ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২, ৫ মার্চ ২০২৬

নবীনগরে অনাবাদি জমিতে দীর্ঘ দিন পর গম চাষ

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

০৪ মার্চ ২০২৬, ০৭:১৮ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

নবীনগরে অনাবাদি জমিতে দীর্ঘ দিন পর গম চাষ

সঞ্জয় শীল | নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি |

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় একাধিক ইউনিয়নে প্রাকৃতিক জলাশয় না থাকায় সেচের সুবিধা কম থাকায় অনাবাদি থাকতে জমি, হতে এককালিন বোরোর আবাদ। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও স্থানিয় কৃষকদের প্রচেষ্টায় দীর্ঘ দিন পর আবার নতুন করে শুরু হয়েছে গমের চাষ। এতে স্থানিয় বাজারে বিক্রির পাশাপাশি রপ্তানির চিন্তা-ভাবনা করছেন কৃষকরা।এই বছর শ্রীরামপুর, শিবপুর, ইব্রাহিমপুর, রছুল্লাবাদ, বড়িকান্দি, সাতমোড়া, জিনদপুর ইউনিয়নে প্রায় ৫৫ হেক্টর জমিতে নতুন করে গমের আবাদ করাসহ মোট ৪০৫ হেক্টর জমিতে আবাদ করা হয়েছে গমের।

উপজেলার সবচেয়ে বেশি গম আবাদ হয় শাহপুর, রতনপুর।এক মাঠেই প্রায় ৫০ হেক্টরের অধিক গম আবাদ হয়।আগামী বছর উন্নত জাতের সেরা জাত হিসেবে বারি গম ৩৩ এবং WMRI-২ জাতের গম কৃষক পর্যায়ে সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বড়িকান্দি ইউনিয়ন, রতনপুর ইউনিয়ন, ইব্রাহিমপুর ইউনিয়ন ও শ্রীরামপুর ইউনিয়ন থেকে প্রায় ৪ টন বীজ সংরক্ষণ করা হবে।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটন জানান, আমরা কৃষি কর্মকর্তারা চেষ্টা করছি, উপজেলার কোথাও যাতে কোনো জমি অনাবাদি না পড়ে থাকে। যেখানে যে ফসল ভালো জন্মায় সেখানে আমরা চেষ্টা করছি উন্নত জাতের বীজ সরবরাহ থেকে শুরু করে সংগ্রহসহ যাবতীয় কাজে কৃষকের পাশে থাকার। আমাদের দেশে কৃষিতে গুরুত্ব বাড়লে-ই বাড়বে খাদ্যের মজুদ ও স্বয়ংসর্ম্পূণতা।

<p><span style="color: rgb(0, 0, 0);"><strong>নবীনগরে অনাবাদি জমিতে দীর্ঘ দিন পর গম চাষ</strong></span></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>সঞ্জয় শীল | নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি |</strong></span></p><p><strong>ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় একাধিক ইউনিয়নে প্রাকৃতিক জলাশয় না থাকায় সেচের সুবিধা কম থাকায় অনাবাদি থাকতে জমি, হতে এককালিন বোরোর আবাদ। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও স্থানিয় কৃষকদের প্রচেষ্টায় দীর্ঘ দিন পর আবার নতুন করে শুরু হয়েছে গমের চাষ। এতে স্থানিয় বাজারে বিক্রির পাশাপাশি রপ্তানির চিন্তা-ভাবনা করছেন কৃষকরা।এই বছর শ্রীরামপুর, শিবপুর, ইব্রাহিমপুর, রছুল্লাবাদ, বড়িকান্দি, সাতমোড়া, জিনদপুর ইউনিয়নে প্রায় ৫৫ হেক্টর জমিতে নতুন করে গমের আবাদ করাসহ মোট ৪০৫ হেক্টর জমিতে আবাদ করা হয়েছে গমের।</strong> </p><p>উপজেলার সবচেয়ে বেশি গম আবাদ হয় শাহপুর, রতনপুর।এক মাঠেই প্রায় ৫০ হেক্টরের অধিক গম আবাদ হয়।আগামী বছর উন্নত জাতের সেরা জাত হিসেবে বারি গম ৩৩ এবং WMRI-২ জাতের গম কৃষক পর্যায়ে সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বড়িকান্দি ইউনিয়ন, রতনপুর ইউনিয়ন, ইব্রাহিমপুর ইউনিয়ন ও শ্রীরামপুর ইউনিয়ন থেকে প্রায় ৪ টন বীজ সংরক্ষণ করা হবে।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটন জানান, আমরা কৃষি কর্মকর্তারা চেষ্টা করছি, উপজেলার কোথাও যাতে কোনো জমি অনাবাদি না পড়ে থাকে। যেখানে যে ফসল ভালো জন্মায় সেখানে আমরা চেষ্টা করছি উন্নত জাতের বীজ সরবরাহ থেকে শুরু করে সংগ্রহসহ যাবতীয় কাজে কৃষকের পাশে থাকার। আমাদের দেশে কৃষিতে গুরুত্ব বাড়লে-ই বাড়বে খাদ্যের মজুদ ও স্বয়ংসর্ম্পূণতা।</p>

জেলার খবর

play storeapp store