ঢাকা, সোমবার, ২৫ মাঘ, ১৪৩২, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

টেকনাফে নাফনদীর গোলাগুলিতে গুলিবিদ্ধ স্কুলছাত্রী হুজাইফার মৃত্যু,রবিবার সকাল ১১টায় জানাজা

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:২৫ পূর্বাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

টেকনাফে নাফনদীর গোলাগুলিতে গুলিবিদ্ধ স্কুলছাত্রী হুজাইফার মৃত্যু,রবিবার সকাল ১১টায় জানাজা

জামাল উদ্দীন | কক্সবাজার প্রতিনিধি |

টেকনাফের নাফনদী এলাকায় দু’পক্ষের গোলাগুলির ঘটনায় গুলিবিদ্ধ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী হুজাইফা সুলতানা আফনান (৯) দীর্ঘ ২৭ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মৃত্যুবরণ করেছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।নিহত হুজাইফা টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল তেচ্ছিব্রীজ এলাকার জসিম উদ্দিন ও সুমাইয়া আক্তার দম্পতির প্রথম সন্তান। সে লম্বাবিল হাজ্বী মোহাম্মদ হোছন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল।পারিবারিক সূত্র জানায়, রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় লম্বাবিল তেচ্ছিব্রীজ জানাজা মাঠে নামাজে জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হবে।

জানা যায়, গত ১১ জানুয়ারি ২০২৬ ভোরে টেকনাফের লম্বাবিল–উনছিপ্রাং সীমান্তের বিপরীতে তোঁতার দ্বীপ এলাকায় অবস্থানরত রোহিঙ্গা স্বশস্ত্র গ্রুপ ও মিয়ানমারের কুমিরখালী এলাকায় আরাকান আর্মির সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষ, গোলাগুলি ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই সময় মিয়ানমার দিক থেকে ছোড়া একটি বুলেট লম্বাবিল তেচ্ছিব্রীজ এলাকায় এসে হুজাইফার মাথায় লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুতুপালং হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘ ২৭ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে না ফেরার দেশে চলে যায় শিশু হুজাইফা।ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দমনে সেনাবাহিনী, র‍্যাব, বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ৫৩ জন দুর্বৃত্তকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে ১ জন বাঙালি, ২ জন রোহিঙ্গা জেলে এবং ৫০ জন স্বশস্ত্র গ্রুপের সদস্য রয়েছে। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।হুজাইফার মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকাহত পরিবার ও এলাকাবাসীর চোখে-মুখে এখন শুধু কান্না আর আহাজারি।#####

<p><span style="color: rgb(0, 0, 0);"><strong>টেকনাফে নাফনদীর গোলাগুলিতে গুলিবিদ্ধ স্কুলছাত্রী হুজাইফার মৃত্যু,রবিবার সকাল ১১টায় জানাজা</strong></span></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>জামাল উদ্দীন | কক্সবাজার প্রতিনিধি |</strong></span></p><p><strong>টেকনাফের নাফনদী এলাকায় দু’পক্ষের গোলাগুলির ঘটনায় গুলিবিদ্ধ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী হুজাইফা সুলতানা আফনান (৯) দীর্ঘ ২৭ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মৃত্যুবরণ করেছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।নিহত হুজাইফা টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল তেচ্ছিব্রীজ এলাকার জসিম উদ্দিন ও সুমাইয়া আক্তার দম্পতির প্রথম সন্তান। সে লম্বাবিল হাজ্বী মোহাম্মদ হোছন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল।পারিবারিক সূত্র জানায়, রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় লম্বাবিল তেচ্ছিব্রীজ জানাজা মাঠে নামাজে জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হবে।</strong></p><p>জানা যায়, গত ১১ জানুয়ারি ২০২৬ ভোরে টেকনাফের লম্বাবিল–উনছিপ্রাং সীমান্তের বিপরীতে তোঁতার দ্বীপ এলাকায় অবস্থানরত রোহিঙ্গা স্বশস্ত্র গ্রুপ ও মিয়ানমারের কুমিরখালী এলাকায় আরাকান আর্মির সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষ, গোলাগুলি ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই সময় মিয়ানমার দিক থেকে ছোড়া একটি বুলেট লম্বাবিল তেচ্ছিব্রীজ এলাকায় এসে হুজাইফার মাথায় লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুতুপালং হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘ ২৭ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে না ফেরার দেশে চলে যায় শিশু হুজাইফা।ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দমনে সেনাবাহিনী, র‍্যাব, বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ৫৩ জন দুর্বৃত্তকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে ১ জন বাঙালি, ২ জন রোহিঙ্গা জেলে এবং ৫০ জন স্বশস্ত্র গ্রুপের সদস্য রয়েছে। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।হুজাইফার মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকাহত পরিবার ও এলাকাবাসীর চোখে-মুখে এখন শুধু কান্না আর আহাজারি।#####</p>

জেলার খবর

play storeapp store