ঢাকা, শুক্রবার, ৬ ফাল্গুন, ১৪৩২, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

কোটালিপাড়ায় চলাচলের পথ বন্ধ,গৃহবন্দী ৩০-৩৫ পরিবার

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:০০ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

কোটালিপাড়ায় চলাচলের পথ বন্ধ,গৃহবন্দী ৩০-৩৫ পরিবার

নিজস্ব প্রতিনিধি |

গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়া উপজেলার কুশলা ইউনিয়নের মান্দ্রা গ্রামে চলাচলের একমাত্র পথ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এতে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫টি পরিবার গৃহবন্দী হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মান্দ্রা গ্রামের পল্টু রায় চৌধুরী নামের এক ব্যক্তি পূর্বপরিকল্পিতভাবে বহু পুরনো একটি আশ্রমের গেট এবং গ্রামের মানুষের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেন। সরেজমিনে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। দেখা যায়, রাস্তা থেকে মাটি কেটে উঁচু করে ফেলা হয়েছে এবং বাঁশ দিয়ে ঘিরে চলাচলের পথ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর সদস্যরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। তারা জানান, পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দৈনন্দিন কাজকর্ম, শিশুদের স্কুলে যাওয়া, অসুস্থদের চিকিৎসা নেওয়াসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তারা দ্রুত পথ পুনরুদ্ধারের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।ঘটনার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এলাকার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বিশ্বশুক সেবাশ্রম সংঘ ও মিলন মাঠ-এর কার্যক্রমও। আশ্রম কর্তৃপক্ষ জানান, নিয়মিত ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনায় বিঘ্ন ঘটছে। প্রতিবছর এখানে অনুষ্ঠিত বার্ষিক মেলায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ভক্তবৃন্দের আগমন ঘটে এবং পাশের স্কুল মাঠজুড়ে মেলা বসে। কিন্তু রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় আগত ভক্তদের যাতায়াতে চরম ভোগান্তির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।এ বিষয়ে অভিযুক্ত পল্টু রায় চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বক্তব্য দিতে শুরু করেন। তবে এ সময় তার স্ত্রী ও এক ছেলে বারবার তাকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে তার স্ত্রী উচ্চ কণ্ঠে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “এটা আমার জায়গা, আমি বন্ধ করেছি। এটা কোনো চলাচলের পথ ছিল না। ওরা আমার অনেক ক্ষতি করেছে।” তিনি আরও নানা অভিযোগ তুলে ধরেন। এ সময় পল্টু রায় চৌধুরীকে কিছুটা নীরব ও স্ত্রীর কথায় সায় দিতে দেখা যায়।স্থানীয় গ্রামবাসী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা এ ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেছেন। তারা দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে অবরুদ্ধ পথ উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

<p><span style="color: rgb(0, 0, 0);"><strong>কোটালিপাড়ায় চলাচলের পথ বন্ধ,গৃহবন্দী ৩০-৩৫ পরিবার</strong></span></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>নিজস্ব প্রতিনিধি | </strong></span></p><p><strong>গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়া উপজেলার কুশলা ইউনিয়নের মান্দ্রা গ্রামে চলাচলের একমাত্র পথ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এতে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫টি পরিবার গৃহবন্দী হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মান্দ্রা গ্রামের পল্টু রায় চৌধুরী নামের এক ব্যক্তি পূর্বপরিকল্পিতভাবে বহু পুরনো একটি আশ্রমের গেট এবং গ্রামের মানুষের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেন। সরেজমিনে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। দেখা যায়, রাস্তা থেকে মাটি কেটে উঁচু করে ফেলা হয়েছে এবং বাঁশ দিয়ে ঘিরে চলাচলের পথ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।</strong></p><p>এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর সদস্যরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। তারা জানান, পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দৈনন্দিন কাজকর্ম, শিশুদের স্কুলে যাওয়া, অসুস্থদের চিকিৎসা নেওয়াসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তারা দ্রুত পথ পুনরুদ্ধারের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।ঘটনার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এলাকার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বিশ্বশুক সেবাশ্রম সংঘ ও মিলন মাঠ-এর কার্যক্রমও। আশ্রম কর্তৃপক্ষ জানান, নিয়মিত ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনায় বিঘ্ন ঘটছে। প্রতিবছর এখানে অনুষ্ঠিত বার্ষিক মেলায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ভক্তবৃন্দের আগমন ঘটে এবং পাশের স্কুল মাঠজুড়ে মেলা বসে। কিন্তু রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় আগত ভক্তদের যাতায়াতে চরম ভোগান্তির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।এ বিষয়ে অভিযুক্ত পল্টু রায় চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বক্তব্য দিতে শুরু করেন। তবে এ সময় তার স্ত্রী ও এক ছেলে বারবার তাকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে তার স্ত্রী উচ্চ কণ্ঠে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “এটা আমার জায়গা, আমি বন্ধ করেছি। এটা কোনো চলাচলের পথ ছিল না। ওরা আমার অনেক ক্ষতি করেছে।” তিনি আরও নানা অভিযোগ তুলে ধরেন। এ সময় পল্টু রায় চৌধুরীকে কিছুটা নীরব ও স্ত্রীর কথায় সায় দিতে দেখা যায়।স্থানীয় গ্রামবাসী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা এ ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেছেন। তারা দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে অবরুদ্ধ পথ উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।</p>

জেলার খবর

play storeapp store