ঢাকা, সোমবার, ১ চৈত্র, ১৪৩২, ১৬ মার্চ ২০২৬

‎রাজপথের সাহসী সৈনিক নবীনূর ইসলাম নবীন ত্যাগ,সংগ্রাম আর নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল নাম

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

১৫ মার্চ ২০২৬, ০৭:০৮ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

‎রাজপথের সাহসী সৈনিক নবীনূর ইসলাম নবীন ত্যাগ,সংগ্রাম আর নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল নাম

‎সাভার প্রতিনিধি |

‎সাভার, আশুলিয়া ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা জুড়ে ছাত্ররাজনীতিতে আলোচিত একটি নাম নবীনূর ইসলাম নবীন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সহ-সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রেখে তিনি ত্যাগী ও পরীক্ষিত ছাত্রনেতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।‎দলমত, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সবার কাছে মানবিক ও সামাজিক একজন সংগঠক হিসেবেও পরিচিত নবীন। সহকর্মীদের মতে, ছাত্ররাজনীতির প্রতি তার নিষ্ঠা, সাহস এবং কর্মীবান্ধব মনোভাব তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছে।‎বিগত প্রায় ১৭ বছর ধরে আন্দোলন-সংগ্রামের রাজপথে সক্রিয় এই ছাত্রনেতা নানা সময় দমন-পীড়ন, হামলা ও মামলার শিকার হয়েছেন। তবুও আদর্শ ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে তিনি কখনো পিছপা হননি। সংগঠনের নেতাকর্মীদের ভাষ্য, পদ বা ব্যক্তিস্বার্থের জন্য নয়—বরং আদর্শ, সংগঠন ও গণতন্ত্রের জন্যই তিনি রাজনীতি করে আসছেন।

‎‎রাজনৈতিক প্রতিকূলতার কারণে দীর্ঘ সময় স্বাভাবিকভাবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া কিংবা এলাকায় অবস্থান করাও তার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে বলে সহকর্মীরা জানান। অভিযোগ রয়েছে, সে সময় রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তার বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে একাধিকবার চাপ ও হুমকির ঘটনাও ঘটে।‎বিশেষ করে ২০২৪ সালের আন্দোলনের সময় সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাই এলাকায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে রাজপথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন নবীনূর ইসলাম নবীন। সেই আন্দোলনের সময় দায়ের হওয়া একটি মামলায় তিনি ১ নম্বর আসামি হন। সহকর্মীদের মতে, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে প্রথম সারির নেতাদের বিরুদ্ধেই এমন মামলা হওয়া অস্বাভাবিক নয়; বরং তা তাদের সংগ্রামী ভূমিকারই সাক্ষ্য বহন করে।নেতাকর্মীদের মতে, নবীন সবসময় কর্মীদের পাশে দাঁড়ানো একজন সাহসী ও নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক। আন্দোলনের কঠিন সময়েও তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, কর্মীদের সাহস জুগিয়েছেন এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করতে নিরলসভাবে কাজ করেছেন।‎তৃণমূল নেতাকর্মীদের দাবি, ছাত্ররাজনীতিতে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতৃত্বকে সামনে আনা সময়ের দাবি। সেই বিবেচনায় আগামী কেন্দ্রীয় কমিটিতে নবীনূর ইসলাম নবীনকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে দেখা গেলে তা সংগঠনের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।‎রাজপথের দীর্ঘ সংগ্রাম, ত্যাগ এবং আপসহীন অবস্থানের প্রতীক নবীনূর ইসলাম নবীন এমনটাই মনে করেন তার সহযোদ্ধারা। তাদের বিশ্বাস, এমন পরীক্ষিত ও সাহসী নেতৃত্বই আগামী দিনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করে তুলবে।

<p><strong>‎রাজপথের সাহসী সৈনিক নবীনূর ইসলাম নবীন ত্যাগ,সংগ্রাম আর নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল নাম</strong></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>‎সাভার প্রতিনিধি |</strong></span></p><p><strong>‎সাভার, আশুলিয়া ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা জুড়ে ছাত্ররাজনীতিতে আলোচিত একটি নাম নবীনূর ইসলাম নবীন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সহ-সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রেখে তিনি ত্যাগী ও পরীক্ষিত ছাত্রনেতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।‎দলমত, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সবার কাছে মানবিক ও সামাজিক একজন সংগঠক হিসেবেও পরিচিত নবীন। সহকর্মীদের মতে, ছাত্ররাজনীতির প্রতি তার নিষ্ঠা, সাহস এবং কর্মীবান্ধব মনোভাব তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছে।‎বিগত প্রায় ১৭ বছর ধরে আন্দোলন-সংগ্রামের রাজপথে সক্রিয় এই ছাত্রনেতা নানা সময় দমন-পীড়ন, হামলা ও মামলার শিকার হয়েছেন। তবুও আদর্শ ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে তিনি কখনো পিছপা হননি। সংগঠনের নেতাকর্মীদের ভাষ্য, পদ বা ব্যক্তিস্বার্থের জন্য নয়—বরং আদর্শ, সংগঠন ও গণতন্ত্রের জন্যই তিনি রাজনীতি করে আসছেন।</strong></p><p>‎‎রাজনৈতিক প্রতিকূলতার কারণে দীর্ঘ সময় স্বাভাবিকভাবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া কিংবা এলাকায় অবস্থান করাও তার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে বলে সহকর্মীরা জানান। অভিযোগ রয়েছে, সে সময় রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তার বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে একাধিকবার চাপ ও হুমকির ঘটনাও ঘটে।‎বিশেষ করে ২০২৪ সালের আন্দোলনের সময় সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাই এলাকায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে রাজপথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন নবীনূর ইসলাম নবীন। সেই আন্দোলনের সময় দায়ের হওয়া একটি মামলায় তিনি ১ নম্বর আসামি হন। সহকর্মীদের মতে, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে প্রথম সারির নেতাদের বিরুদ্ধেই এমন মামলা হওয়া অস্বাভাবিক নয়; বরং তা তাদের সংগ্রামী ভূমিকারই সাক্ষ্য বহন করে।নেতাকর্মীদের মতে, নবীন সবসময় কর্মীদের পাশে দাঁড়ানো একজন সাহসী ও নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক। আন্দোলনের কঠিন সময়েও তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, কর্মীদের সাহস জুগিয়েছেন এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করতে নিরলসভাবে কাজ করেছেন।‎তৃণমূল নেতাকর্মীদের দাবি, ছাত্ররাজনীতিতে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতৃত্বকে সামনে আনা সময়ের দাবি। সেই বিবেচনায় আগামী কেন্দ্রীয় কমিটিতে নবীনূর ইসলাম নবীনকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে দেখা গেলে তা সংগঠনের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।‎রাজপথের দীর্ঘ সংগ্রাম, ত্যাগ এবং আপসহীন অবস্থানের প্রতীক নবীনূর ইসলাম নবীন এমনটাই মনে করেন তার সহযোদ্ধারা। তাদের বিশ্বাস, এমন পরীক্ষিত ও সাহসী নেতৃত্বই আগামী দিনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করে তুলবে।</p>

জেলার খবর

play storeapp store