ঢাকা, শুক্রবার, ৬ ফাল্গুন, ১৪৩২, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

মনোনয়ন বঞ্চিত ইয়াছিনের মন্ত্রিসভায় জায়গা,ভাগ্য ঘুরল না সুনামগঞ্জ-১–এর আনিসুল হকের

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:৩৯ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

মনোনয়ন বঞ্চিত ইয়াছিনের মন্ত্রিসভায় জায়গা,ভাগ্য ঘুরল না সুনামগঞ্জ-১–এর আনিসুল হকের

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | শফিকুল ইসলাম শফিক |

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাজি আমিনুর রশীদ ইয়াছিন। শেষ পর্যন্ত দলীয় সিদ্ধান্তে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেও নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় টেকনোক্রেট মন্ত্রী হিসেবে স্থান পেয়ে তার রাজনৈতিক জীবনের মোড় ঘুরে গেছে। তবে একই প্রত্যাশায় থাকা সুনামগঞ্জ-১ আসনের আনিসুল হকের ভাগ্যে এমন পরিবর্তন আসেনি।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন হাজি আমিনুর রশীদ ইয়াছিন। রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবন-এর দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাকে শপথ পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৬ (সদর) আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন চেয়েও তা পাননি ইয়াছিন। এতে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন এবং মাঠে প্রস্তুতিও শুরু করেন। পরে দলের চেয়ারম্যান দেশে ফিরে তাকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। একই সঙ্গে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার নির্বাচনী কার্যক্রম সমন্বয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয় তাকে।দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে সরে দাঁড়ালেও শেষ পর্যন্ত টেকনোক্রেট কোটায় মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে।আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বর্তমানে কুমিল্লা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। তিনি ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬ সালের ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৯ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে ২০০৮ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে কুমিল্লা-৬ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন।অন্যদিকে, সুনামগঞ্জ-১ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী আনিসুল হকও মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ার পর নানা রাজনৈতিক সমীকরণে আলোচনায় ছিলেন। স্থানীয় নেতাকর্মীদের একাংশ তার জন্য মন্ত্রিসভায় বা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে অন্তর্ভুক্তির প্রত্যাশা করলেও শেষ পর্যন্ত তা হয়নি।রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা ও কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মেনে চলার পুরস্কার হিসেবেই ইয়াছিনের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তি দেখা যেতে পারে। তবে অঞ্চলভিত্তিক ভারসাম্য, দলীয় অভ্যন্তরীণ সমীকরণ ও কৌশলগত বিবেচনাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে মন্ত্রিসভা গঠনকে ঘিরে যে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়া হয়েছে, তাতে দলীয় আনুগত্য ও কৌশলগত অবস্থানের গুরুত্বই আবারও সামনে এসেছে।

<p><span style="color: rgb(0, 0, 0);"><strong>মনোনয়ন বঞ্চিত ইয়াছিনের মন্ত্রিসভায় জায়গা,ভাগ্য ঘুরল না সুনামগঞ্জ-১–এর আনিসুল হকের</strong></span></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | শফিকুল ইসলাম শফিক |</strong></span></p><p><strong>ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাজি আমিনুর রশীদ ইয়াছিন। শেষ পর্যন্ত দলীয় সিদ্ধান্তে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেও নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় টেকনোক্রেট মন্ত্রী হিসেবে স্থান পেয়ে তার রাজনৈতিক জীবনের মোড় ঘুরে গেছে। তবে একই প্রত্যাশায় থাকা সুনামগঞ্জ-১ আসনের আনিসুল হকের ভাগ্যে এমন পরিবর্তন আসেনি।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন হাজি আমিনুর রশীদ ইয়াছিন। রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবন-এর দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাকে শপথ পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।</strong></p><p>ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৬ (সদর) আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন চেয়েও তা পাননি ইয়াছিন। এতে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন এবং মাঠে প্রস্তুতিও শুরু করেন। পরে দলের চেয়ারম্যান দেশে ফিরে তাকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। একই সঙ্গে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার নির্বাচনী কার্যক্রম সমন্বয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয় তাকে।দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে সরে দাঁড়ালেও শেষ পর্যন্ত টেকনোক্রেট কোটায় মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে।আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বর্তমানে কুমিল্লা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। তিনি ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬ সালের ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৯ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে ২০০৮ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে কুমিল্লা-৬ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন।অন্যদিকে, সুনামগঞ্জ-১ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী আনিসুল হকও মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ার পর নানা রাজনৈতিক সমীকরণে আলোচনায় ছিলেন। স্থানীয় নেতাকর্মীদের একাংশ তার জন্য মন্ত্রিসভায় বা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে অন্তর্ভুক্তির প্রত্যাশা করলেও শেষ পর্যন্ত তা হয়নি।রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা ও কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মেনে চলার পুরস্কার হিসেবেই ইয়াছিনের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তি দেখা যেতে পারে। তবে অঞ্চলভিত্তিক ভারসাম্য, দলীয় অভ্যন্তরীণ সমীকরণ ও কৌশলগত বিবেচনাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে মন্ত্রিসভা গঠনকে ঘিরে যে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়া হয়েছে, তাতে দলীয় আনুগত্য ও কৌশলগত অবস্থানের গুরুত্বই আবারও সামনে এসেছে।</p>

জেলার খবর

play storeapp store