ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফাল্গুন, ১৪৩২, ১২ মার্চ ২০২৬

গঙ্গাচড়ায় মন্দিরে পুরোহিত–সেবায়েত নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, ইউএনও’র কাছে অভিযোগ

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

১১ মার্চ ২০২৬, ০৫:২৯ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

গঙ্গাচড়ায় মন্দিরে পুরোহিত–সেবায়েত নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, ইউএনও’র কাছে অভিযোগ

শফিকুজ্জামান সোহেল | রংপুর প্রতিনিধি |

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় দুটি মন্দিরে পুরোহিত ও সেবায়েত নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।বুধবার (১১ মার্চ) গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে বড়বিল ইউনিয়নের ঠাকুরাদহ হিন্দুপাড়ার সুমন চন্দ্র (৪৬), মন্টুরাম সরকার (৬৩) ও ভগলু চন্দ্র মহন্ত (৩৮) যৌথভাবে এ অভিযোগপত্র জমা দেন।অভিযোগপত্রে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে বড়বিল ইউনিয়নের ঠাকুরাদহ রাধাগোবিন্দ হরি মন্দিরে সুমন চন্দ্র পুরোহিত হিসেবে এবং মন্টুরাম সরকার ও ভগলু চন্দ্র মহন্ত সেবায়েত হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সম্প্রতি উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে ওই মন্দিরে নতুন করে পুরোহিত ও সেবায়েত নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে তারা জানতে পারেন।

অভিযোগকারীদের দাবি, মন্দির পরিচালনা কমিটির সদস্যদের অবগত না করে এবং দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনকারীদের বাদ দিয়ে শ্রী যোগেশ চন্দ্র রায়সহ আরও দুজনকে ওই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অথচ নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা আগে কখনও মন্দিরের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না এবং এলাকায় পূজারী হিসেবেও পরিচিত নন।অভিযোগকারীরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে শ্রী যোগেশ চন্দ্র রায়ের নিয়োগ বাতিল করে সুমন চন্দ্রকে পুরোহিত এবং মন্টুরাম সরকার ও ভগলু চন্দ্র মহন্তকে সেবায়েত হিসেবে পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন।এর আগে গত সোমবার ও মঙ্গলবার একই ধরনের অনিয়মের অভিযোগ তুলে বাংলার সময় অনলাইন, দৈনিক আমাদের প্রতিদিন ও খোলা কাগজ পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়।সংবাদে বলা হয়, কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়াই সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দের মতামত না নিয়ে বেতগাড়ী এলাকার চারআনী শেরপুর সার্বজনীন হরি মন্দিরে পুরোহিত হিসেবে বিনোদ চন্দ্র রায়কে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি মানিক রায়ের পুত্র। অন্যদিকে বড়বিল ইউনিয়নের ঠাকুরাদহ রাধাগোবিন্দ মন্দিরে সেবায়েত হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন শ্রী যোগেশ চন্দ্র রায়, পিতা কোনারাম রায়।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পুরোহিত ও সেবায়েত যাচাই-বাছাই কমিটিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সভাপতি, সমাজসেবা কর্মকর্তা সদস্য সচিব এবং সদস্য হিসেবে ইসলামী ফাউন্ডেশনের একজন প্রতিনিধি রয়েছেন।এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. জেসমিন আক্তার বলেন, অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টির সমাধানের চেষ্টা করা হবে।

<p><span style="color: rgb(0, 0, 0);"><strong>গঙ্গাচড়ায় মন্দিরে পুরোহিত–সেবায়েত নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, ইউএনও’র কাছে অভিযোগ</strong></span></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>শফিকুজ্জামান সোহেল | রংপুর প্রতিনিধি |</strong></span></p><p><strong>রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় দুটি মন্দিরে পুরোহিত ও সেবায়েত নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।বুধবার (১১ মার্চ) গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে বড়বিল ইউনিয়নের ঠাকুরাদহ হিন্দুপাড়ার সুমন চন্দ্র (৪৬), মন্টুরাম সরকার (৬৩) ও ভগলু চন্দ্র মহন্ত (৩৮) যৌথভাবে এ অভিযোগপত্র জমা দেন।অভিযোগপত্রে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে বড়বিল ইউনিয়নের ঠাকুরাদহ রাধাগোবিন্দ হরি মন্দিরে সুমন চন্দ্র পুরোহিত হিসেবে এবং মন্টুরাম সরকার ও ভগলু চন্দ্র মহন্ত সেবায়েত হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সম্প্রতি উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে ওই মন্দিরে নতুন করে পুরোহিত ও সেবায়েত নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে তারা জানতে পারেন।</strong></p><p>অভিযোগকারীদের দাবি, মন্দির পরিচালনা কমিটির সদস্যদের অবগত না করে এবং দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনকারীদের বাদ দিয়ে শ্রী যোগেশ চন্দ্র রায়সহ আরও দুজনকে ওই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অথচ নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা আগে কখনও মন্দিরের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না এবং এলাকায় পূজারী হিসেবেও পরিচিত নন।অভিযোগকারীরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে শ্রী যোগেশ চন্দ্র রায়ের নিয়োগ বাতিল করে সুমন চন্দ্রকে পুরোহিত এবং মন্টুরাম সরকার ও ভগলু চন্দ্র মহন্তকে সেবায়েত হিসেবে পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন।এর আগে গত সোমবার ও মঙ্গলবার একই ধরনের অনিয়মের অভিযোগ তুলে বাংলার সময় অনলাইন, দৈনিক আমাদের প্রতিদিন ও খোলা কাগজ পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়।সংবাদে বলা হয়, কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়াই সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দের মতামত না নিয়ে বেতগাড়ী এলাকার চারআনী শেরপুর সার্বজনীন হরি মন্দিরে পুরোহিত হিসেবে বিনোদ চন্দ্র রায়কে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি মানিক রায়ের পুত্র। অন্যদিকে বড়বিল ইউনিয়নের ঠাকুরাদহ রাধাগোবিন্দ মন্দিরে সেবায়েত হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন শ্রী যোগেশ চন্দ্র রায়, পিতা কোনারাম রায়।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পুরোহিত ও সেবায়েত যাচাই-বাছাই কমিটিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সভাপতি, সমাজসেবা কর্মকর্তা সদস্য সচিব এবং সদস্য হিসেবে ইসলামী ফাউন্ডেশনের একজন প্রতিনিধি রয়েছেন।এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. জেসমিন আক্তার বলেন, অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টির সমাধানের চেষ্টা করা হবে।</p>

জেলার খবর

play storeapp store