ঢাকা, সোমবার, ১ চৈত্র, ১৪৩২, ১৬ মার্চ ২০২৬
তারাগঞ্জে চাঞ্চল্যকর মনজুরুল হ/ত্যা মা/ম/লা/য় দুইজন গ্রে/প্তা/র
বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report
১৫ মার্চ ২০২৬, ০৭:৫৮ অপরাহ্ন
তারাগঞ্জে চাঞ্চল্যকর মনজুরুল হ/ত্যা মা/ম/লা/য় দুইজন গ্রে/প্তা/র
শফিকুজ্জামান সোহেল | রংপুর প্রতিনিধি |
রংপুরের তারাগঞ্জে আলোচিত ইলেকট্রিশিয়ান মনজুরুল হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে তারাগঞ্জ থানা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে গলাকেটে হত্যা করা হয় ইলেকট্রিশিয়ান মনজুরুলকে। এর দুই দিন আগে থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। স্বজনদের পাশাপাশি পুলিশও তাকে খুঁজতে থাকে।
পরদিন ২৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টার দিকে উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের ঘনিরামপুর রামপুরা এলাকার একটি আলুখেতে মাটিচাপা দেওয়া গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান এক কৃষক। পরে খবর পেয়ে তারাগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটির নিচ থেকে মনজুরুলের মরদেহ উদ্ধার করে।এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী জান্নাতি বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে তারাগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।মামলাটি তদন্তে নেমে তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিনের নেতৃত্বে এসআই কামরুলসহ পুলিশের একটি দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় শনিবার দুপুরে উপজেলার জর্দ্দিপাড়া এলাকা থেকে মাজেদুল মন্ডল (৩২) নামের এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রংপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহায়তায় রবিবার (১৫ মার্চ) ভোর ৪টার দিকে বগুড়ার গোকুল এলাকা থেকে রাফিউর রহমান লাবলু (৩০) নামের আরেক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, মনজুরুল পল্লী বিদ্যুতের একজন ইলেকট্রিশিয়ান ছিলেন। তার আয়েই স্ত্রী, এক মেয়ে ও দুই ছেলেসহ পুরো পরিবার চলত। তার মৃত্যুর পর পরিবারটি চরম সংকটে পড়েছে। সন্তানদের পড়াশোনাও বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিন বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আলোচিত মনজুরুল হত্যা মামলার দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দ্রুত তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।
জেলার খবর