ঢাকা, শুক্রবার, ২০ ফাল্গুন, ১৪৩২, ৬ মার্চ ২০২৬

কমলগঞ্জে বিএনপি নেতার চা বাগানে গাছ চুরির সময় যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

০৫ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

কমলগঞ্জে বিএনপি নেতার চা বাগানে গাছ চুরির সময় যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু

মনজু বিজয় চৌধুরী | মৌলভীবাজার প্রতিনিধি |

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের শ্রীগোবিন্দপুর চা বাগানে গাছ চুরির সময় হেলন মিয়া (৩৯) নামে এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ বলছে ঘটনার সময় দৌড়ে পালাতে গিয়ে স্ট্রোক করে মৃত্যু হয়েছে। তবে লাশ দেখে প্রত্যক্ষদর্শীরা মনে করছেন স্ট্রোক করে কেউ মারা গেলে তার লাশ স্বাভাবিক থাকার কথা নয়।নিহতের পরিবারের দাবি হেলনকে গাছ চুরির অপরাধে ঘটনাস্থলেই হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সেহরির সময় উপজেলার শ্রী গোবিন্দপুর চা বাগানে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় রোমন মিয়া নামে অপর একজন আহত হয়েছেন।

চা বাগানে-বাগান কর্তৃপক্ষের বরাতে পুলিশ জানায়, সেহরির সময় ৫/৬ জনের একটি সংঘবদ্ধ চক্র চা বাগানের খেলার মাঠ ও মন্দিরসংলগ্ন লেকের ধারে একটি আকাশমনি গাছ কাটছিল। গাছটি কেটে ফেলার সময় বিকট শব্দে লেকে পড়ে যায়। শব্দ শুনে বাগানের নাইট চৌকিদাররা ঘটনাস্থলে গিয়ে একজনকে আটক করে ম্যানেজারের কাছে নিয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পর খবর পাওয়া যায়, কাছের একটি বাড়ির পাশে এক ব্যক্তির মরদেহ পড়ে আছে। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।তবে আলাপকালে চা বাগানের ব্যবস্থাপক প্রশান্ত কুমার বলেন সেহরির পর ঘুমাচ্ছি। তখন চৌকিদাররা বলল রাস্তার পাশে গাছ কাটার অপরাধে একজনকে ধরা হয়েছে। বাকিরা পালাইছে। বললাম তাকে অফিসে এনে রাখার জন্য। পরে এসে তারা জানায়, একজন মারা গেছে। পরে খবর নিয়ে জানতে পারি গাছটি আমাদের নয়। এটি সরকারি গাছ তাই লিখিত রেখে আটক চুরকে ছেড়ে দেই। অপরাধিকে কেন ছাড়লেন এমন প্রশ্নের কোন জবাব মিলেনি তার কাছে। পুলিশের কাছে দেওয়া বক্তব্যের সঙ্গে বাগান কর্মকর্তার বক্তব্য বেশ গরমির ছিল। তবে নিহত হেলন মিয়ার পরিবারের দাবি হেলেনকে আটকের পর ঘটনাস্থলেই হত্যা করা হয়েছে। পরে তার মরদেহ টেনে বাগানের মাঠের পাশে নিয়ে রাখা হয়। সরজমিনে মরদেহ টেনে নেওয়ার আলামতও মিলে। আলাপকালে কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. গোলাম মোস্তফা জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনা স্বাভাবিক মৃত্যু না হত্যা বলা যাচ্ছে না। ধারণা করা হচ্ছে দৌড়ে পালাতে গিয়ে স্ট্রোক করে মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ উদ্ধার করে মৌলভীবাজার জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

<p><span style="color: rgb(0, 0, 0);"><strong>কমলগঞ্জে বিএনপি নেতার চা বাগানে গাছ চুরির সময় যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু </strong></span></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>মনজু বিজয় চৌধুরী | মৌলভীবাজার প্রতিনিধি |</strong></span></p><p><strong>মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের শ্রীগোবিন্দপুর চা বাগানে গাছ চুরির সময় হেলন মিয়া (৩৯) নামে এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ বলছে ঘটনার সময় দৌড়ে পালাতে গিয়ে স্ট্রোক করে মৃত্যু হয়েছে। তবে লাশ দেখে প্রত্যক্ষদর্শীরা মনে করছেন স্ট্রোক করে কেউ মারা গেলে তার লাশ স্বাভাবিক থাকার কথা নয়।নিহতের পরিবারের দাবি হেলনকে গাছ চুরির অপরাধে ঘটনাস্থলেই হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সেহরির সময় উপজেলার শ্রী গোবিন্দপুর চা বাগানে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় রোমন মিয়া নামে অপর একজন আহত হয়েছেন।</strong></p><p>চা বাগানে-বাগান কর্তৃপক্ষের বরাতে পুলিশ জানায়, সেহরির সময় ৫/৬ জনের একটি সংঘবদ্ধ চক্র চা বাগানের খেলার মাঠ ও মন্দিরসংলগ্ন লেকের ধারে একটি আকাশমনি গাছ কাটছিল। গাছটি কেটে ফেলার সময় বিকট শব্দে লেকে পড়ে যায়। শব্দ শুনে বাগানের নাইট চৌকিদাররা ঘটনাস্থলে গিয়ে একজনকে আটক করে ম্যানেজারের কাছে নিয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পর খবর পাওয়া যায়, কাছের একটি বাড়ির পাশে এক ব্যক্তির মরদেহ পড়ে আছে। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।তবে আলাপকালে চা বাগানের ব্যবস্থাপক প্রশান্ত কুমার বলেন সেহরির পর ঘুমাচ্ছি। তখন চৌকিদাররা বলল রাস্তার পাশে গাছ কাটার অপরাধে একজনকে ধরা হয়েছে। বাকিরা পালাইছে। বললাম তাকে অফিসে এনে রাখার জন্য। পরে এসে তারা জানায়, একজন মারা গেছে। পরে খবর নিয়ে জানতে পারি গাছটি আমাদের নয়। এটি সরকারি গাছ তাই লিখিত রেখে আটক চুরকে ছেড়ে দেই। অপরাধিকে কেন ছাড়লেন এমন প্রশ্নের কোন জবাব মিলেনি তার কাছে। পুলিশের কাছে দেওয়া বক্তব্যের সঙ্গে বাগান কর্মকর্তার বক্তব্য বেশ গরমির ছিল। তবে নিহত হেলন মিয়ার পরিবারের দাবি হেলেনকে আটকের পর ঘটনাস্থলেই হত্যা করা হয়েছে। পরে তার মরদেহ টেনে বাগানের মাঠের পাশে নিয়ে রাখা হয়। সরজমিনে মরদেহ টেনে নেওয়ার আলামতও মিলে। আলাপকালে কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. গোলাম মোস্তফা জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনা স্বাভাবিক মৃত্যু না হত্যা বলা যাচ্ছে না। ধারণা করা হচ্ছে দৌড়ে পালাতে গিয়ে স্ট্রোক করে মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ উদ্ধার করে মৌলভীবাজার জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।</p>

জেলার খবর

play storeapp store