ঢাকা, বুধবার, ৩ চৈত্র, ১৪৩২, ১৮ মার্চ ২০২৬

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাড়ছে ঘরমুখো মানুষের চাপ থাকলেও যানজট ছাড়াই স্বস্তিতে চলছে ঈদযাত্রা

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

১৭ মার্চ ২০২৬, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাড়ছে ঘরমুখো মানুষের চাপ থাকলেও যানজট ছাড়াই স্বস্তিতে চলছে ঈদযাত্রা

আবু নাসের খান লিমন | মুন্সীগঞ্জ থেকে |

ঈদকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়তে শুরু করেছে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে। তবে এখনও পর্যন্ত বড় ধরনের যানজট ছাড়াই স্বস্তিতে চলছে ঈদযাত্রা।মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্লাজা এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, দক্ষিণবঙ্গমুখী যানবাহনের চাপ কিছুটা বেড়েছে। টোল প্লাজার সামনে সামান্য লাইনের সৃষ্টি হলেও গাড়িগুলো দ্রুত টোল পরিশোধ করে এগিয়ে যাচ্ছে।ফলে টোল প্লাজায় দীর্ঘক্ষণ যানবাহনের জট তৈরি হচ্ছে না। কিছু সময়ের জন্য টোল বুথগুলো ফাঁকাও দেখা যাচ্ছে। তবে একসঙ্গে কয়েকটি গাড়ি পৌঁছালে সাময়িক চাপ তৈরি হলেও তা দ্রুতই স্বাভাবিক হয়ে যাচ্ছে।

এদিকে সকাল থেকেই পদ্মা সেতু পার হয়ে ঈদে বাড়ি ফিরছেন হাজারো মানুষ। দীর্ঘ ছুটি থাকায় অনেকে ধীরে ধীরে যাত্রা শুরু করায় সড়কে চাপ তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।মাওয়া ট্রাফিক জোনের টিআই জিয়াউল হক জিয়া জানান, পদ্মা সেতু দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। গাড়ির সংখ্যা কিছুটা বাড়লেও তা সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে।তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ ছুটির কারণে মানুষ ধাপে ধাপে বাড়ি ফিরছে। ফলে একসঙ্গে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে না, তাই বড় ধরনের যানজটের আশঙ্কা নেই।এর আগে, সোমবার (১৬ মার্চ) সন্ধ্যায় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম মাওয়া পদ্মা সেতু টোলপ্লাজা পরিদর্শন করেন।তিনি জানান, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে দেশের বিভিন্ন মহাসড়কে যানজটপ্রবণ ২৬০টি স্থান চিহ্নিত করে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো।মন্ত্রী বলেন, ঘরমুখো মানুষ যাতে নিরাপদ ও স্বস্তিতে যাতায়াত করতে পারেন, সে লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মাঠপর্যায়ে সেই প্রস্তুতি বাস্তবায়ন তদারকিতেই তার এই পরিদর্শন।তিনি আরও জানান, সড়কে যানবাহনের চাপ বাড়লেও বড় ধরনের কোনো সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই। ইতোমধ্যে গণপরিবহনে পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে এবং কোথাও সংকট নেই। ঈদের আগে ও পরে মোট আট দিন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি থাকবে। সড়ক বিভাগ, হাইওয়ে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছে।

<p><strong>ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাড়ছে ঘরমুখো মানুষের চাপ থাকলেও যানজট ছাড়াই স্বস্তিতে চলছে ঈদযাত্রা</strong></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>আবু নাসের খান লিমন | মুন্সীগঞ্জ থেকে |</strong></span></p><p><strong>ঈদকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়তে শুরু করেছে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে। তবে এখনও পর্যন্ত বড় ধরনের যানজট ছাড়াই স্বস্তিতে চলছে ঈদযাত্রা।মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্লাজা এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, দক্ষিণবঙ্গমুখী যানবাহনের চাপ কিছুটা বেড়েছে। টোল প্লাজার সামনে সামান্য লাইনের সৃষ্টি হলেও গাড়িগুলো দ্রুত টোল পরিশোধ করে এগিয়ে যাচ্ছে।ফলে টোল প্লাজায় দীর্ঘক্ষণ যানবাহনের জট তৈরি হচ্ছে না। কিছু সময়ের জন্য টোল বুথগুলো ফাঁকাও দেখা যাচ্ছে। তবে একসঙ্গে কয়েকটি গাড়ি পৌঁছালে সাময়িক চাপ তৈরি হলেও তা দ্রুতই স্বাভাবিক হয়ে যাচ্ছে।</strong></p><p>এদিকে সকাল থেকেই পদ্মা সেতু পার হয়ে ঈদে বাড়ি ফিরছেন হাজারো মানুষ। দীর্ঘ ছুটি থাকায় অনেকে ধীরে ধীরে যাত্রা শুরু করায় সড়কে চাপ তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।মাওয়া ট্রাফিক জোনের টিআই জিয়াউল হক জিয়া জানান, পদ্মা সেতু দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। গাড়ির সংখ্যা কিছুটা বাড়লেও তা সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে।তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ ছুটির কারণে মানুষ ধাপে ধাপে বাড়ি ফিরছে। ফলে একসঙ্গে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে না, তাই বড় ধরনের যানজটের আশঙ্কা নেই।এর আগে, সোমবার (১৬ মার্চ) সন্ধ্যায় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম মাওয়া পদ্মা সেতু টোলপ্লাজা পরিদর্শন করেন।তিনি জানান, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে দেশের বিভিন্ন মহাসড়কে যানজটপ্রবণ ২৬০টি স্থান চিহ্নিত করে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো।মন্ত্রী বলেন, ঘরমুখো মানুষ যাতে নিরাপদ ও স্বস্তিতে যাতায়াত করতে পারেন, সে লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মাঠপর্যায়ে সেই প্রস্তুতি বাস্তবায়ন তদারকিতেই তার এই পরিদর্শন।তিনি আরও জানান, সড়কে যানবাহনের চাপ বাড়লেও বড় ধরনের কোনো সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই। ইতোমধ্যে গণপরিবহনে পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে এবং কোথাও সংকট নেই। ঈদের আগে ও পরে মোট আট দিন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি থাকবে। সড়ক বিভাগ, হাইওয়ে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছে।</p>

জেলার খবর

play storeapp store