ঢাকা, বুধবার, ১৮ ফাল্গুন, ১৪৩২, ৪ মার্চ ২০২৬

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা-এ কেউডি বিল দখলকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা জাল চুক্তিপত্রের অভিযোগ

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

০৩ মার্চ ২০২৬, ০৮:১৯ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা-এ কেউডি বিল দখলকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা জাল চুক্তিপত্রের অভিযোগ

শফিকুল ইসলাম শফিক |

সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলায় কেউডি বিল দখলকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। বিলটির মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও একটি মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির মধ্যে বিরোধ চরমে উঠেছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি মৎস্যজীবী সমিতি নকল ও জাল কাগজপত্র তৈরি করে বিলটি নিজেদের নামে নেওয়ার চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে বিলটি স্থানীয়দের ভোগদখলে থাকলেও সম্প্রতি একটি পক্ষ বিতর্কিত নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ও চুক্তিপত্র দেখিয়ে নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।

এতে এলাকায় অসন্তোষ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।এদিকে হাবিবপুর শাপলা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি মোঃ জামাল মিয়া বিভাগীয় কমিশনার, সিলেট বিভাগ বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন। আবেদনে তিনি দাবি করেন, সমিতির নামে সাবলীজ দেওয়ার যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।আবেদনে উল্লেখ করা হয়, নন-জুডিশিয়াল অঙ্গীকারনামা ও চুক্তিপত্র উপস্থাপন করা হয়েছে,তাতে সমিতির সদস্যদের নামে জাল স্বাক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। সমিতির দাবি, চুক্তিপত্রে যেসব স্বাক্ষর রয়েছে তার অনেকগুলো সমিতির প্রকৃত সদস্যদের নয় এবং কয়েকজনের নাম সদস্য তালিকায় নেই।সভাপতি জামাল মিয়া অভিযোগ করেন, রুসেল মিয়া,নাঈম ইসলাম, নুর জামাল, আশিক, ফয়সাল ও আব্দুল্লাহ নামের ব্যক্তিরা সমিতির সদস্য নন, অথচ তাদের নামে স্বাক্ষর দেখানো হয়েছে। ফলে ছয় পাতার চুক্তিপত্রটি সম্পূর্ণ জাল ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে তিনি দাবি করেন।তিনি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কাগজপত্র যাচাই এবং মিথ্যা অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। আবেদনের সঙ্গে জাল স্ট্যাম্পের ফটোকপি, অভিযোগপত্র এবং সমিতির সদস্যদের পৃথক লিখিত অভিযোগ সংযুক্ত করা হয়েছে।এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক, সুনামগঞ্জ; উপ-পরিচালক, স্থানীয় সরকার; অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব); উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ধর্মপাশা; সহকারী কমিশনার (ভূমি); উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও উপজেলা সমবায় কর্মকর্তার কার্যালয়ে অনুলিপি প্রদান করা হয়েছে।স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি না হলে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

<p><span style="color: rgb(0, 0, 0);"><strong>সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা-এ কেউডি বিল দখলকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা জাল চুক্তিপত্রের অভিযোগ</strong></span></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>শফিকুল ইসলাম শফিক |</strong></span></p><p><strong>সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলায় কেউডি বিল দখলকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। বিলটির মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও একটি মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির মধ্যে বিরোধ চরমে উঠেছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি মৎস্যজীবী সমিতি নকল ও জাল কাগজপত্র তৈরি করে বিলটি নিজেদের নামে নেওয়ার চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে বিলটি স্থানীয়দের ভোগদখলে থাকলেও সম্প্রতি একটি পক্ষ বিতর্কিত নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ও চুক্তিপত্র দেখিয়ে নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।</strong></p><p>এতে এলাকায় অসন্তোষ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।এদিকে হাবিবপুর শাপলা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি মোঃ জামাল মিয়া বিভাগীয় কমিশনার, সিলেট বিভাগ বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন। আবেদনে তিনি দাবি করেন, সমিতির নামে সাবলীজ দেওয়ার যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।আবেদনে উল্লেখ করা হয়, নন-জুডিশিয়াল অঙ্গীকারনামা ও চুক্তিপত্র উপস্থাপন করা হয়েছে,তাতে সমিতির সদস্যদের নামে জাল স্বাক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। সমিতির দাবি, চুক্তিপত্রে যেসব স্বাক্ষর রয়েছে তার অনেকগুলো সমিতির প্রকৃত সদস্যদের নয় এবং কয়েকজনের নাম সদস্য তালিকায় নেই।সভাপতি জামাল মিয়া অভিযোগ করেন, রুসেল মিয়া,নাঈম ইসলাম, নুর জামাল, আশিক, ফয়সাল ও আব্দুল্লাহ নামের ব্যক্তিরা সমিতির সদস্য নন, অথচ তাদের নামে স্বাক্ষর দেখানো হয়েছে। ফলে ছয় পাতার চুক্তিপত্রটি সম্পূর্ণ জাল ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে তিনি দাবি করেন।তিনি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কাগজপত্র যাচাই এবং মিথ্যা অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। আবেদনের সঙ্গে জাল স্ট্যাম্পের ফটোকপি, অভিযোগপত্র এবং সমিতির সদস্যদের পৃথক লিখিত অভিযোগ সংযুক্ত করা হয়েছে।এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক, সুনামগঞ্জ; উপ-পরিচালক, স্থানীয় সরকার; অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব); উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ধর্মপাশা; সহকারী কমিশনার (ভূমি); উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও উপজেলা সমবায় কর্মকর্তার কার্যালয়ে অনুলিপি প্রদান করা হয়েছে।স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি না হলে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।</p>

জেলার খবর

play storeapp store