ঢাকা, সোমবার, ১ চৈত্র, ১৪৩২, ১৬ মার্চ ২০২৬

গঙ্গাচড়ায় ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

১৫ মার্চ ২০২৬, ০৭:২৮ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

গঙ্গাচড়ায় ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

শফিকুজ্জামান সোহেল | রংপুর প্রতিনিধি |

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূকে মারধর করে শরীরে আগুন লাগিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্বামীসহ তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় ওই গৃহবধূ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বেতগাড়ী জুম্মাপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. আজম আলী থানায় দায়ের করা এজাহারে উল্লেখ করেন, তার ভাতিজি মোছা. আমেনা খাতুন (২৫)-এর সঙ্গে পশ্চিম বিড়াবাড়ী এলাকার মো. হাফিজুল ইসলামের প্রায় এক বছর আগে ইসলামিক শরিয়ত অনুযায়ী বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তারা স্বামীর বাড়িতে বসবাস করছিলেন। বর্তমানে আমেনা খাতুন ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

এজাহারে বলা হয়, বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই স্বামী হাফিজুল ইসলাম তার আগের স্ত্রী রেজোয়ানা বেগমের সঙ্গে পুনরায় সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এ নিয়ে সংসারে অশান্তি শুরু হয়। বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করলে স্বামীসহ শাশুড়ি ও শ্বশুর মিলে আমেনা খাতুনের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতে থাকেন।অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে স্বামী হাফিজুল ইসলাম, রেজোয়ানা বেগম, নাছিমা বেগম ও আকবর আলী গৃহবধূ আমেনা খাতুনকে একটি ফাঁকা নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করতে চাপ দেন। এতে রাজি না হলে অভিযুক্তরা লাঠি ও লোহার রড দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। একপর্যায়ে হত্যার উদ্দেশ্যে তার পরনের কাপড়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় প্রথমে তাকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে সুফিয়া কালাম হাসপাতালে ভর্তি করা হলে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের ৫ নম্বর বেডে তিনি মুমূর্ষু অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি জানান, পারিবারিক বিরোধের জেরে দীর্ঘদিন ধরেই ওই গৃহবধূ নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেন।ভুক্তভোগীর চাচা মো. আজম আলী জানান, খবর পেয়ে তিনি হাসপাতালে গিয়ে ভাতিজির চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন এবং পরিবারের সঙ্গে পরামর্শ করে থানায় এজাহার দায়ের করেন।এ বিষয়ে গঙ্গাচড়া থানার পুলিশ জানায়, ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

<p><span style="color: rgb(0, 0, 0);"><strong>গঙ্গাচড়ায় ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ</strong></span></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>শফিকুজ্জামান সোহেল | রংপুর প্রতিনিধি |</strong></span></p><p><strong>রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূকে মারধর করে শরীরে আগুন লাগিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্বামীসহ তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় ওই গৃহবধূ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বেতগাড়ী জুম্মাপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. আজম আলী থানায় দায়ের করা এজাহারে উল্লেখ করেন, তার ভাতিজি মোছা. আমেনা খাতুন (২৫)-এর সঙ্গে পশ্চিম বিড়াবাড়ী এলাকার মো. হাফিজুল ইসলামের প্রায় এক বছর আগে ইসলামিক শরিয়ত অনুযায়ী বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তারা স্বামীর বাড়িতে বসবাস করছিলেন। বর্তমানে আমেনা খাতুন ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।</strong></p><p>এজাহারে বলা হয়, বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই স্বামী হাফিজুল ইসলাম তার আগের স্ত্রী রেজোয়ানা বেগমের সঙ্গে পুনরায় সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এ নিয়ে সংসারে অশান্তি শুরু হয়। বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করলে স্বামীসহ শাশুড়ি ও শ্বশুর মিলে আমেনা খাতুনের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতে থাকেন।অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে স্বামী হাফিজুল ইসলাম, রেজোয়ানা বেগম, নাছিমা বেগম ও আকবর আলী গৃহবধূ আমেনা খাতুনকে একটি ফাঁকা নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করতে চাপ দেন। এতে রাজি না হলে অভিযুক্তরা লাঠি ও লোহার রড দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। একপর্যায়ে হত্যার উদ্দেশ্যে তার পরনের কাপড়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় প্রথমে তাকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে সুফিয়া কালাম হাসপাতালে ভর্তি করা হলে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের ৫ নম্বর বেডে তিনি মুমূর্ষু অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি জানান, পারিবারিক বিরোধের জেরে দীর্ঘদিন ধরেই ওই গৃহবধূ নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেন।ভুক্তভোগীর চাচা মো. আজম আলী জানান, খবর পেয়ে তিনি হাসপাতালে গিয়ে ভাতিজির চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন এবং পরিবারের সঙ্গে পরামর্শ করে থানায় এজাহার দায়ের করেন।এ বিষয়ে গঙ্গাচড়া থানার পুলিশ জানায়, ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>

জেলার খবর

play storeapp store