ঢাকা, শনিবার, ২২ ফাল্গুন, ১৪৩২, ৭ মার্চ ২০২৬

​রাঙামাটিতে সাংবাদিক জামাল উদ্দীনের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত: বিচারহীনতায় কাটল দুই দশক

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

০৭ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৬ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

​রাঙামাটিতে সাংবাদিক জামাল উদ্দীনের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত: বিচারহীনতায় কাটল দুই দশক

​মোঃ কামরুল ইসলাম | রাঙামাটি প্রতিনিধি |

রাঙামাটি গভীর শ্রদ্ধা এবং দোয়ার মধ্য দিয়ে রাঙামাটিতে পালিত হয়েছে প্রখ্যাত সাংবাদিক মো. জামাল উদ্দীনের ১৯তম শাহাদাৎ বার্ষিকী। ২০০৭ সালের এই দিনে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। দীর্ঘ ১৯ বছর পার হলেও চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়ায় সাংবাদিক সমাজ ও পরিবারের মধ্যে এখনো ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।​দিবসটি উপলক্ষে সাংবাদিক জামালের পরিবারের পক্ষ থেকে দুই দিনব্যাপী বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসূচি পালন করা হয়।​শুক্রবার: মরহুমের কবর জিয়ারত, মসজিদে মিলাদ মাহফিল, বিশেষ দোয়া ও কোরআন খতমের আয়োজন করা হয়।

​শনিবার: রাঙামাটি রসুলপুর জামে মসজিদে দোয়া এবং আল মোমিন নূরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় শিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।​রসুলপুর জামে মসজিদের ইমাম জহির উদ্দীনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক জামাল উদ্দীনের বোন সাংবাদিক ফাতেমা জান্নাত মুমু, মাহমুদুল হাসান মানি, মো. সালা উদ্দীন করিম আবু, মো. জামাল উদ্দীন, মো. জাবেদ উদ্দীন এবং ভাগ্নে মো. মাহাফুজ আলম সবিজ চৌধুরীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।​ভাইয়ের স্মৃতি চারণ করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন সাংবাদিক ফাতেমা জান্নাত মুমু। তিনি বলেন,​২০০৭ সালের এই দিনে আমার ভাইকে অপহরণ করে হত্যা করেছিল দুর্বৃত্তরা। ১৯টি বছর পার হয়ে গেল, কিন্তু আজ পর্যন্ত আমরা বিচার পাইনি। হত্যাকারীরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। তবুও আমি আশাহত হইনি; আমি বিশ্বাস করি এই মাটিতে একদিন বিচার হবেই।​তিনি আরও বলেন, দেশের বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নতুন সরকারের কাছে জামাল উদ্দীন হত্যাকাণ্ডের পুনর্তদন্ত ও জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।​উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের ৫ মার্চ রাঙামাটি প্রেস ক্লাবে যাওয়ার পথে নিখোঁজ হন সাংবাদিক জামাল উদ্দীন। অপহরণের একদিন পর, অর্থাৎ ৬ মার্চ রাঙামাটি পর্যটন কেন্দ্রের পাশে 'হ্যাডম্যান পাহাড়' সংলগ্ন জঙ্গল থেকে তার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মো. জামাল উদ্দীন সে সময় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভি (NTV), দৈনিক বর্তমান বাংলা এবং বার্তা সংস্থা আবাসে কর্মরত ছিলেন।

<p><span style="color: rgb(0, 0, 0);"><strong>​রাঙামাটিতে সাংবাদিক জামাল উদ্দীনের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত: বিচারহীনতায় কাটল দুই দশক</strong></span></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>​মোঃ কামরুল ইসলাম | রাঙামাটি প্রতিনিধি |</strong></span></p><p><strong>রাঙামাটি গভীর শ্রদ্ধা এবং দোয়ার মধ্য দিয়ে রাঙামাটিতে পালিত হয়েছে প্রখ্যাত সাংবাদিক মো. জামাল উদ্দীনের ১৯তম শাহাদাৎ বার্ষিকী। ২০০৭ সালের এই দিনে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। দীর্ঘ ১৯ বছর পার হলেও চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়ায় সাংবাদিক সমাজ ও পরিবারের মধ্যে এখনো ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।​দিবসটি উপলক্ষে সাংবাদিক জামালের পরিবারের পক্ষ থেকে দুই দিনব্যাপী বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসূচি পালন করা হয়।​শুক্রবার: মরহুমের কবর জিয়ারত, মসজিদে মিলাদ মাহফিল, বিশেষ দোয়া ও কোরআন খতমের আয়োজন করা হয়।</strong></p><p>​শনিবার: রাঙামাটি রসুলপুর জামে মসজিদে দোয়া এবং আল মোমিন নূরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় শিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।​রসুলপুর জামে মসজিদের ইমাম জহির উদ্দীনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক জামাল উদ্দীনের বোন সাংবাদিক ফাতেমা জান্নাত মুমু, মাহমুদুল হাসান মানি, মো. সালা উদ্দীন করিম আবু, মো. জামাল উদ্দীন, মো. জাবেদ উদ্দীন এবং ভাগ্নে মো. মাহাফুজ আলম সবিজ চৌধুরীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।​ভাইয়ের স্মৃতি চারণ করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন সাংবাদিক ফাতেমা জান্নাত মুমু। তিনি বলেন,​২০০৭ সালের এই দিনে আমার ভাইকে অপহরণ করে হত্যা করেছিল দুর্বৃত্তরা। ১৯টি বছর পার হয়ে গেল, কিন্তু আজ পর্যন্ত আমরা বিচার পাইনি। হত্যাকারীরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। তবুও আমি আশাহত হইনি; আমি বিশ্বাস করি এই মাটিতে একদিন বিচার হবেই।​তিনি আরও বলেন, দেশের বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নতুন সরকারের কাছে জামাল উদ্দীন হত্যাকাণ্ডের পুনর্তদন্ত ও জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।​উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের ৫ মার্চ রাঙামাটি প্রেস ক্লাবে যাওয়ার পথে নিখোঁজ হন সাংবাদিক জামাল উদ্দীন। অপহরণের একদিন পর, অর্থাৎ ৬ মার্চ রাঙামাটি পর্যটন কেন্দ্রের পাশে 'হ্যাডম্যান পাহাড়' সংলগ্ন জঙ্গল থেকে তার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মো. জামাল উদ্দীন সে সময় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভি (NTV), দৈনিক বর্তমান বাংলা এবং বার্তা সংস্থা আবাসে কর্মরত ছিলেন।</p>

জেলার খবর

play storeapp store