ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফাল্গুন, ১৪৩২, ১৩ মার্চ ২০২৬

ভিজিএফ স্লিপ বিতরণকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা,উলিপুরে চেয়ারম্যান গণধোলাইয়ের শিকার

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

১২ মার্চ ২০২৬, ১০:৫৭ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

ভিজিএফ স্লিপ বিতরণকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা,উলিপুরে চেয়ারম্যান গণধোলাইয়ের শিকার

রফিকুল ইসলাম রফিক | কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি |

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার ৬নং ধরণীবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এরশাদুল হক ভিজিএফ স্লিপ বিতরণকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনার মধ্যে জনতার হাতে গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পবিত্র রমজান উপলক্ষে সরকারের ভিজিএফ (VGF) কর্মসূচির আওতায় অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে চাল বিতরণের জন্য উপকারভোগীদের মাঝে স্লিপ বিতরণ কার্যক্রম চলছিল। এ সময় উপকারভোগীর তালিকা প্রণয়নে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়।

একপর্যায়ে স্লিপ নিতে আসা লোকজনের সঙ্গে চেয়ারম্যানের সমর্থকদের বাকবিতণ্ডা শুরু হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে উত্তেজিত জনতার একাংশ চেয়ারম্যান এরশাদুল হকের ওপর হামলা চালালে তিনি গণধোলাইয়ের শিকার হন।পরে স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিবর্গ ও দায়িত্বশীলরা এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং আহত চেয়ারম্যানকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।ঘটনার পর এলাকায় কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা বিরাজ করলেও বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।এ বিষয়ে চেয়ারম্যান এরশাদুল হক বলেন, তিনি ইউনিয়নে মাইকিং করে প্রকৃত গরিব, দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে স্বচ্ছভাবে ভিজিএফ কার্ড বিতরণের উদ্যোগ নেন। এতে কিছু ইউপি সদস্যের স্বার্থে আঘাত লাগায় তারা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং পরিকল্পিতভাবে পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়। তিনি দাবি করেন, ভিজিএফ তালিকা প্রণয়নের সময় জামায়াত ও বিএনপির স্থানীয় নেতাসহ বিভিন্ন ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন এবং তিনি কোনো ধরনের দুর্নীতি করেননি। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও দাবি করেন তিনি।এ বিষয়ে উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহামুদুল হাসান জানান, ভিজিএফ স্লিপ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।স্থানীয় সচেতন মহল ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

<p><strong>ভিজিএফ স্লিপ বিতরণকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা,উলিপুরে চেয়ারম্যান গণধোলাইয়ের শিকার</strong></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>রফিকুল ইসলাম রফিক | কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি |</strong></span></p><p><strong>কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার ৬নং ধরণীবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এরশাদুল হক ভিজিএফ স্লিপ বিতরণকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনার মধ্যে জনতার হাতে গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পবিত্র রমজান উপলক্ষে সরকারের ভিজিএফ (VGF) কর্মসূচির আওতায় অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে চাল বিতরণের জন্য উপকারভোগীদের মাঝে স্লিপ বিতরণ কার্যক্রম চলছিল। এ সময় উপকারভোগীর তালিকা প্রণয়নে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়।</strong></p><p>একপর্যায়ে স্লিপ নিতে আসা লোকজনের সঙ্গে চেয়ারম্যানের সমর্থকদের বাকবিতণ্ডা শুরু হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে উত্তেজিত জনতার একাংশ চেয়ারম্যান এরশাদুল হকের ওপর হামলা চালালে তিনি গণধোলাইয়ের শিকার হন।পরে স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিবর্গ ও দায়িত্বশীলরা এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং আহত চেয়ারম্যানকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।ঘটনার পর এলাকায় কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা বিরাজ করলেও বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।এ বিষয়ে চেয়ারম্যান এরশাদুল হক বলেন, তিনি ইউনিয়নে মাইকিং করে প্রকৃত গরিব, দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে স্বচ্ছভাবে ভিজিএফ কার্ড বিতরণের উদ্যোগ নেন। এতে কিছু ইউপি সদস্যের স্বার্থে আঘাত লাগায় তারা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং পরিকল্পিতভাবে পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়। তিনি দাবি করেন, ভিজিএফ তালিকা প্রণয়নের সময় জামায়াত ও বিএনপির স্থানীয় নেতাসহ বিভিন্ন ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন এবং তিনি কোনো ধরনের দুর্নীতি করেননি। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও দাবি করেন তিনি।এ বিষয়ে উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহামুদুল হাসান জানান, ভিজিএফ স্লিপ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।স্থানীয় সচেতন মহল ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।</p>

জেলার খবর

play storeapp store