ঢাকা, রবিবার, ২৪ মাঘ, ১৪৩২, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

মেলান্দহে কমলাবাডী সোহেলের খড়ের পাল্লায় আগুন দিল আ.লীগ নেতা শহিদুল্লাহ মেম্বার ও তার সহযোগীরা

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

মেলান্দহে কমলাবাডী সোহেলের খড়ের পাল্লায় আগুন দিল আ.লীগ নেতা শহিদুল্লাহ মেম্বার ও তার সহযোগীরা

মোঃ সেলিম উদ্দিন | জামালপুর প্রতিনিধি |

​জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে খড়ের পাল্লায় অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা শহিদুল্লাহ মেম্বার ও তার ছেলে শ্যামলের বিরুদ্ধে। গত বুধবার (৪ জানুয়ারি ২০২৬) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার মহিরামকুল মৌজায় এ ঘটনা ঘটে।এই ঘটনায় ভুক্তভোগী মোঃ সোহেল রানা (২৮) বাদী হয়ে মেলান্দহ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।​অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কমলাবাড়ী গ্রামের মৃত তমেজ উদ্দিন দুলালীর ছেলে ও ৮নং ফুলকোচা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল্লাহ মেম্বার দীর্ঘ দিন ধরে সোহেল রানার পৈতৃক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন।

এই ভূমি নিয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে দরবার-শালিস হলেও বিবাদী পক্ষ কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি এবং শালিসের সিদ্ধান্ত অমান্য করে আসছে।​ভুক্তভোগী সোহেল রানা সম্প্রতি এই ভূমিদস্যুতা নিয়ে জাতীয় দৈনিক ‘স্বদেশ বিচিত্রা’পত্রিকায় একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই ক্ষিপ্ত হয়ে শহিদুল্লাহ মেম্বার, তার ছেলে শ্যামল (৩৫), রাশেদ (৪০) ও ফরিদ (৫০) সহ তাদের সহযোগীরা সোহেল রানাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিল।এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার গভীর রাতে বিবাদীগণ মহিরামকুল মৌজায় অবস্থিত সোহেল রানার বসতবাড়ি সংলগ্ন খড়ের পাল্লায় আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলেও ততক্ষণে খড়ের পাল্লাটি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়।​বাদী মোঃ সোহেল রানা বলেন, "বিবাদীগণ অত্যন্ত দাঙ্গাবাজ ও ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে আমার পৈতৃক সম্পত্তি দখল করতে চায়। তাদের অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় তারা আমার ওপর ক্ষিপ্ত ছিল। রাতের আঁধারে তারা আমার খড়ের পাল্লায় আগুন দিয়ে ক্ষতিসাধন করেছে এবং বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।​মেলান্দহ থানায় দায়েরকৃত অভিযোগে মহিরামকুল মৌজার ৩০৮ নং খতিয়ানের ৪২২, ৫৪৪, ৫৪৩, ৫৩২ ও ৪২১ নং দাগের মোট ১ একর ৯৭ শতাংশ জমি নিয়ে এই বিরোধের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।​এলাকাবাসী এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

<p><strong>মেলান্দহে কমলাবাডী সোহেলের খড়ের পাল্লায় আগুন দিল আ.লীগ নেতা শহিদুল্লাহ মেম্বার ও তার সহযোগীরা</strong></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>মোঃ সেলিম উদ্দিন | জামালপুর প্রতিনিধি |</strong></span></p><p><strong>​জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে খড়ের পাল্লায় অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা শহিদুল্লাহ মেম্বার ও তার ছেলে শ্যামলের বিরুদ্ধে। গত বুধবার (৪ জানুয়ারি ২০২৬) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার মহিরামকুল মৌজায় এ ঘটনা ঘটে।এই ঘটনায় ভুক্তভোগী মোঃ সোহেল রানা (২৮) বাদী হয়ে মেলান্দহ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।​অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কমলাবাড়ী গ্রামের মৃত তমেজ উদ্দিন দুলালীর ছেলে ও ৮নং ফুলকোচা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল্লাহ মেম্বার দীর্ঘ দিন ধরে সোহেল রানার পৈতৃক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন।</strong></p><p>এই ভূমি নিয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে দরবার-শালিস হলেও বিবাদী পক্ষ কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি এবং শালিসের সিদ্ধান্ত অমান্য করে আসছে।​ভুক্তভোগী সোহেল রানা সম্প্রতি এই ভূমিদস্যুতা নিয়ে জাতীয় দৈনিক ‘স্বদেশ বিচিত্রা’পত্রিকায় একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই ক্ষিপ্ত হয়ে শহিদুল্লাহ মেম্বার, তার ছেলে শ্যামল (৩৫), রাশেদ (৪০) ও ফরিদ (৫০) সহ তাদের সহযোগীরা সোহেল রানাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিল।এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার গভীর রাতে বিবাদীগণ মহিরামকুল মৌজায় অবস্থিত সোহেল রানার বসতবাড়ি সংলগ্ন খড়ের পাল্লায় আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলেও ততক্ষণে খড়ের পাল্লাটি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়।​বাদী মোঃ সোহেল রানা বলেন, "বিবাদীগণ অত্যন্ত দাঙ্গাবাজ ও ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে আমার পৈতৃক সম্পত্তি দখল করতে চায়। তাদের অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় তারা আমার ওপর ক্ষিপ্ত ছিল। রাতের আঁধারে তারা আমার খড়ের পাল্লায় আগুন দিয়ে ক্ষতিসাধন করেছে এবং বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।​মেলান্দহ থানায় দায়েরকৃত অভিযোগে মহিরামকুল মৌজার ৩০৮ নং খতিয়ানের ৪২২, ৫৪৪, ৫৪৩, ৫৩২ ও ৪২১ নং দাগের মোট ১ একর ৯৭ শতাংশ জমি নিয়ে এই বিরোধের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।​এলাকাবাসী এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।</p>

জেলার খবর

play storeapp store