ঢাকা, মঙ্গলবার, ২ চৈত্র, ১৪৩২, ১৭ মার্চ ২০২৬

নবীনগরে ৩০ কেজি চালে কম দেন ২ থেকে ৩ কেজি!

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

১৬ মার্চ ২০২৬, ০৮:৩৩ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

নবীনগরে ৩০ কেজি চালে কম দেন ২ থেকে ৩ কেজি!

সঞ্জয় শীল | নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি |

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের রুসুল্লাবাদ ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের পাল বাজার রোডের আলাউদ্দিনের ডিলারে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ন্যায্য মূল্যে ওএমএসের চাল বিক্রিতে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য পাওয়া গেছে। ৩০ কেজি চালের বদলে দেয়া হচ্ছে ২ থেকে ৩ কেজি কম। নেয়া হচ্ছে অতিরিক্ত ২০ টাকা বেশি। যেখানে নেওয়ার কথা ৪৫০ টাকা সেখানে নিচ্ছেন ৪৭০ টাকা। সাংবাদিক টের পেয়ে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন সংশ্লিষ্ট।

এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নারী জানান, একজন নারী প্রতিবাদ করায় তার নাম কেটে দেয়ার ভয় দেখায় ডিলারের লোকজন। এজন্য কেউ কোনো কিছু বলতে রাজি নন। ওএমএস ডিলারে স্বত্তাধিকারি আলাউদ্দিন রাসেল স্থানিয় বিএনপির নেতা হওয়ায় কেউ মুখ খুলতে চান না।এ বিষয়ে জানতে খাদ্য কর্মকর্তা ও ট্যাগ কর্মকর্তারা মুঠোফোনে যোগাযোগ করে তাদের কাছ থেকে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।স্থানিয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান খন্দকার মনির হোসেনের সাথে কথা বললে তিনি জানান, অসহায়, দুস্থ মানুষদের জন্য বরাদ্দকৃত ন্যাযমূলের চালে কম দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। যদি দিয়ে থাকে তাহলে তা অন্যায় করেছে।নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহমুদুল হাসানের সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি জানান চাল কম দেয়ার ব্যাপারের তিনি খাদ্য কর্মকর্তার সাথে কথা বলে তদন্তের সাথে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

<p><strong>নবীনগরে ৩০ কেজি চালে কম দেন ২ থেকে ৩ কেজি!</strong></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>সঞ্জয় শীল | নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি |</strong></span></p><p><strong>ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের রুসুল্লাবাদ ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের পাল বাজার রোডের আলাউদ্দিনের ডিলারে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ন্যায্য মূল্যে ওএমএসের চাল বিক্রিতে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য পাওয়া গেছে। ৩০ কেজি চালের বদলে দেয়া হচ্ছে ২ থেকে ৩ কেজি কম। নেয়া হচ্ছে অতিরিক্ত ২০ টাকা বেশি। যেখানে নেওয়ার কথা ৪৫০ টাকা সেখানে নিচ্ছেন ৪৭০ টাকা। সাংবাদিক টের পেয়ে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন সংশ্লিষ্ট। </strong></p><p>এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নারী জানান, একজন নারী প্রতিবাদ করায় তার নাম কেটে দেয়ার ভয় দেখায় ডিলারের লোকজন। এজন্য কেউ কোনো কিছু বলতে রাজি নন। ওএমএস ডিলারে স্বত্তাধিকারি আলাউদ্দিন রাসেল স্থানিয় বিএনপির নেতা হওয়ায় কেউ মুখ খুলতে চান না।এ বিষয়ে জানতে খাদ্য কর্মকর্তা ও ট্যাগ কর্মকর্তারা মুঠোফোনে যোগাযোগ করে তাদের কাছ থেকে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।স্থানিয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান খন্দকার মনির হোসেনের সাথে কথা বললে তিনি জানান, অসহায়, দুস্থ মানুষদের জন্য বরাদ্দকৃত ন্যাযমূলের চালে কম দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। যদি দিয়ে থাকে তাহলে তা অন্যায় করেছে।নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহমুদুল হাসানের সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি জানান চাল কম দেয়ার ব্যাপারের তিনি খাদ্য কর্মকর্তার সাথে কথা বলে তদন্তের সাথে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।</p>

জেলার খবর

play storeapp store