ঢাকা, সোমবার, ১ চৈত্র, ১৪৩২, ১৬ মার্চ ২০২৬

মোংলা বন্দরে দুই জাহাজে ভারত থেকে এলো ১৬ হাজার টন চাল

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

১৫ মার্চ ২০২৬, ০৭:৫১ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

মোংলা বন্দরে দুই জাহাজে ভারত থেকে এলো ১৬ হাজার টন চাল

‎ম.ম.রবি ডাকুয়া | বাগেরহাট প্রতিনিধি |

‎ভারত থেকে আমদানিকৃত ১৬ হাজার মেট্রিক টন চাল নিয়ে মোংলা বন্দরে পৌঁছেছে দুটি বিদেশি জাহাজ। আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে সরকারিভাবে এই চাল আমদানি করা হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) সকাল থেকে জাহাজ দুটি থেকে চাল খালাস প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।বন্দর ও স্থানীয় শিপিং এজেন্ট সূত্রে জানা গেছে, আমদানিকৃত চালের মধ্যে পানামা পতাকাবাহী ‘এইচ টি পাইনিওর’ জাহাজে ১১ হাজার মেট্রিক টন এবং ভিয়েতনামের পতাকাবাহী ‘হোয়াংটন-৮৯’ জাহাজে ৫ হাজার মেট্রিক টন চাল এসেছে।

‎জাহাজ দুটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট ‘সেভেন সিয়েস’-এর ব্যবস্থাপক আবুল হাসেম শামিম বলেন, কলকাতা বন্দর থেকে ছেড়ে আসা জাহাজ দুটি মোংলা বন্দরে ভেড়ার পর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। আজ সকাল থেকে শ্রমিকরা চাল খালাসের কাজ শুরু করেছেন।তিনি আরও জানান, বড় জাহাজ থেকে চাল খালাস করে ছোট লাইটারেজ জাহাজে ভরা হচ্ছে। এরপর এসব চাল নৌপথে দেশের বিভিন্ন জেলার সরকারি খাদ্যগুদামে পৌঁছে দেওয়া হবে। আগামী ৪ থেকে ৫ দিনের মধ্যে দুটি জাহাজ থেকে সম্পূর্ণ চাল খালাস শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।‎মোংলা উপজেলা খাদ্য অফিসের সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুস সোবাহান সরদার জানান, জিটুজি (সরকার টু সরকার) চুক্তির আওতায় ভারত, পাকিস্তান ও মিয়ানমার থেকে মোট ৮ লাখ মেট্রিক টন সেদ্ধ ও আতপ চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সেই ধারাবাহিকতায় ভারত থেকে আসা চালের এটি নবম চালান।‎সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, দেশের বাজারে চালের দাম স্থিতিশীল রাখতে ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার ও বেসরকারি পর্যায়ে বিপুল পরিমাণ চাল আমদানি করা হচ্ছে। শুল্কমুক্ত সুবিধায় আসা এসব চালের সিংহভাগই নন-বাসমতি, যা সাধারণ মানুষের চাহিদা মেটাতে ও বাজার নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা রাখছে।‎উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের পর থেকে ভারতের পেট্রাপোল ও হিলি স্থলবন্দর দিয়ে নিয়মিতভাবে চাল আসছে, যা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দ্রুততম সময়ে সরবরাহ করা হচ্ছে।

<p><span style="color: rgb(0, 0, 0);"><strong>মোংলা বন্দরে দুই জাহাজে ভারত থেকে এলো ১৬ হাজার টন চাল</strong></span></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>‎ম.ম.রবি ডাকুয়া | বাগেরহাট প্রতিনিধি |</strong></span></p><p><strong>‎ভারত থেকে আমদানিকৃত ১৬ হাজার মেট্রিক টন চাল নিয়ে মোংলা বন্দরে পৌঁছেছে দুটি বিদেশি জাহাজ। আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে সরকারিভাবে এই চাল আমদানি করা হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) সকাল থেকে জাহাজ দুটি থেকে চাল খালাস প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।বন্দর ও স্থানীয় শিপিং এজেন্ট সূত্রে জানা গেছে, আমদানিকৃত চালের মধ্যে পানামা পতাকাবাহী ‘এইচ টি পাইনিওর’ জাহাজে ১১ হাজার মেট্রিক টন এবং ভিয়েতনামের পতাকাবাহী ‘হোয়াংটন-৮৯’ জাহাজে ৫ হাজার মেট্রিক টন চাল এসেছে।</strong></p><p>‎জাহাজ দুটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট ‘সেভেন সিয়েস’-এর ব্যবস্থাপক আবুল হাসেম শামিম বলেন, কলকাতা বন্দর থেকে ছেড়ে আসা জাহাজ দুটি মোংলা বন্দরে ভেড়ার পর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। আজ সকাল থেকে শ্রমিকরা চাল খালাসের কাজ শুরু করেছেন।তিনি আরও জানান, বড় জাহাজ থেকে চাল খালাস করে ছোট লাইটারেজ জাহাজে ভরা হচ্ছে। এরপর এসব চাল নৌপথে দেশের বিভিন্ন জেলার সরকারি খাদ্যগুদামে পৌঁছে দেওয়া হবে। আগামী ৪ থেকে ৫ দিনের মধ্যে দুটি জাহাজ থেকে সম্পূর্ণ চাল খালাস শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।‎মোংলা উপজেলা খাদ্য অফিসের সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুস সোবাহান সরদার জানান, জিটুজি (সরকার টু সরকার) চুক্তির আওতায় ভারত, পাকিস্তান ও মিয়ানমার থেকে মোট ৮ লাখ মেট্রিক টন সেদ্ধ ও আতপ চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সেই ধারাবাহিকতায় ভারত থেকে আসা চালের এটি নবম চালান।‎সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, দেশের বাজারে চালের দাম স্থিতিশীল রাখতে ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার ও বেসরকারি পর্যায়ে বিপুল পরিমাণ চাল আমদানি করা হচ্ছে। শুল্কমুক্ত সুবিধায় আসা এসব চালের সিংহভাগই নন-বাসমতি, যা সাধারণ মানুষের চাহিদা মেটাতে ও বাজার নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা রাখছে।‎উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের পর থেকে ভারতের পেট্রাপোল ও হিলি স্থলবন্দর দিয়ে নিয়মিতভাবে চাল আসছে, যা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দ্রুততম সময়ে সরবরাহ করা হচ্ছে।</p>

জেলার খবর

play storeapp store