ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৬ মাঘ, ১৪৩২, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

টাঙ্গাইল-১ আসনে জামায়াতের গুজব ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কালো টাকা ব্যবহারের অভিযোগে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন,অভিযোগ অস্বীকার স্বতন্ত্র প্রার্থীর

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:১৯ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

টাঙ্গাইল-১ আসনে জামায়াতের গুজব ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কালো টাকা ব্যবহারের অভিযোগে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন,অভিযোগ অস্বীকার স্বতন্ত্র প্রার্থীর

আলকামা সিকদার | টাঙ্গাইল |

টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর গুজব ছড়ানো এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর কালো টাকা ব্যবহারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে মধুপুর উপজেলা বিএনপি।সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মধুপুর উপজেলা বিএনপির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাকির হোসেন সরকার। তিনি অভিযোগ করে বলেন, টাঙ্গাইল-১ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আসাদুল ইসলাম আজাদ দীর্ঘদিন ধরে কালো টাকা ব্যবহার করে নির্বাচন প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন। তিনি আলোচিত ‘আয়না ঘর’-এর মাস্টারমাইন্ড জিয়াউল আহসানের ব্যবসায়ী পার্টনার ছিলেন এবং তৎকালীন মিরপুরের এমপি ইলিয়াস মোল্লার সঙ্গেও ব্যবসায়িক অংশীদার ছিলেন।

ওই সময় জিয়াউল আহসানের সঙ্গে আতাত করে অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ কালো টাকা উপার্জন করেছেন।তিনি আরও বলেন, বিএনপির প্রার্থী জনপ্রিয় হয়ে উঠায় একটি মহল পরিকল্পিতভাবে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আমরা এসব অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি এম. রতন হায়দার, পৌর বিএনপির সভাপতি খুররম খান ইউসুফজি প্রিন্স, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মোতালিব হোসেন, উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. এ. সামাদ, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ পান্না, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি জয়নাল আবেদীন বাবলু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির তালুকদারসহ বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।এ সময় বক্তারা বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অপপ্রচার, গুজব ও অবৈধ অর্থের ব্যবহার গণতন্ত্রের জন্য হুমকি। এসব অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনের কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।এদিকে, বিএনপির এ অভিযোগকে মিথ্যা, বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন টাঙ্গাইল-১ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আসাদুল ইসলাম আজাদ।প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমি কখনোই কোনো কালো টাকা ব্যবহার করিনি কিংবা কোনো অপরাধী চক্রের সঙ্গে জড়িত নই। আমার ভোটের মাঠের অবস্থা খুব ভালো। জনগণের ব্যাপক সাড়া দেখে একটি পক্ষ ভীত হয়ে এ ধরনের মিথ্যাচার করছে।তিনি আরও বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে এ ধরনের কুৎসা রটানো দুঃখজনক। আমি আইনগতভাবে এসব মিথ্যা অভিযোগের মোকাবিলা করবো এবং জনগণের রায়ের ওপরই শেষ পর্যন্ত বিজয় নির্ভর করবে।উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে নির্বাচনী প্রচারণা যত এগোচ্ছে, ততই রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে। প্রার্থীদের পাল্টাপাল্টি অভিযোগে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে।

<p><span style="color: rgb(0, 0, 0);"><strong>টাঙ্গাইল-১ আসনে জামায়াতের গুজব ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কালো টাকা ব্যবহারের অভিযোগে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন,অভিযোগ অস্বীকার স্বতন্ত্র প্রার্থীর</strong></span></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>আলকামা সিকদার | টাঙ্গাইল |</strong></span></p><p><strong>টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর গুজব ছড়ানো এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর কালো টাকা ব্যবহারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে মধুপুর উপজেলা বিএনপি।সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মধুপুর উপজেলা বিএনপির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাকির হোসেন সরকার। তিনি অভিযোগ করে বলেন, টাঙ্গাইল-১ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আসাদুল ইসলাম আজাদ দীর্ঘদিন ধরে কালো টাকা ব্যবহার করে নির্বাচন প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন। তিনি আলোচিত ‘আয়না ঘর’-এর মাস্টারমাইন্ড জিয়াউল আহসানের ব্যবসায়ী পার্টনার ছিলেন এবং তৎকালীন মিরপুরের এমপি ইলিয়াস মোল্লার সঙ্গেও ব্যবসায়িক অংশীদার ছিলেন।</strong></p><p>ওই সময় জিয়াউল আহসানের সঙ্গে আতাত করে অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ কালো টাকা উপার্জন করেছেন।তিনি আরও বলেন, বিএনপির প্রার্থী জনপ্রিয় হয়ে উঠায় একটি মহল পরিকল্পিতভাবে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আমরা এসব অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি এম. রতন হায়দার, পৌর বিএনপির সভাপতি খুররম খান ইউসুফজি প্রিন্স, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মোতালিব হোসেন, উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. এ. সামাদ, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ পান্না, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি জয়নাল আবেদীন বাবলু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির তালুকদারসহ বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।এ সময় বক্তারা বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অপপ্রচার, গুজব ও অবৈধ অর্থের ব্যবহার গণতন্ত্রের জন্য হুমকি। এসব অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনের কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।এদিকে, বিএনপির এ অভিযোগকে মিথ্যা, বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন টাঙ্গাইল-১ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আসাদুল ইসলাম আজাদ।প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমি কখনোই কোনো কালো টাকা ব্যবহার করিনি কিংবা কোনো অপরাধী চক্রের সঙ্গে জড়িত নই। আমার ভোটের মাঠের অবস্থা খুব ভালো। জনগণের ব্যাপক সাড়া দেখে একটি পক্ষ ভীত হয়ে এ ধরনের মিথ্যাচার করছে।তিনি আরও বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে এ ধরনের কুৎসা রটানো দুঃখজনক। আমি আইনগতভাবে এসব মিথ্যা অভিযোগের মোকাবিলা করবো এবং জনগণের রায়ের ওপরই শেষ পর্যন্ত বিজয় নির্ভর করবে।উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে নির্বাচনী প্রচারণা যত এগোচ্ছে, ততই রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে। প্রার্থীদের পাল্টাপাল্টি অভিযোগে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে।</p>

জেলার খবর

play storeapp store