার ছেলে মাসুদ রানা (৩১),সামাইর এলাকার চান মিয়ার ছেলে শাহিন মিয়া (৩১), সাভার উপজেলার তেঁতুলঝরা ইউনিয়নের হেমায়েতপুর পূর্বহাটি উত্তরপাড়া এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে সোহাবান মিয়া (২৩),একই ইউনিয়নের পূর্বহাটি এলাকার আবু মিয়ার ছেলে নুর নবী (২৭) ও হেমায়েতপুরের উত্তর মেইটকা এলাকার হাছনের ছেলে ইমন মিয়া (২৫)।গ্রেপ্তারকৃতদের দেহ তল্লাশিতে উদ্ধার হয় দুটি ধারালো লোহার দা, একটি লোহার ছুরি, একটি স্টিলের চাইনিজ কুড়াল ও তিনটি সুইচ গিয়ার চাকুসহ মোট সাতটি দেশীয় অস্ত্র। পরে তাদের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে মামলা রুজু করা হয় এবং আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করে, দীর্ঘদিন ধরে তারা পরস্পর যোগসাজশে এলাকায় ডাকাতি ও ছিনতাই চালিয়ে আসছিল এবং এই চক্রের মূল পরিকল্পনাকারী ও নিয়ন্ত্রক হচ্ছেন মোঃ শাহ আলী ওরফে রাকিব (৩৮)।তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান আরও জোরদার করে পুলিশ এবং শুক্রবার দিবাগত (৩১ জানুয়ারি) রাত সাড়ে বারোটার দিকে সাভার পৌরসভার শাহীবাগ এলাকা থেকে শাহ আলী ওরফে রাকিবকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর সে নিজেকে সাভার পৌর মৎস্যজীবী দলের সহ-সভাপতি দাবি করে এবং বিএনপি মনোনীত ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবুর অনুসারী হিসেবে পরিচয় দেয়। তার ফেসবুক প্রোফাইলে সংশ্লিষ্ট নেতার সঙ্গে একাধিক ছবি ও নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয় থাকার প্রমাণও মিলেছে। গ্রেপ্তারকৃত মোঃ শাহ আলী ওরফে রাকিব মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর থানার ওয়াইল গ্রামের তোতা মিয়া ওরফে পাখি কবিরাজের ছেলে। সেই গ্রামের আলোচিত বাচ্চু ডাকাত তার আপন চাচা, বাচ্চু ডাকাত গণপিটুনিতে নিহত হওয়ার পর রাকিব মানিকগঞ্জ থেকে পালিয়ে&nbsp;সাভারে এসে দীর্ঘদিন ধরে সাভার পৌরসভার দিলখুশাবাগ এলাকায় ভাড়া বাসা নিয়ে থাকত এবং এই অঞ্চলে ডাকাতি, ছিনতাই, মাদক ও চাঁদাবাজি চক্রের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিল।&nbsp;&nbsp;</p><p>তবে এলাকাবাসী জানিয়েছেন, ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে দলীয় পরিচয় বদলালেও রাকিবের অপরাধী চরিত্র বদলায়নি। এর আগে সে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের সময় নিষিদ্ধ ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জহিরুল ইসলাম জহির এবং তার বাবা সাভার উপজেলা হকার্স লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের মোল্লার অনুসারী হিসেবে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে ডাকাতি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজিতে জড়িত ছিল। রাজনৈতিক পালাবদলের পর একই অপরাধ সিন্ডিকেটকে নতুন পরিচয়ের আড়ালে টিকিয়ে রাখে সে।পুলিশ জানায়, শাহ আলী ওরফে রাকিবের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক মামলা রয়েছে। ২০২৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর রাতে সাভার পৌর এলাকার শাহীবাগ চৌরাস্তা থেকে বড় একটি মাদক চালানসহ রিমি নামের এক নারী মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় রিমির সঙ্গে থাকা এই শাহ আলী ওরফে রাকিব। ওই মামলায় রিমির স্বীকারোক্তিতেও রাকিবের নাম উঠে আসে। পুলিশের ধারাবাহিক নজরদারি ও সমন্বিত অভিযানে দীর্ঘদিন ধরে রাতের অন্ধকারে ডাকাতি ও মাদক কারবার চালানোর মাস্টারমাইন্ড শাহ আলী ওরফে রাকিব অবশেষে পুলিশের হাতে ধরা পরল।এদিকে এলাকাবাসী জানিয়েছেন, ডাকাত দলের সর্দার শাহ আলী ওরফে রাকিব গ্রেপ্তারের পর সাভার পৌরসভা, বিরুলিয়ার আকরান ও কালিয়াকৈর এলাকায় ভীতিকর পরিবেশ কেটে গেছে। পুলিশের সফল অভিযানের ফলে মানুষ আবারও নিরাপত্তা ও আস্থার অনুভূতি ফিরে পেয়েছে।এ ব্যাপারে সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরমান আলী বলেন, “গাছ ফেলে আতঙ্ক সৃষ্টির ঘটনাকে আমরা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করেছি। ডাকাতির প্রস্তুতির খবর পেয়ে পুরো এলাকায় অভিযান চালানো হয়। প্রথমে ৮ জন গ্রেপ্তার এবং তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে মূল হোতা শাহ আলী ওরফে রাকিবকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। আমাদের অভিযান চলমান, যারা এই চক্রের সঙ্গে জড়িত তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। আমাদের লক্ষ্য- নিয়ম-শৃঙ্খলা, আইন ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।</p>

জেলার খবর

play storeapp store