ঢাকা, রবিবার, ২২ ফাল্গুন, ১৪৩২, ৮ মার্চ ২০২৬

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনেই পর পর দুই বার একুশে টেলিভিশনের সাংবাদিক ‍বিকুল চক্রবর্তীর উপর হামালার চেষ্টা

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

০৭ মার্চ ২০২৬, ০৭:০৭ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনেই পর পর দুই বার একুশে টেলিভিশনের সাংবাদিক ‍বিকুল চক্রবর্তীর উপর হামালার চেষ্টা

মনজু বিজয় চৌধুরী | মৌলভীবাজার |

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনেই পর পর দুই বার একুশে টেলিভিশন ও বিডিনিউজ টোয়েন্টেফোর ডটকমের মৌলভীবাজার প্রতিনিধি ‍বিকুল চক্রবর্তীর উপর হামালা করতে আসে এক দুস্কৃতিকারী। এ ঘটনায় সাংবাদিক বিকুল চক্রবর্তী শনিবার শ্রীমঙ্গল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।ঘটনাটি ঘটেছে শ্রীমঙ্গল শহরতলীর সবুবজাগ আবাসিক এলাকার শশানঘাট এলাকায় সনাতন ধর্মালম্বীদের দোল উৎসবে।বিকুল চক্রবর্তীর দাখিলকৃত অভিযোগ থেকে জানাযায়, শুক্রবার বিকেলে সবুজবাগ দোল পূর্নীমা উৎসবে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে যান শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক একুশে টেলিভিশন ও বিডিনিউজ টোয়েন্টেফোর ডটকমের মৌলভীবাজার প্রতিনিধি ‍বিকুল চক্রবর্তী। এ সময় বিশেষ অতিথি শ্রীমঙ্গল উপজেলা সহকারী কমিশিনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহিবুল্লাহ আকন্দ, শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলী, শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা মৃনালকান্তি দাশ তাপস, স্থানীয় ইউ/পি সদস্য ও অনুষ্ঠান আয়োজক কমিটির আহবায়ক পিয়াস দাশসহ অনান্য অতিথির সাথে মঞ্চে যান সাংবাদিক বিকুল চক্রবর্তীও।

অনুষ্ঠান চলাকালে বিশেষ অতিথি শ্রীমঙ্গল উপজেলা সহকারী কমিশিনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহিবুল্লাহ আকন্দ যথন বক্তব্য দিচ্ছিলেন এ সময় শ্রীমঙ্গল সবুজবাগ এলাকার সুব্রত চক্রবর্তী সাংবাদিক বিকুল চক্রবর্তী আওয়ামীলীগের দালাল ও আমাদের বিএনপির ভাবমুরতি ক্ষুন্ন করছে বলে তার উপর আক্রমন করতে যায়। তাৎক্ষনিক মঞ্চে থাকা ইউ/পি সদস্য পিয়াস দাশ তাকে ঝাঁপটে ধরে তাকে আক্রমনের হাত থেকে রক্ষা করেন। পরে সুব্রকে ঘার ধরে অনুষ্ঠান স্থল থেকে বের করেদেন তিনি। পরবর্তীতে যখন ভার্চ্যুয়ালী প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিচ্ছিলেন মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো: মুজিবুর রহমান চৌধুরী তখন সে পুনরায় মঞ্চে আক্রমন করতে আসে। আবারো পিয়াস দাশসহ অনান্যরা তাকে অনুষ্ঠানস্থল থেকে বের করেদেন। এ সময় উপস্থিত ভক্তবৃন্দ তার উপর ক্ষেপে গেলে পিয়াস দাশ, বিএনপি নেতা ইয়াকুব আলী ও সাংবাদিক বিকুল সবাইকে নিরব থাকার আহবান জানান এবং অনুষ্ঠান শেষে বিষয়টি দেখা হবে বলে সবাইকে সান্তনা দেন। অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা চলে যাওয়ার পর শশানঘাটের রাস্তার উপর দলবল নিয়ে সুব্রত আবারো বিকুল চক্রবর্তীর উপর আক্রমন করে। এ সময় সাংবাদিক বিকুল চক্রবর্তী কিছুটা আহত হন। আশে পাশের লোকজন এগিয়ে এলে সুব্রত ও তার দল নিয়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিকুল চক্রবর্তীকে চিকিৎসার জন্য শ্রীমঙ্গল হাসপাতালে নিয়ে যান সাংবাদিকরা। এ ঘটনায় বিকুল চক্রবর্তী দুইজনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত আসামী দিয়ে শ্রীমঙ্গল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের দিয়েছেন।এ ব্যাপারে সাংবাদিক বিকুল চক্রবর্তী জানান, একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে আমার ক্ষতি করার চেষ্টা করছে। আমার প্রতি সাধারণ মানুষকে ‍উস্কিয়ে দিতে মিথ্যা বানোয়াট তথ্য দিয়ে ফেইসবুকিং করছে। এর আগেও একটি দুস্কৃতিকারী দল তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থে ও জেলাসি থেকে আমার অফিস, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান লুটপাঠ ও অগ্নি সংযোগ করেছে। নষ্ট করে দিয়েছে আমার সংগৃহীত মহান মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা আন্দোলনের অসংখ স্মারক। যে গুলো হাজার কোটি টাকা দিলেও আর ফিরে পাওয়া যাবেনা। তিনি বলেন, সুব্রত চক্রবর্তী কতবড় সাহস দেখিয়েছে একজন নির্বাহী মেজিস্ট্রেটের সামনে এরকম ঘটনা করে আবার তার ফেইসবুক লাইভে তা স্বীকারও করেছে।এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলী জানান, ঘটনাটি খুবই নেক্কার জনক। আমরা আশা করিনি এতো সুন্দর একটা অনুষ্ঠানে ওই ছেলেটি এরকম একটি বিশ্রি ঘটনাঘটাবে।এ ব্যাপারে সুব্রত চক্রবর্তীর সাথে যোগযোগ করলে তাকে পাওয়া যায়নি।এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দোষিদের আইনের আওতায় আনার আহবান জানান।এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল থানা অফিসার ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, তারা লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নিবেন।

<p><span style="color: rgb(0, 0, 0);"><strong>নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনেই পর পর দুই বার একুশে টেলিভিশনের সাংবাদিক ‍বিকুল চক্রবর্তীর উপর হামালার চেষ্টা</strong></span></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>মনজু বিজয় চৌধুরী | মৌলভীবাজার |</strong></span></p><p><strong>মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনেই পর পর দুই বার একুশে টেলিভিশন ও বিডিনিউজ টোয়েন্টেফোর ডটকমের মৌলভীবাজার প্রতিনিধি ‍বিকুল চক্রবর্তীর উপর হামালা করতে আসে এক দুস্কৃতিকারী। এ ঘটনায় সাংবাদিক বিকুল চক্রবর্তী শনিবার শ্রীমঙ্গল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।ঘটনাটি ঘটেছে শ্রীমঙ্গল শহরতলীর সবুবজাগ আবাসিক এলাকার শশানঘাট এলাকায় সনাতন ধর্মালম্বীদের দোল উৎসবে।বিকুল চক্রবর্তীর দাখিলকৃত অভিযোগ থেকে জানাযায়, শুক্রবার বিকেলে সবুজবাগ দোল পূর্নীমা উৎসবে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে যান শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক একুশে টেলিভিশন ও বিডিনিউজ টোয়েন্টেফোর ডটকমের মৌলভীবাজার প্রতিনিধি ‍বিকুল চক্রবর্তী। এ সময় বিশেষ অতিথি শ্রীমঙ্গল উপজেলা সহকারী কমিশিনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহিবুল্লাহ আকন্দ, শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলী, শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা মৃনালকান্তি দাশ তাপস, স্থানীয় ইউ/পি সদস্য ও অনুষ্ঠান আয়োজক কমিটির আহবায়ক পিয়াস দাশসহ অনান্য অতিথির সাথে মঞ্চে যান সাংবাদিক বিকুল চক্রবর্তীও। </strong></p><p>অনুষ্ঠান চলাকালে বিশেষ অতিথি শ্রীমঙ্গল উপজেলা সহকারী কমিশিনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহিবুল্লাহ আকন্দ যথন বক্তব্য দিচ্ছিলেন এ সময় শ্রীমঙ্গল সবুজবাগ এলাকার সুব্রত চক্রবর্তী সাংবাদিক বিকুল চক্রবর্তী আওয়ামীলীগের দালাল ও আমাদের বিএনপির ভাবমুরতি ক্ষুন্ন করছে বলে তার উপর আক্রমন করতে যায়। তাৎক্ষনিক মঞ্চে থাকা ইউ/পি সদস্য পিয়াস দাশ তাকে ঝাঁপটে ধরে তাকে আক্রমনের হাত থেকে রক্ষা করেন। পরে সুব্রকে ঘার ধরে অনুষ্ঠান স্থল থেকে বের করেদেন তিনি। পরবর্তীতে যখন ভার্চ্যুয়ালী প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিচ্ছিলেন মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো: মুজিবুর রহমান চৌধুরী তখন সে পুনরায় মঞ্চে আক্রমন করতে আসে। আবারো পিয়াস দাশসহ অনান্যরা তাকে অনুষ্ঠানস্থল থেকে বের করেদেন। এ সময় উপস্থিত ভক্তবৃন্দ তার উপর ক্ষেপে গেলে পিয়াস দাশ, বিএনপি নেতা ইয়াকুব আলী ও সাংবাদিক বিকুল সবাইকে নিরব থাকার আহবান জানান এবং অনুষ্ঠান শেষে বিষয়টি দেখা হবে বলে সবাইকে সান্তনা দেন। অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা চলে যাওয়ার পর শশানঘাটের রাস্তার উপর দলবল নিয়ে সুব্রত আবারো বিকুল চক্রবর্তীর উপর আক্রমন করে। এ সময় সাংবাদিক বিকুল চক্রবর্তী কিছুটা আহত হন। আশে পাশের লোকজন এগিয়ে এলে সুব্রত ও তার দল নিয়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিকুল চক্রবর্তীকে চিকিৎসার জন্য শ্রীমঙ্গল হাসপাতালে নিয়ে যান সাংবাদিকরা। এ ঘটনায় বিকুল চক্রবর্তী দুইজনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত আসামী দিয়ে শ্রীমঙ্গল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের দিয়েছেন।এ ব্যাপারে সাংবাদিক বিকুল চক্রবর্তী জানান, একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে আমার ক্ষতি করার চেষ্টা করছে। আমার প্রতি সাধারণ মানুষকে ‍উস্কিয়ে দিতে মিথ্যা বানোয়াট তথ্য দিয়ে ফেইসবুকিং করছে। এর আগেও একটি দুস্কৃতিকারী দল তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থে ও জেলাসি থেকে আমার অফিস, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান লুটপাঠ ও অগ্নি সংযোগ করেছে। নষ্ট করে দিয়েছে আমার সংগৃহীত মহান মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা আন্দোলনের অসংখ স্মারক। যে গুলো হাজার কোটি টাকা দিলেও আর ফিরে পাওয়া যাবেনা। তিনি বলেন, সুব্রত চক্রবর্তী কতবড় সাহস দেখিয়েছে একজন নির্বাহী মেজিস্ট্রেটের সামনে এরকম ঘটনা করে আবার তার ফেইসবুক লাইভে তা স্বীকারও করেছে।এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলী জানান, ঘটনাটি খুবই নেক্কার জনক। আমরা আশা করিনি এতো সুন্দর একটা অনুষ্ঠানে ওই ছেলেটি এরকম একটি বিশ্রি ঘটনাঘটাবে।এ ব্যাপারে সুব্রত চক্রবর্তীর সাথে যোগযোগ করলে তাকে পাওয়া যায়নি।এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দোষিদের আইনের আওতায় আনার আহবান জানান।এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল থানা অফিসার ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, তারা লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নিবেন।</p>

জেলার খবর

play storeapp store