ঢাকা, সোমবার, ৯ ফাল্গুন, ১৪৩২, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

বঙ্গোপসাগরে অপহৃত জেলেদের মুক্তিপণ হিসেবে ৭০ লাখ টাকা দাবি

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:১৫ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

বঙ্গোপসাগরে অপহৃত জেলেদের মুক্তিপণ হিসেবে ৭০ লাখ টাকা দাবি

‎ম.ম.রবি ডাকুয়া | বাগেরহাট প্রতিনিধি |

‎জিম্মিদশার প্রায় এক সপ্তাহ পার হলেও বঙ্গোপসাগর থেকে দস্যু বাহিনীর হাতে ২০ জেলের এখনো মুক্তি মেলেনি। তাদের মুক্তিপণ হিসেবে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মহাজনদের কাছে প্রতি জেলের জন্য সাড়ে তিন লাখ টাকা, মোট ৭০ লাখ টাকা দাবি করেছে দস্যুরা।‎তবে মুক্তিপণ কমানো বা বাড়ানোর বিষয়ে মহাজন ও দস্যুদের মধ্যে দর কষাকষি চলছে বলে জানান বনবিভাগ।

‎‎অপহরণের আতঙ্কে প্রায় চারদিন মাছ ধরা বন্ধ থাকার পর শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে কিছু কিছু ট্রলার ঝুঁকি নিয়ে সাগর অভিমুখে যাত্রা শুরু করেছে। জেলেদের চরের কাছাকাছি দূরত্বে থেকে মাছ আহরণ এবং দিনে দিনে ফিরে আসার নির্দেশ দিয়েছে বনবিভাগ।‎ঘটনা সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় ২০ ট্রলার থেকে দুবলার শুঁটকি উৎপাদন কেন্দ্রের আলোরকোল ও নারকেলবাড়িয়া শুঁটকি পল্লীর জেলেরা দুর্ধর্ষ বন ও জলদস্যু জাহাঙ্গীর ও সুমন বাহিনীর হাতে অপহৃত হন।‎অপহরণের পর পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের নিয়মিত জেলেরা নিরাপত্তার কারণে মাছ ধরা বন্ধ করে দেয়। ফলে দেশের বৃহত্তম শুঁটকি উৎপাদন কেন্দ্রে ভয়াবহ মাছ সংকট দেখা দিয়েছে এবং ব্যবসায়ীরা লাখ লাখ টাকা লোকসান গুণছেন। এছাড়াও হাজার হাজার দরিদ্র জেলের আর্থিক অবস্থা বিপর্যস্ত হয়েছে।‎শরণখোলা রেঞ্জের দুবলা শুঁটকি উৎপাদন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত ফরেস্ট রেঞ্জার মিল্টন রায় জানান, অপহৃত জেলেদের মহাজনদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে দস্যুরা ট্রলার প্রতি ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপন দাবি করেছে। তবে দস্যুরা মুক্তিপন পরিশোধের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা বেঁধে দেয়নি। দ্রুত মুক্তিপনের টাকা পরিশোধ না করলে জিম্মি জেলেদের জীবনের জন্য ভয়াবহ পরিণতি এবং ভবিষ্যতে মাছ ধরার জন্য আগাম চাঁদা দিতে হবে বলে হুমকি দিয়েছে দস্যুবাহিনী।

<p><span style="color: rgb(0, 0, 0);"><strong>বঙ্গোপসাগরে অপহৃত জেলেদের মুক্তিপণ হিসেবে ৭০ লাখ টাকা দাবি</strong></span></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>‎ম.ম.রবি ডাকুয়া | বাগেরহাট প্রতিনিধি |</strong></span></p><p><strong>‎জিম্মিদশার প্রায় এক সপ্তাহ পার হলেও বঙ্গোপসাগর থেকে দস্যু বাহিনীর হাতে ২০ জেলের এখনো মুক্তি মেলেনি। তাদের মুক্তিপণ হিসেবে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মহাজনদের কাছে প্রতি জেলের জন্য সাড়ে তিন লাখ টাকা, মোট ৭০ লাখ টাকা দাবি করেছে দস্যুরা।‎তবে মুক্তিপণ কমানো বা বাড়ানোর বিষয়ে মহাজন ও দস্যুদের মধ্যে দর কষাকষি চলছে বলে জানান বনবিভাগ।</strong></p><p>‎‎অপহরণের আতঙ্কে প্রায় চারদিন মাছ ধরা বন্ধ থাকার পর শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে কিছু কিছু ট্রলার ঝুঁকি নিয়ে সাগর অভিমুখে যাত্রা শুরু করেছে। জেলেদের চরের কাছাকাছি দূরত্বে থেকে মাছ আহরণ এবং দিনে দিনে ফিরে আসার নির্দেশ দিয়েছে বনবিভাগ।‎ঘটনা সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় ২০ ট্রলার থেকে দুবলার শুঁটকি উৎপাদন কেন্দ্রের আলোরকোল ও নারকেলবাড়িয়া শুঁটকি পল্লীর জেলেরা দুর্ধর্ষ বন ও জলদস্যু জাহাঙ্গীর ও সুমন বাহিনীর হাতে অপহৃত হন।‎অপহরণের পর পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের নিয়মিত জেলেরা নিরাপত্তার কারণে মাছ ধরা বন্ধ করে দেয়। ফলে দেশের বৃহত্তম শুঁটকি উৎপাদন কেন্দ্রে ভয়াবহ মাছ সংকট দেখা দিয়েছে এবং ব্যবসায়ীরা লাখ লাখ টাকা লোকসান গুণছেন। এছাড়াও হাজার হাজার দরিদ্র জেলের আর্থিক অবস্থা বিপর্যস্ত হয়েছে।‎শরণখোলা রেঞ্জের দুবলা শুঁটকি উৎপাদন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত ফরেস্ট রেঞ্জার মিল্টন রায় জানান, অপহৃত জেলেদের মহাজনদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে দস্যুরা ট্রলার প্রতি ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপন দাবি করেছে। তবে দস্যুরা মুক্তিপন পরিশোধের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা বেঁধে দেয়নি। দ্রুত মুক্তিপনের টাকা পরিশোধ না করলে জিম্মি জেলেদের জীবনের জন্য ভয়াবহ পরিণতি এবং ভবিষ্যতে মাছ ধরার জন্য আগাম চাঁদা দিতে হবে বলে হুমকি দিয়েছে দস্যুবাহিনী।</p>

জেলার খবর

play storeapp store