ঢাকা, রবিবার, ১ ফাল্গুন, ১৪৩২, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

সালথায় বিএনপির এজেন্ট কে মারধর ও মিথ্যা প্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:৪৬ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

সালথায় বিএনপির এজেন্ট কে মারধর ও মিথ্যা প্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি |

ফরিদপুরের সালথায় বিএনপির এজেন্ট কে মারধর বাড়িঘরে হামলা ও মিথ্যা প্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগীরা।আজ শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় উপজেলার রামকান্তপুর গ্রামের নিজ বাড়িতেই এই সংবাদ করে ভুক্তভোগীরা।সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্যে উপজেলা যুব জমিয়তে ওলামা ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি মুফতি এনায়েত তালুকদার বলেন, আমাদের দল বিএনপির সাথে জোট করে ও কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী এবং নেত্রীর পরামর্শ নিয়ে ১২ই ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন আমার ভাতিজা এসকেন তালুকদার কে এজেন্ট বানাই।

নির্বাচন চলাকালে এসকেন তালুকদার দেখতে ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান তালুকদারের ভাই ভাতিজা রিক্সা মার্কায় ভোট দিতে ছিলেন। তখন তিনি এটা বুঝতে পেরে সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার ও অন্যান্য লোকদের জানান। এই রাগে নির্বাচন শেষ হওয়ার পরে এসকেন তালুকদার কে ধাওয়া করে তাকে মারধর করে। তার জান রক্ষার্থে তিনি চলে আসেন। ওখানে ইশারত মোল্লার ছেলে মোস্তাকিন ছিলো আরও কয়েকজন ছিলো তাদের কে মারধর করে এবং দোকানের মধ্যে ঠেলে নিয়ে যায়। তিনি অনেক অসুস্থ হয়ে পড়েন। তিনি একজন সরল সোজা মানুষ।তিনি আরও বলেন, গতকাল জুম্মার নামাজের পরে হাফিজুর মৃধার ছেলে সিয়াম নামাজ পড়ে বের হয়ে আসার পরে কয়েকজন মিলে তাকে মারধর করে। এই মারধরের জের ধরে আমরা দুই পক্ষে কথা-কাটাকাটি করি। পরে সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রথমে গিয়ে তারা মৃধা বাড়িতে আক্রমণ করে। আমাদের সহযোদ্ধা ধানের শীষের লোক রবিউল মৃধার বাড়ি ভাংচুর করে। পরে আরও দুই সহযোদ্ধা শহিদ ও রিপন তালুকদারের বাড়িতে হামলা করে। আমরা বাঁধা দিতে গেলে আমাদের উপরে আক্রমণ করে। তারা সামনে চেয়ারম্যান নির্বাচন করবে। এই জন্য তারা বাহিরদিয়া গ্রামের সাথে চুক্তি করে রিকশা মার্কায় ভোট দিতে ছিলো। বিষয় টি জানাজানি হলে আমাদের উপর দোষ চাপাতে চেয়েছিলো। এবং আমাদের বিরুদ্ধে তারা মিথ্যা প্রচার করেছে।ঢাকা মহানগর পুর্ব ছাত্রদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক তালুকদার আমান হুসাইন বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন বিজয় মিছিল করা যাবে না। আমাদের নেত্রী শামা ওবায়েদ বলেছেন কারো সাথে ঝামেলায় যাওয়া যাবে না। এই জন্য আমাদের উপর আক্রমণ হওয়া সত্বেও নেত্রীর কথা মত আমরা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলাম। নির্বাচনের দিন নির্বাচনের পরের দিন ওরা আমাদের কে বিভিন্ন হুমকি ধামকি মারধর বাড়িঘর ভাংচুর এই গুলো প্রতিহত করার জন্যই সংঘর্ষ। উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানের সমর্থকদের সাথে আমাদের এই সংঘর্ষ টা হয়েছে। বিষয় টি সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার কে অবগত করা হলে তিনি কোনো ভুমিকা নেননি উল্টো উস্কানি দিয়েছেন।

<p><span style="color: rgb(0, 0, 0);"><strong>সালথায় বিএনপির এজেন্ট কে মারধর ও মিথ্যা প্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন</strong></span></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি |</strong></span></p><p><strong>ফরিদপুরের সালথায় বিএনপির এজেন্ট কে মারধর বাড়িঘরে হামলা ও মিথ্যা প্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগীরা।আজ শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় উপজেলার রামকান্তপুর গ্রামের নিজ বাড়িতেই এই সংবাদ করে ভুক্তভোগীরা।সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্যে উপজেলা যুব জমিয়তে ওলামা ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি মুফতি এনায়েত তালুকদার বলেন, আমাদের দল বিএনপির সাথে জোট করে ও কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী এবং নেত্রীর পরামর্শ নিয়ে ১২ই ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন আমার ভাতিজা এসকেন তালুকদার কে এজেন্ট বানাই।</strong></p><p>নির্বাচন চলাকালে এসকেন তালুকদার দেখতে ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান তালুকদারের ভাই ভাতিজা রিক্সা মার্কায় ভোট দিতে ছিলেন। তখন তিনি এটা বুঝতে পেরে সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার ও অন্যান্য লোকদের জানান। এই রাগে নির্বাচন শেষ হওয়ার পরে এসকেন তালুকদার কে ধাওয়া করে তাকে মারধর করে। তার জান রক্ষার্থে তিনি চলে আসেন। ওখানে ইশারত মোল্লার ছেলে মোস্তাকিন ছিলো আরও কয়েকজন ছিলো তাদের কে মারধর করে এবং দোকানের মধ্যে ঠেলে নিয়ে যায়। তিনি অনেক অসুস্থ হয়ে পড়েন। তিনি একজন সরল সোজা মানুষ।তিনি আরও বলেন, গতকাল জুম্মার নামাজের পরে হাফিজুর মৃধার ছেলে সিয়াম নামাজ পড়ে বের হয়ে আসার পরে কয়েকজন মিলে তাকে মারধর করে। এই মারধরের জের ধরে আমরা দুই পক্ষে কথা-কাটাকাটি করি। পরে সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রথমে গিয়ে তারা মৃধা বাড়িতে আক্রমণ করে। আমাদের সহযোদ্ধা ধানের শীষের লোক রবিউল মৃধার বাড়ি ভাংচুর করে। পরে আরও দুই সহযোদ্ধা শহিদ ও রিপন তালুকদারের বাড়িতে হামলা করে। আমরা বাঁধা দিতে গেলে আমাদের উপরে আক্রমণ করে। তারা সামনে চেয়ারম্যান নির্বাচন করবে। এই জন্য তারা বাহিরদিয়া গ্রামের সাথে চুক্তি করে রিকশা মার্কায় ভোট দিতে ছিলো। বিষয় টি জানাজানি হলে আমাদের উপর দোষ চাপাতে চেয়েছিলো। এবং আমাদের বিরুদ্ধে তারা মিথ্যা প্রচার করেছে।ঢাকা মহানগর পুর্ব ছাত্রদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক তালুকদার আমান হুসাইন বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন বিজয় মিছিল করা যাবে না। আমাদের নেত্রী শামা ওবায়েদ বলেছেন কারো সাথে ঝামেলায় যাওয়া যাবে না। এই জন্য আমাদের উপর আক্রমণ হওয়া সত্বেও নেত্রীর কথা মত আমরা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলাম। নির্বাচনের দিন নির্বাচনের পরের দিন ওরা আমাদের কে বিভিন্ন হুমকি ধামকি মারধর বাড়িঘর ভাংচুর এই গুলো প্রতিহত করার জন্যই সংঘর্ষ। উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানের সমর্থকদের সাথে আমাদের এই সংঘর্ষ টা হয়েছে। বিষয় টি সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার কে অবগত করা হলে তিনি কোনো ভুমিকা নেননি উল্টো উস্কানি দিয়েছেন।</p>

জেলার খবর

play storeapp store