ঢাকা, রবিবার, ১ ফাল্গুন, ১৪৩২, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

মৌলভীবাজারে বড় ব্যবধানে পরাজয়,জামানত রক্ষা করতে পারলেন না ১৪ প্রার্থী

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

মৌলভীবাজারে বড় ব্যবধানে পরাজয়,জামানত রক্ষা করতে পারলেন না ১৪ প্রার্থী

মনজু বিজয় চৌধুরী | মৌলভীবাজার |

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার জেলার চারটি সংসদীয় আসনে মোট ২৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে মাত্র ১০ জন প্রার্থী তাদের জামানত রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছেন। বাকি ১৪ জন প্রার্থী নির্ধারিত ভোটের হার পূরণ করতে না পারায় জামানত হারিয়েছেন।নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট আসনে প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম ভোট পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এবারের নির্বাচনে মৌলভীবাজারের চারটি আসনে অংশ নেওয়া ১৪ জন প্রার্থী এই শর্ত পূরণ করতে না পারায় তারা জামানত ফেরত পাচ্ছেন না।বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভোট গণনা শেষে জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বেশ কয়েকটি আসনে একতরফা ভোটের কারণে অনেক প্রার্থী উল্লেখযোগ্য ভোট সংগ্রহে ব্যর্থ হয়েছেন।

মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী)৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন-লাঙল প্রতীকের আহমেদ রিয়াজ উদ্দিন, কাপ-পিরিচ প্রতীকের বেলাল আহমদ, ট্রাক প্রতীকের মো. আব্দুন নূর ও মাছ প্রতীকের মো. শরিফুল ইসলাম।মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া)৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন-হাতপাখা প্রতীকের আব্দুল কুদ্দুছ, ঘোড়া প্রতীকের এম জিমিউর রহমান চৌধুরী, ফুটবল প্রতীকের নওয়াব আলী আব্বাছ খাঁন, লাঙ্গল প্রতীকের মো. আব্দুল মালিক ও কাঁচি প্রতীকের সাদিয়া নোশিন তাসনিম চৌধুরী।মৌলভীবাজার-৩ (সদর-রাজনগর)৪ জন প্রার্থীর মধ্যে ২ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন-দেয়াল ঘড়ি প্রতীকের আহমদ বিলাল ও কাস্তে প্রতীকের জহর লাল দত্ত।মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ)৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন শাপলা কলি প্রতীকের প্রীতম দাশ, লাঙ্গল প্রতীকের মোহাম্মদ জরিফ হোসেন ও মই প্রতীকের মো. আবুল হাসান।স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় সাংগঠনিক শক্তি, প্রার্থীর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা, নির্বাচনী কৌশল এবং ভোটারদের কৌশলগত ভোট প্রদান এসব বিষয় জামানত হারানোর পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। অনেক আসনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে ভোটের ব্যবধান বেশি হওয়ায় ছোট দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রত্যাশিত সমর্থন পাননি।সব মিলিয়ে এবারের নির্বাচনে মৌলভীবাজারে বড় ব্যবধানের ফলাফল যেমন নজর কেড়েছে, তেমনি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রার্থীর জামানত হারানোর ঘটনাও রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

<p><strong>মৌলভীবাজারে বড় ব্যবধানে পরাজয়,জামানত রক্ষা করতে পারলেন না ১৪ প্রার্থী</strong></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>মনজু বিজয় চৌধুরী | মৌলভীবাজার |</strong></span></p><p><strong>ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার জেলার চারটি সংসদীয় আসনে মোট ২৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে মাত্র ১০ জন প্রার্থী তাদের জামানত রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছেন। বাকি ১৪ জন প্রার্থী নির্ধারিত ভোটের হার পূরণ করতে না পারায় জামানত হারিয়েছেন।নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট আসনে প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম ভোট পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এবারের নির্বাচনে মৌলভীবাজারের চারটি আসনে অংশ নেওয়া ১৪ জন প্রার্থী এই শর্ত পূরণ করতে না পারায় তারা জামানত ফেরত পাচ্ছেন না।বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভোট গণনা শেষে জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বেশ কয়েকটি আসনে একতরফা ভোটের কারণে অনেক প্রার্থী উল্লেখযোগ্য ভোট সংগ্রহে ব্যর্থ হয়েছেন।</strong></p><p>মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী)৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন-লাঙল প্রতীকের আহমেদ রিয়াজ উদ্দিন, কাপ-পিরিচ প্রতীকের বেলাল আহমদ, ট্রাক প্রতীকের মো. আব্দুন নূর ও মাছ প্রতীকের মো. শরিফুল ইসলাম।মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া)৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন-হাতপাখা প্রতীকের আব্দুল কুদ্দুছ, ঘোড়া প্রতীকের এম জিমিউর রহমান চৌধুরী, ফুটবল প্রতীকের নওয়াব আলী আব্বাছ খাঁন, লাঙ্গল প্রতীকের মো. আব্দুল মালিক ও কাঁচি প্রতীকের সাদিয়া নোশিন তাসনিম চৌধুরী।মৌলভীবাজার-৩ (সদর-রাজনগর)৪ জন প্রার্থীর মধ্যে ২ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন-দেয়াল ঘড়ি প্রতীকের আহমদ বিলাল ও কাস্তে প্রতীকের জহর লাল দত্ত।মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ)৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন শাপলা কলি প্রতীকের প্রীতম দাশ, লাঙ্গল প্রতীকের মোহাম্মদ জরিফ হোসেন ও মই প্রতীকের মো. আবুল হাসান।স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় সাংগঠনিক শক্তি, প্রার্থীর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা, নির্বাচনী কৌশল এবং ভোটারদের কৌশলগত ভোট প্রদান এসব বিষয় জামানত হারানোর পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। অনেক আসনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে ভোটের ব্যবধান বেশি হওয়ায় ছোট দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রত্যাশিত সমর্থন পাননি।সব মিলিয়ে এবারের নির্বাচনে মৌলভীবাজারে বড় ব্যবধানের ফলাফল যেমন নজর কেড়েছে, তেমনি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রার্থীর জামানত হারানোর ঘটনাও রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।</p>

জেলার খবর

play storeapp store