ঢাকা, শুক্রবার, ২২ মাঘ, ১৪৩২, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

র‍্যাব-৯ এর অভিযানে সুনামগঞ্জে ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলার একমাত্র আসামি গ্রেফতার

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:৪২ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

র‍্যাব-৯ এর অভিযানে সুনামগঞ্জে ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলার একমাত্র আসামি গ্রেফতার

সফিকুল ইসলাম শফিক |

সুনামগঞ্জে ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলার এজাহারনামীয় একমাত্র পলাতক আসামিকে মাত্র ৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-৯। গ্রেফতারকৃত আসামির নাম সুয়েব আহমেদ (২৭)।র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত সুয়েব আহমেদ সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার শিমুলতলা গ্রামের গুলজার মিয়ার ছেলে।র‍্যাব জানায়, ভিকটিম সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ধোপাখালী এলাকার বাসিন্দা। ভিকটিমের স্বামী কর্মসূত্রে ওমানে অবস্থানকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসামি সুয়েব আহমেদের সঙ্গে পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই সম্পর্কের সুযোগে আসামি ভিকটিমকে বিয়ের মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ উঠে।অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, একান্ত সময় কাটানোর সময় আসামি ভিকটিমের অগোচরে তার মোবাইল ফোনে থাকা ভিকটিম ও তার স্বামীর ব্যক্তিগত ও অন্তরঙ্গ ছবি ও ভিডিও নিজের মোবাইলে সংরক্ষণ করে নেয়। গত ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ সকালে সুনামগঞ্জ শহরের ট্রাফিক পয়েন্ট মোড়স্থ হোটেল ওমরের একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে ভিকটিমকে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দেয় আসামি।

পরবর্তীতে ভিকটিমের স্বামী দেশে ফিরে আসার পর ভিকটিম আসামির সঙ্গে যোগাযোগ কমিয়ে দিলে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে সুয়েব আহমেদ। অভিযোগ অনুযায়ী, এরপর মোবাইল ফোন, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইমোতে একাধিকবার যোগাযোগ করে ভিকটিমকে একান্তে সময় কাটানোর জন্য চাপ দিতে থাকে।ভিকটিম রাজি না হলে ভিকটিম ও তার স্বামীর ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়।একপর্যায়ে গত ৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে আসামি তার ফেসবুক আইডিতে ওই ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করে। বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও সেগুলো মুছে না ফেলায় ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।মামলা দায়েরের পর আসামিকে গ্রেফতারে র‍্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাত আনুমানিক ৮টা ৩০ মিনিটে র‍্যাব-৯, সিপিসি-৩, সুনামগঞ্জ-এর একটি আভিযানিক দল সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের লালপুর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার মামলা নম্বর- ০৫, তারিখ- ০৪/০২/২০২৬, ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০২৫) এর ৯(১) তৎসহ পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২ এর ৮(২)/৮(৩)/৮(৪)/৮(৫)(ক) ধারায় মামলা চলমান রয়েছে।পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামিকে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব।র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‍্যাব-৯ এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

<p><strong>র‍্যাব-৯ এর অভিযানে সুনামগঞ্জে ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলার একমাত্র আসামি গ্রেফতার</strong></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>সফিকুল ইসলাম শফিক |</strong></span></p><p><strong>সুনামগঞ্জে ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলার এজাহারনামীয় একমাত্র পলাতক আসামিকে মাত্র ৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-৯। গ্রেফতারকৃত আসামির নাম সুয়েব আহমেদ (২৭)।র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত সুয়েব আহমেদ সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার শিমুলতলা গ্রামের গুলজার মিয়ার ছেলে।র‍্যাব জানায়, ভিকটিম সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ধোপাখালী এলাকার বাসিন্দা। ভিকটিমের স্বামী কর্মসূত্রে ওমানে অবস্থানকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসামি সুয়েব আহমেদের সঙ্গে পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই সম্পর্কের সুযোগে আসামি ভিকটিমকে বিয়ের মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ উঠে।অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, একান্ত সময় কাটানোর সময় আসামি ভিকটিমের অগোচরে তার মোবাইল ফোনে থাকা ভিকটিম ও তার স্বামীর ব্যক্তিগত ও অন্তরঙ্গ ছবি ও ভিডিও নিজের মোবাইলে সংরক্ষণ করে নেয়। গত ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ সকালে সুনামগঞ্জ শহরের ট্রাফিক পয়েন্ট মোড়স্থ হোটেল ওমরের একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে ভিকটিমকে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দেয় আসামি।</strong></p><p>পরবর্তীতে ভিকটিমের স্বামী দেশে ফিরে আসার পর ভিকটিম আসামির সঙ্গে যোগাযোগ কমিয়ে দিলে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে সুয়েব আহমেদ। অভিযোগ অনুযায়ী, এরপর মোবাইল ফোন, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইমোতে একাধিকবার যোগাযোগ করে ভিকটিমকে একান্তে সময় কাটানোর জন্য চাপ দিতে থাকে।ভিকটিম রাজি না হলে ভিকটিম ও তার স্বামীর ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়।একপর্যায়ে গত ৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে আসামি তার ফেসবুক আইডিতে ওই ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করে। বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও সেগুলো মুছে না ফেলায় ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।মামলা দায়েরের পর আসামিকে গ্রেফতারে র‍্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাত আনুমানিক ৮টা ৩০ মিনিটে র‍্যাব-৯, সিপিসি-৩, সুনামগঞ্জ-এর একটি আভিযানিক দল সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের লালপুর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার মামলা নম্বর- ০৫, তারিখ- ০৪/০২/২০২৬, ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০২৫) এর ৯(১) তৎসহ পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২ এর ৮(২)/৮(৩)/৮(৪)/৮(৫)(ক) ধারায় মামলা চলমান রয়েছে।পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামিকে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব।র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‍্যাব-৯ এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।</p>

জেলার খবর

play storeapp store