ঢাকা, রবিবার, ৮ ফাল্গুন, ১৪৩২, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় টুঙ্গিপাড়ায় অমর একুশে পালিত

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:৫৫ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় টুঙ্গিপাড়ায় অমর একুশে পালিত

মোঃ শান্ত শেখ | টুঙ্গিপাড়া প্রতিনিধি |

যথাযথ মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য এবং বিনম্র শ্রদ্ধায় গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। ১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষায় বুকের রক্ত ঢেলে দেওয়া বীর শহীদদের স্মরণ করতে একুশের প্রথম প্রহরেই টুঙ্গিপাড়া শহীদ মিনারে মানুষের ঢল নামে।রাত ১২টা ১ মিনিট বাজার সঙ্গে সঙ্গে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা চত্বরে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ শুরু হয়। একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন গোপালগঞ্জ-৩ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী।

একই সঙ্গে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানানো হয়। এরপর একে একে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা এবং বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সর্বস্তরের মানুষ সারিবদ্ধভাবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করা হয়। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী বলেন, ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা আমাদের মাতৃভাষা বাংলাকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছি। তাঁদের এই মহান আত্মদান জাতির ইতিহাসে চির অম্লান হয়ে থাকবে এবং নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম ও ভাষার মর্যাদা রক্ষায় উদ্বুদ্ধ করবে। তিনি আরও বলেন, ১৯৫২-এর চেতনা আমাদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে সর্বদা সাহস জোগায়।এ সময় উপস্থিত ছিলেন টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জহিরুল আলম, টুঙ্গিপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আইয়ুব আলীসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।এছাড়াও টুঙ্গিপাড়া উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী এবং সাধারণ জনগণ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।রাত বাড়ার সাথে সাথে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ ফুলে ফুলে ছেয়ে যায়। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুরো এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছিল।

<p><span style="color: rgb(0, 0, 0);"><strong>শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় টুঙ্গিপাড়ায় অমর একুশে পালিত</strong></span></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>মোঃ শান্ত শেখ | টুঙ্গিপাড়া প্রতিনিধি |</strong></span></p><p><strong>যথাযথ মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য এবং বিনম্র শ্রদ্ধায় গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। ১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষায় বুকের রক্ত ঢেলে দেওয়া বীর শহীদদের স্মরণ করতে একুশের প্রথম প্রহরেই টুঙ্গিপাড়া শহীদ মিনারে মানুষের ঢল নামে।রাত ১২টা ১ মিনিট বাজার সঙ্গে সঙ্গে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা চত্বরে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ শুরু হয়। একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন গোপালগঞ্জ-৩ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী।</strong></p><p>একই সঙ্গে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানানো হয়। এরপর একে একে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা এবং বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সর্বস্তরের মানুষ সারিবদ্ধভাবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করা হয়। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী বলেন, ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা আমাদের মাতৃভাষা বাংলাকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছি। তাঁদের এই মহান আত্মদান জাতির ইতিহাসে চির অম্লান হয়ে থাকবে এবং নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম ও ভাষার মর্যাদা রক্ষায় উদ্বুদ্ধ করবে। তিনি আরও বলেন, ১৯৫২-এর চেতনা আমাদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে সর্বদা সাহস জোগায়।এ সময় উপস্থিত ছিলেন টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জহিরুল আলম, টুঙ্গিপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আইয়ুব আলীসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।এছাড়াও টুঙ্গিপাড়া উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী এবং সাধারণ জনগণ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।রাত বাড়ার সাথে সাথে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ ফুলে ফুলে ছেয়ে যায়। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুরো এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছিল।</p>

জেলার খবর

play storeapp store