ঢাকা, সোমবার, ২৫ মাঘ, ১৪৩২, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ইউক্যালিপটাস গাছের আগ্রাসনে বসতভিটা ও ফসল বিপর্যস্ত, অপসারণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়ে লিখিত আবেদন

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:১২ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

ইউক্যালিপটাস গাছের আগ্রাসনে বসতভিটা ও ফসল বিপর্যস্ত,অপসারণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়ে লিখিত আবেদন

এম এ হোসেন পাটোয়ারী | রংপুর প্রতিনিধি |

রংপুরের পীরগাছা উপজেলার অনন্তরাম (উচাপাড়া) গ্রামে ইউক্যালিপটাস গাছের কারণে পরিবেশ, বসতভিটা ও কৃষিজ ফসলের মারাত্মক ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী স্থানীয় বাসিন্দা সাকিল আহমেদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, তার জমির পাশ্ববর্তী এলাকায় রোপণ করা প্রায় ৫০টি ইউক্যালিপটাস গাছের কারণে জমির স্বাভাবিক উর্বরতা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

অতিরিক্ত পানি শোষণকারী এই গাছের কারণে মাটির আর্দ্রতা কমে গিয়ে ধান, সবজি ও অন্যান্য ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি আশপাশের পরিবেশও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।ভুক্তভোগীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এসব গাছ অপসারণের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছে একাধিকবার অনুরোধ জানানো হলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে তার পরিবার আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে এবং চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।স্থানীয়রা জানান, ইউক্যালিপটাস গাছ পরিবেশ ও কৃষিজমির জন্য ক্ষতিকর হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের গাছ অপসারণের দাবি উঠছে। পরিবেশবিদদের মতে, অনিয়ন্ত্রিতভাবে ইউক্যালিপটাস রোপণের ফলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যাচ্ছে এবং আশপাশের ফসলি জমি ক্ষতির শিকার হচ্ছে।এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সাকিল আহমেদ দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, গাছগুলো অপসারণ করা না হলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের পরিবেশ ও কৃষি সংকট দেখা দিতে পারে। তিনি বিষয়টি সরেজমিন তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

<p><strong>ইউক্যালিপটাস গাছের আগ্রাসনে বসতভিটা ও ফসল বিপর্যস্ত,অপসারণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়ে লিখিত আবেদন</strong></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>এম এ হোসেন পাটোয়ারী | রংপুর প্রতিনিধি |</strong></span></p><p><strong>রংপুরের পীরগাছা উপজেলার অনন্তরাম (উচাপাড়া) গ্রামে ইউক্যালিপটাস গাছের কারণে পরিবেশ, বসতভিটা ও কৃষিজ ফসলের মারাত্মক ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী স্থানীয় বাসিন্দা সাকিল আহমেদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, তার জমির পাশ্ববর্তী এলাকায় রোপণ করা প্রায় ৫০টি ইউক্যালিপটাস গাছের কারণে জমির স্বাভাবিক উর্বরতা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।</strong></p><p>অতিরিক্ত পানি শোষণকারী এই গাছের কারণে মাটির আর্দ্রতা কমে গিয়ে ধান, সবজি ও অন্যান্য ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি আশপাশের পরিবেশও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।ভুক্তভোগীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এসব গাছ অপসারণের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছে একাধিকবার অনুরোধ জানানো হলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে তার পরিবার আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে এবং চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।স্থানীয়রা জানান, ইউক্যালিপটাস গাছ পরিবেশ ও কৃষিজমির জন্য ক্ষতিকর হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের গাছ অপসারণের দাবি উঠছে। পরিবেশবিদদের মতে, অনিয়ন্ত্রিতভাবে ইউক্যালিপটাস রোপণের ফলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যাচ্ছে এবং আশপাশের ফসলি জমি ক্ষতির শিকার হচ্ছে।এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সাকিল আহমেদ দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, গাছগুলো অপসারণ করা না হলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের পরিবেশ ও কৃষি সংকট দেখা দিতে পারে। তিনি বিষয়টি সরেজমিন তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।</p>

জেলার খবর

play storeapp store