ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৮ মাঘ, ১৪৩২, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে টেটাযুদ্ধে ৪ জন টেঁটাবিদ্ধসহ আহত ৯
বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:১৬ অপরাহ্ন
মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে টেটাযুদ্ধে ৪ জন টেঁটাবিদ্ধসহ আহত ৯
আবু নাসের লিমন | মুন্সীগঞ্জ |
মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে টেটা যুদ্ধ হয়েছে। এতে চারজন টেটাবৃদ্ধ সহ কমপক্ষে নয় জন আহত হয়েছে।জাতীয় নির্বাচনের আগের দিন বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) এই ঘটনা ঘটায় ওই এলাকার ভোটারদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের পূর্ব চান্দেরচর গাজী মার্কেট এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।আহতরা হলেন সোহেলের ছেলে ইমরান (২৮), হাবীর ছেলে লিটন (৪৮), মান্নানের ছেলে সোহাগ (৩৫) এবং কালাইর ছেলে রিয়াজুল (২০)। এছাড়াও বাকি আহতদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।
গুরুতর টেঁটাবিদ্ধ অবস্থায় রিয়াজুল ও ইমরানকে প্রথমে ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (মিডফোর্ড) নেওয়া হয়। পরে তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ঢামেক) এ স্থানান্তর করা হয়েছে।স্থানীয়রা জানান, পূর্ব চান্দেরচর গ্রামের কালাইচান মাদবর ও জহিরুদ্দিন গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। নির্বাচনকে সামনে রেখে সেই বিরোধ নতুন করে চরম আকার ধারণ করে। বুধবার দুপুরে জহির গ্রুপের সদস্য সোহাগ গাজী মার্কেট এলাকায় পাইপ ফিল্টারের কাজ করতে গেলে কালাইচান গ্রুপের কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র, টেঁটা ও রামদা নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়।অভিযোগ রয়েছে, কালাইচান গ্রুপের সমুর ছেলে হাবি, জহিরুদ্দিন, সেলিম, হাবির ছেলে রিফাত সাওন, সিরাজুলের ছেলে সুজন, কালাইচানের ছেলে ইমন, নয়ন, নিজামুদ্দিনের ছেলে আমজাদ ও ছলমুদ্দিনের ছেলে মারুফসহ আরও কয়েকজন এ হামলায় অংশ নেন।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং উত্তেজনা বিরাজ করছে।এ ব্যাপারে সিরাজদীখান থানার ওসি এম এ হান্নান সন্ধ্যা সোয়া ছয়টার সময় জানান , পূর্ব শত্রুতার জেরে দুপক্ষের মধ্যে মারামারি হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এ ব্যাপারে কেউ এখনো অভিযোগ দায়ের করেনি আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
জেলার খবর