ঢাকা, বুধবার, ১৮ ফাল্গুন, ১৪৩২, ৪ মার্চ ২০২৬
কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্রসহ সুন্দরবনের বনদস্যু আটক
বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report
০৩ মার্চ ২০২৬, ০৮:০৮ অপরাহ্ন
কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্রসহ সুন্দরবনের বনদস্যু আটক
ম.ম.রবি ডাকুয়া | বাগেরহাট প্রতিনিধি |
সুন্দরবনে অভিযান পরিচালনা করে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আফজাল সরদার (৩২) নামে ডাকাত বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর এক সদস্যকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড।মঙ্গলবার (৩ মার্চ ) দুপুরে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।এর আগে মঙ্গলবার ভোর ৪টায় কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা, আউটপোস্ট নলিয়ান, স্টেশন কয়রা এবং পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ অভিযানিক দল কয়রা থানাধীন নারায়নপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করে। আটক আফজাল সরদার খুলনা জেলার কয়রা থানার বাসিন্দা।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে কোস্ট গার্ড সদস্যদের নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু চক্র পুনরায় সুন্দরবনে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করে। তবে সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করার দৃঢ় সংকল্পে ইতোমধ্যে কোস্ট গার্ড বিশেষ সাঁড়াশি অভিযান আরম্ভ করেছে।তিনি আরো জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ভোর ৪টায় কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা, আউটপোস্ট নলিয়ান, স্টেশন কয়রা এবং পুলিশের সমন্বয়ে কয়রা থানাধীন নারায়নপুর এলাকায় একটি বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।এ অভিযানে সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর সক্রিয় সদস্য আফজাল সরদার (৩২) কে আটক করা হয়। পরবর্তীতে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে, সকাল ১১টায় মোংলা থানাধীন পাশাখালী ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১টি শট গান, ১টি একনলা বন্দুক, ২১ রাউন্ড তাজা কার্তুজ এবং ১টি ওয়াকিটকি সেট উদ্ধার করা হয়।নির্বাচন পরবর্তী সময়ে কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে সুন্দরবনে যৌথ অভিযান শুরু হলে উক্ত ডাকাত সদস্য আতঙ্কিত হয়ে উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদসমূহ উক্ত এলাকায় পুঁতে রেখে কয়রার নারায়ণপুর এলাকায় আত্মগোপন করে বলে জানা যায়।সে দীর্ঘদিন যাবৎ বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর সঙ্গে ডাকাতি এবং ডাকাত দলকে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও রসদ সরবরাহের মাধ্যমে সহযোগিতা করে আসছিলো। উল্লেখ্য উক্ত ডাকাত সদস্যের বিরুদ্ধে কয়রা ও ডুমুরিয়া থানায় মোট ৫টি মামলা রয়েছে বলে জানা যায়। আটককৃত ডাকাত এবং জব্দকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।আমরা দস্যুদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে কোস্ট গার্ডের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান কোষ্টগার্ডের এ কর্মকর্তা।
জেলার খবর