ঢাকা, রবিবার, ৮ ফাল্গুন, ১৪৩২, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ে মহান শহিদ দিবস পালিত,কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধাঞ্জলি

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:৪২ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

ঠাকুরগাঁওয়ে মহান শহিদ দিবস পালিত,কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধাঞ্জলি

ঠাকুরগাঁওয়ের প্রতিনিধি | হাসিনুজ্জামান মিন্টু |

সারাদেশের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ঠাকুরগাঁওয়েও যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টা এক মিনিটে একুশের প্রথম প্রহরে জেলা শহরের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ভাষা আন্দোলনের শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণে অংশ নেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা, শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ। শহিদ রফিক, জব্বার, সালাম, বরকতসহ ভাষা আন্দোলনের বীর শহিদদের স্মরণে ফুলেল শ্রদ্ধা জানিয়ে তারা নীরবতা পালন করেন।

এ সময় বক্তারা বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ছিল বাঙালির আত্মপরিচয় ও অধিকার রক্ষার সংগ্রামের এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর দমন-পীড়ন ও গুলিবর্ষণের মধ্য দিয়েও ভাষার দাবিতে যে আত্মত্যাগ হয়েছিল, তারই ধারাবাহিকতায় স্বাধীন বাংলাদেশের পথ রচিত হয়। ভাষা শহিদদের আদর্শ ও চেতনাকে ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন, সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো-র প্যারিস অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ১৮৮টি দেশের সমর্থনে গৃহীত ওই সিদ্ধান্তের পর থেকে ২০০০ সাল হতে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালন করা হচ্ছে।এদিকে দিবসের শুরুতেই রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে রাষ্ট্রীয়ভাবে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তারেক রহমান ও মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। তাদের শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে দেশব্যাপী কর্মসূচির সূচনা হয়।

<p><span style="color: rgb(0, 0, 0);"><strong>ঠাকুরগাঁওয়ে মহান শহিদ দিবস পালিত,কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধাঞ্জলি</strong></span></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>ঠাকুরগাঁওয়ের প্রতিনিধি | হাসিনুজ্জামান মিন্টু |</strong></span></p><p><strong>সারাদেশের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ঠাকুরগাঁওয়েও যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টা এক মিনিটে একুশের প্রথম প্রহরে জেলা শহরের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ভাষা আন্দোলনের শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণে অংশ নেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা, শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ। শহিদ রফিক, জব্বার, সালাম, বরকতসহ ভাষা আন্দোলনের বীর শহিদদের স্মরণে ফুলেল শ্রদ্ধা জানিয়ে তারা নীরবতা পালন করেন।</strong></p><p>এ সময় বক্তারা বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ছিল বাঙালির আত্মপরিচয় ও অধিকার রক্ষার সংগ্রামের এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর দমন-পীড়ন ও গুলিবর্ষণের মধ্য দিয়েও ভাষার দাবিতে যে আত্মত্যাগ হয়েছিল, তারই ধারাবাহিকতায় স্বাধীন বাংলাদেশের পথ রচিত হয়। ভাষা শহিদদের আদর্শ ও চেতনাকে ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন, সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো-র প্যারিস অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ১৮৮টি দেশের সমর্থনে গৃহীত ওই সিদ্ধান্তের পর থেকে ২০০০ সাল হতে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালন করা হচ্ছে।এদিকে দিবসের শুরুতেই রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে রাষ্ট্রীয়ভাবে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তারেক রহমান ও মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। তাদের শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে দেশব্যাপী কর্মসূচির সূচনা হয়।</p>

জেলার খবর

play storeapp store