ঢাকা, সোমবার, ২ ফাল্গুন, ১৪৩২, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

গুম পরিবারের সদস্যকে সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি,আলোচনায় লাবনী

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:৫৪ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

গুম পরিবারের সদস্যকে সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি,আলোচনায় লাবনী

শেরপুর প্রতিনিধি |

গুম হওয়া পরিবারের একজন সদস্যকে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে।এ দাবির সঙ্গে যুক্ত হয়ে সামনে এসেছে নুসরাত জাহান লাবনীর নাম। তিনি গুম হওয়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদল সহসভাপতি ও শেরপুরের নকলা উপজেলার বাসিন্দা মাজহারুল ইসলাম রাসেলের বোন।সম্প্রতি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়া পোস্টে দাবি করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে গুম হওয়া পরিবারের সদস্যরা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত। তাদের কষ্ট ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে একজন প্রতিনিধিকে সংসদে পাঠানো প্রয়োজন।

পোস্টগুলোতে আরও বলা হচ্ছে, এতে গুম পরিবারের দুর্ভোগ সরাসরি জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে। বিষয়টি নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ এটিকে ন্যায়সঙ্গত দাবি হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর বিষয়টি ছেড়ে দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন।এ বিষয়ে গুম হওয়া রাসেলের বড় ভাই, যুবদল নেতা মশিউর রহমান লোটাস জানান, তাদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তা ও কষ্টের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। তিনি বলেন, “আমাদের ভাইয়ের কোনো খোঁজ আজও পাওয়া যায়নি। একটি পরিবার হিসেবে আমরা শুধু বিচার নয়, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিও চাই। যদি গুম পরিবারের একজন সদস্য সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পান, তাহলে এই কষ্টের কথা অন্তত জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরা সম্ভব হবে।”তিনি আরও বলেন, গুম পরিবারের সদস্যদের কণ্ঠস্বর এখনো প্রাতিষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরার সুযোগ খুবই সীমিত। সংসদে প্রতিনিধিত্ব পেলে এসব পরিবারের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং দাবি সরাসরি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে পৌঁছানো সহজ হবে।নুসরাত জাহান লাবনী বলেন,আমার ভাই মাজহারুল ইসলাম রাসেল গুম হওয়ার পর থেকে আমাদের পরিবার এক গভীর অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। আজও আমরা জানি না তিনি কোথায় আছেন, কেমন আছেন। এই দীর্ঘ প্রতীক্ষা আমাদের জন্য এক অসহনীয় মানসিক যন্ত্রণা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, যদি গুম পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাই, তাহলে আমাদের মতো অসংখ্য পরিবারের না বলা কথা জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।অনেকেই মনে করছেন, এটি শুধু একটি ব্যক্তিগত দাবি নয়, বরং গুম হওয়া পরিবারগুলোর দীর্ঘদিনের বঞ্চনার প্রতিফলন।

<p><span style="color: rgb(0, 0, 0);"><strong>গুম পরিবারের সদস্যকে সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি,আলোচনায় লাবনী</strong></span></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>শেরপুর প্রতিনিধি |</strong></span></p><p><strong>গুম হওয়া পরিবারের একজন সদস্যকে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে।এ দাবির সঙ্গে যুক্ত হয়ে সামনে এসেছে নুসরাত জাহান লাবনীর নাম। তিনি গুম হওয়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদল সহসভাপতি ও শেরপুরের নকলা উপজেলার বাসিন্দা মাজহারুল ইসলাম রাসেলের বোন।সম্প্রতি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়া পোস্টে দাবি করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে গুম হওয়া পরিবারের সদস্যরা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত। তাদের কষ্ট ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে একজন প্রতিনিধিকে সংসদে পাঠানো প্রয়োজন।</strong></p><p>পোস্টগুলোতে আরও বলা হচ্ছে, এতে গুম পরিবারের দুর্ভোগ সরাসরি জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে। বিষয়টি নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ এটিকে ন্যায়সঙ্গত দাবি হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর বিষয়টি ছেড়ে দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন।এ বিষয়ে গুম হওয়া রাসেলের বড় ভাই, যুবদল নেতা মশিউর রহমান লোটাস জানান, তাদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তা ও কষ্টের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। তিনি বলেন, “আমাদের ভাইয়ের কোনো খোঁজ আজও পাওয়া যায়নি। একটি পরিবার হিসেবে আমরা শুধু বিচার নয়, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিও চাই। যদি গুম পরিবারের একজন সদস্য সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পান, তাহলে এই কষ্টের কথা অন্তত জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরা সম্ভব হবে।”তিনি আরও বলেন, গুম পরিবারের সদস্যদের কণ্ঠস্বর এখনো প্রাতিষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরার সুযোগ খুবই সীমিত। সংসদে প্রতিনিধিত্ব পেলে এসব পরিবারের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং দাবি সরাসরি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে পৌঁছানো সহজ হবে।নুসরাত জাহান লাবনী বলেন,আমার ভাই মাজহারুল ইসলাম রাসেল গুম হওয়ার পর থেকে আমাদের পরিবার এক গভীর অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। আজও আমরা জানি না তিনি কোথায় আছেন, কেমন আছেন। এই দীর্ঘ প্রতীক্ষা আমাদের জন্য এক অসহনীয় মানসিক যন্ত্রণা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, যদি গুম পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাই, তাহলে আমাদের মতো অসংখ্য পরিবারের না বলা কথা জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।অনেকেই মনে করছেন, এটি শুধু একটি ব্যক্তিগত দাবি নয়, বরং গুম হওয়া পরিবারগুলোর দীর্ঘদিনের বঞ্চনার প্রতিফলন।</p>

জেলার খবর

play storeapp store