ঢাকা, শুক্রবার, ২০ ফাল্গুন, ১৪৩২, ৬ মার্চ ২০২৬

বাগেরহাটে পূবালী ব্যাংকের লকার থেকে ২০০ ভরি স্বর্ণালংকার গায়েব

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

০৫ মার্চ ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

বাগেরহাটে পূবালী ব্যাংকের লকার থেকে ২০০ ভরি স্বর্ণালংকার গায়েব

‎বাগেরহাট প্রতিনিধি |

‎বাগেরহাটে পূবালী ব্যাংকের একটি শাখার লকার থেকে এক গ্রাহকের প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণালংকার খোয়া যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ হাচান চৌধুরী ও পিবিআই পুলিশ সুপার মো. আল মামুনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।‎এর আগে বুধবার (০৪ মার্চ) সুমন দাস নামের ওই গ্রাহক ব্যাংকের লকারে মজুত রাখা স্বর্ণ খোয়া যাওয়ার অভিযোগ করেন।

‎‎গ্রাহকের অভিযোগে জানা যায়, গত বছরের ১৫ অক্টোবর তিনি পূবালী ব্যাংক বাগেরহাট শাখার লকারে নিজের এবং আত্মীয়-স্বজনের আনুমানিক ২০০ ভরি স্বর্ণালংকার জমা রাখেন। বুধবার (৪ মার্চ) একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানের জন্য লকার থেকে স্বর্ণ নিতে গিয়ে তিনি দেখেন, সেখানে গচ্ছিত কোনো অলংকার নেই। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ও পুলিশকে জানালে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।‎গ্রাহক সুমন দাস বলেন, আত্মীয়-স্বজনসহ আমাদের সবার স্বর্ণালংকার ছিল। খুবই সংকটে পড়ে গেলাম আমরা। কীভাবে স্বর্ণালংকার খোয়া গেল সে বিষয়টি খতিয়ে দেখার দাবি জানান তিনি।ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মো. মনিরুল আমিন বলেন, গ্রাহকের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।‎বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শামীম হোসেন বলেন, লকার থেকে স্বর্ণ খোয়া যাওয়ার অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরেজমিনে তদন্ত করেছেন। সিসিটিভি ফুটেজ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কে বা কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে।‎এদিকে এই ঘটনার দু’দিন আগে একই ভবনের থাকা নগদ ডিস্টিবিউশন হাউজ থেকে প্রায় ৩৩ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে সেখানকার হিসাবরক্ষক মো. মনিরুজ্জামন। এ ঘটনায় বাগেরহাট সদর মডেল থানায় বুধবার মামলা হয়েছে। এ বিষয় তদন্ত ও অভিযুক্ত মনিরুজ্জামানকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

<p>বাগেরহাটে পূবালী ব্যাংকের লকার থেকে ২০০ ভরি স্বর্ণালংকার গায়েব</p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>‎বাগেরহাট প্রতিনিধি |</strong></span></p><p><strong>‎বাগেরহাটে পূবালী ব্যাংকের একটি শাখার লকার থেকে এক গ্রাহকের প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণালংকার খোয়া যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ হাচান চৌধুরী ও পিবিআই পুলিশ সুপার মো. আল মামুনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।‎এর আগে বুধবার (০৪ মার্চ) সুমন দাস নামের ওই গ্রাহক ব্যাংকের লকারে মজুত রাখা স্বর্ণ খোয়া যাওয়ার অভিযোগ করেন।</strong></p><p>‎‎গ্রাহকের অভিযোগে জানা যায়, গত বছরের ১৫ অক্টোবর তিনি পূবালী ব্যাংক বাগেরহাট শাখার লকারে নিজের এবং আত্মীয়-স্বজনের আনুমানিক ২০০ ভরি স্বর্ণালংকার জমা রাখেন। বুধবার (৪ মার্চ) একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানের জন্য লকার থেকে স্বর্ণ নিতে গিয়ে তিনি দেখেন, সেখানে গচ্ছিত কোনো অলংকার নেই। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ও পুলিশকে জানালে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।‎গ্রাহক সুমন দাস বলেন, আত্মীয়-স্বজনসহ আমাদের সবার স্বর্ণালংকার ছিল। খুবই সংকটে পড়ে গেলাম আমরা। কীভাবে স্বর্ণালংকার খোয়া গেল সে বিষয়টি খতিয়ে দেখার দাবি জানান তিনি।ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মো. মনিরুল আমিন বলেন, গ্রাহকের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।‎বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শামীম হোসেন বলেন, লকার থেকে স্বর্ণ খোয়া যাওয়ার অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরেজমিনে তদন্ত করেছেন। সিসিটিভি ফুটেজ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কে বা কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে।‎এদিকে এই ঘটনার দু’দিন আগে একই ভবনের থাকা নগদ ডিস্টিবিউশন হাউজ থেকে প্রায় ৩৩ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে সেখানকার হিসাবরক্ষক মো. মনিরুজ্জামন। এ ঘটনায় বাগেরহাট সদর মডেল থানায় বুধবার মামলা হয়েছে। এ বিষয় তদন্ত ও অভিযুক্ত মনিরুজ্জামানকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।</p>

জেলার খবর

play storeapp store