ঢাকা, শুক্রবার, ১৩ ফাল্গুন, ১৪৩২, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

নির্ধারিত ফি’র বাইরে টাকা আদায়ের অভিযোগ মৌলভীবাজার টিটিসিতে

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

নির্ধারিত ফি’র বাইরে টাকা আদায়ের অভিযোগ মৌলভীবাজার টিটিসিতে

মনজু বিজয় চৌধুরী | মৌলভীবাজার |

মৌলভীবাজার কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি)-এ ভর্তি প্রক্রিয়ার সময় সরকারি নির্ধারিত ফি ছাড়াও অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ভর্তি আবেদন ফরম পূরণে কিছু অসাধু মধ্যস্বত্বভোগী কম্পিউটার ব্যবসায়ীরা চক্র গড়ে প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে নানা কৌশলে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে।জানা গেছে,মৌলভীবাজার কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বা টিটিসি-তে ভর্তি হতে অনলাইনে আবেদন করতে হয়। আর আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সরকারি ফি ছাড়াও অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কম্পিউটার দোকানিদের উপর।

সরকার যে ফি নির্ধারণ করেছে, সেটাই নেওয়ার কথা থাকলেও কম্পিউটার দোকানিরা সেটা করছেননা। সেখানে যদি শুরুতেই অনিয়ম হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়?” ভর্তি ফরম পূরণে যুক্ত কিছু মধ্যস্বত্বভোগী কম্পিউটার ব্যবসায়ী একটি সংঙ্গবদ্ধ চক্র তৈরী হয়েছে। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন,সরকারি ফি এর চেয়ে দ্বিগুনের বেশি টাকা নেওয়া হচ্ছে, যা তাদের জন্য পরিশোধ খুব কষ্ট সাধ্য হয়ে পড়ে। অনেক দুরদুরান্ত থেকে শিক্ষার্থীরা আসে সীমীত হিসাবের টাকা নিয়ে। এসে পড়েন বিপাকে। কারিগরি শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে প্রশাসনের নজরদারি জোরদার করা জরুরি।কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানান, বিদেশ যাওয়ার জন্য প্রশিক্ষণ নিতে এসেছেন। অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়ার জন্য কম্পিউটার দোকানে গিয়ে তাদের পাসপোর্ট ও জন্ম নিবন্ধনের ফটোকপি জমা দিতে হয়েছে। ভর্তি ফিস হিসেবে সরকার নির্ধারিত ২০৪ টাকা হওয়া সত্ত্বেও, আমার কাছ থেকে অনলাইনে ভর্তির জন্য ৩৫০ টাকা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু দেখলাম অন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আরও বেশি ফি নেওয়া হয়েছে। একজনের কাছ থেকে ১২০০ টাকা, আরেকজনের ৯০০ টাকা নিচ্ছে।বক্সপপ স্থানীয় কম্পিউটার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তারা ক্যামেরার সামনে কোনো মন্তব্য করতে চাননি।মৌলভীবাজার কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ মুহাম্মাদ দেলোয়ার হোসেন জানান, আমাদের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অতিরিক্ত ভর্তির ফি বা অনিয়ম সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ এখনও আমাদের কাছে সরাসরি লিখিতভাবে আসেনি। ভর্তির সব কার্যক্রম অনলাইনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। বাইরে কম্পিউটার দোকানে যারা ভর্তির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ফি নিচ্ছেন, তাদের ওপর আমরা সরাসরি নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারি না। যদি ভবিষ্যতে এরকম কোনো অভিযোগ আমাদের কাছে আসে, প্রয়োজনমতো আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

<p><span style="color: rgb(0, 0, 0);"><strong>নির্ধারিত ফি’র বাইরে টাকা আদায়ের অভিযোগ মৌলভীবাজার টিটিসিতে</strong></span></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>মনজু বিজয় চৌধুরী | মৌলভীবাজার |</strong></span></p><p><strong>মৌলভীবাজার কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি)-এ ভর্তি প্রক্রিয়ার সময় সরকারি নির্ধারিত ফি ছাড়াও অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ভর্তি আবেদন ফরম পূরণে কিছু অসাধু মধ্যস্বত্বভোগী কম্পিউটার ব্যবসায়ীরা চক্র গড়ে প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে নানা কৌশলে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে।জানা গেছে,মৌলভীবাজার কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বা টিটিসি-তে ভর্তি হতে অনলাইনে আবেদন করতে হয়। আর আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সরকারি ফি ছাড়াও অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কম্পিউটার দোকানিদের উপর। </strong></p><p>সরকার যে ফি নির্ধারণ করেছে, সেটাই নেওয়ার কথা থাকলেও কম্পিউটার দোকানিরা সেটা করছেননা। সেখানে যদি শুরুতেই অনিয়ম হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়?” ভর্তি ফরম পূরণে যুক্ত কিছু মধ্যস্বত্বভোগী কম্পিউটার ব্যবসায়ী একটি সংঙ্গবদ্ধ চক্র তৈরী হয়েছে। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন,সরকারি ফি এর চেয়ে দ্বিগুনের বেশি টাকা নেওয়া হচ্ছে, যা তাদের জন্য পরিশোধ খুব কষ্ট সাধ্য হয়ে পড়ে। অনেক দুরদুরান্ত থেকে শিক্ষার্থীরা আসে সীমীত হিসাবের টাকা নিয়ে। এসে পড়েন বিপাকে। কারিগরি শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে প্রশাসনের নজরদারি জোরদার করা জরুরি।কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানান, বিদেশ যাওয়ার জন্য প্রশিক্ষণ নিতে এসেছেন। অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়ার জন্য কম্পিউটার দোকানে গিয়ে তাদের পাসপোর্ট ও জন্ম নিবন্ধনের ফটোকপি জমা দিতে হয়েছে। ভর্তি ফিস হিসেবে সরকার নির্ধারিত ২০৪ টাকা হওয়া সত্ত্বেও, আমার কাছ থেকে অনলাইনে ভর্তির জন্য ৩৫০ টাকা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু দেখলাম অন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আরও বেশি ফি নেওয়া হয়েছে। একজনের কাছ থেকে ১২০০ টাকা, আরেকজনের ৯০০ টাকা নিচ্ছে।বক্সপপ স্থানীয় কম্পিউটার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তারা ক্যামেরার সামনে কোনো মন্তব্য করতে চাননি।মৌলভীবাজার কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ মুহাম্মাদ দেলোয়ার হোসেন জানান, আমাদের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অতিরিক্ত ভর্তির ফি বা অনিয়ম সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ এখনও আমাদের কাছে সরাসরি লিখিতভাবে আসেনি। ভর্তির সব কার্যক্রম অনলাইনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। বাইরে কম্পিউটার দোকানে যারা ভর্তির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ফি নিচ্ছেন, তাদের ওপর আমরা সরাসরি নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারি না। যদি ভবিষ্যতে এরকম কোনো অভিযোগ আমাদের কাছে আসে, প্রয়োজনমতো আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।</p>

জেলার খবর

play storeapp store