ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৪ চৈত্র, ১৪৩২, ১৯ মার্চ ২০২৬

নবীনগরে শিশুদের মাঝে ইদের নতুন জামা বিতরণ

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

১৮ মার্চ ২০২৬, ০৫:০২ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

নবীনগরে শিশুদের মাঝে ইদের নতুন জামা বিতরণ

সঞ্জয় শীল | নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি |

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে নবীনগর সরকারি কলেজ মাঠে ২০১ জন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ইদের নতুন জামা-কাপড় বিতরণ করা হয়েছে। জানা যায়, এই নিয়ে তিনজন স্বেচ্ছাসেবি ও প্রচারবিমূখ আবদুর রহমান শাহ পরাণ, আবদুর রব টিটু ও সাবিহা আঞ্জুম নবম (৯ম) বারের মতো ( ১৮ বুধবার ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ) জামা-কাপড় বিতরণ করেছেন।

এছাড়া বিতরণ কার্যক্রমে স্বেচ্ছাসেবি হিসেবে রুদ্র, মোস্তফা, জুনাঈদ, রবিন, ইমরান, ও নিরব কাজ করেছেন।প্রতি বছরের ন্যায় এ বছর ইদ উপলক্ষে ইদের নতুন জামা পেয়ে খুশি শিশু-কিশোররা। উৎফুল্ল ও আনন্দিত শিশুদের কোলাহলে সরকারি কলেজ মাঠটিতে ভরে উঠেছিলো আনন্দের জোয়ারে। তুলি নামে একটি শিশু জানান, আমি নতুন জামা পেয়ে অনেক খুশি। বড় ভাইয়েরা আমাদেরকে কিনে দিয়েছে।আবদুর রহমান শাহ পরাণ জানান, আমরা কখনো-ই এ বিষয়ে প্রচার করতে ইচ্ছুক নই, আমাদের সাথে আরো যারা আছেন তারাও চান না এটি প্রচার হউক। আমরা শিশু-কিশোরদের মুখের হাসি আর সুন্দর ইদ উদযাপন দেখতে চাই। তবে আমাদের মতো অন্যরা উৎসাহিত হউক ও লোক দেখানোর কাজের বদলে সত্যিকার অর্থে-ই শিশুদের মুখে হাসি ফোটাক

<p><strong>নবীনগরে শিশুদের মাঝে ইদের নতুন জামা বিতরণ</strong></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>সঞ্জয় শীল | নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি |</strong></span></p><p><strong>ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে নবীনগর সরকারি কলেজ মাঠে ২০১ জন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ইদের নতুন জামা-কাপড় বিতরণ করা হয়েছে। জানা যায়, এই নিয়ে তিনজন স্বেচ্ছাসেবি ও প্রচারবিমূখ আবদুর রহমান শাহ পরাণ, আবদুর রব টিটু ও সাবিহা আঞ্জুম নবম (৯ম) বারের মতো ( ১৮ বুধবার ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ) জামা-কাপড় বিতরণ করেছেন।</strong></p><p>এছাড়া বিতরণ কার্যক্রমে স্বেচ্ছাসেবি হিসেবে রুদ্র, মোস্তফা, জুনাঈদ, রবিন, ইমরান, ও নিরব কাজ করেছেন।প্রতি বছরের ন্যায় এ বছর ইদ উপলক্ষে ইদের নতুন জামা পেয়ে খুশি শিশু-কিশোররা। উৎফুল্ল ও আনন্দিত শিশুদের কোলাহলে সরকারি কলেজ মাঠটিতে ভরে উঠেছিলো আনন্দের জোয়ারে। তুলি নামে একটি শিশু জানান, আমি নতুন জামা পেয়ে অনেক খুশি। বড় ভাইয়েরা আমাদেরকে কিনে দিয়েছে।আবদুর রহমান শাহ পরাণ জানান, আমরা কখনো-ই এ বিষয়ে প্রচার করতে ইচ্ছুক নই, আমাদের সাথে আরো যারা আছেন তারাও চান না এটি প্রচার হউক। আমরা শিশু-কিশোরদের মুখের হাসি আর সুন্দর ইদ উদযাপন দেখতে চাই। তবে আমাদের মতো অন্যরা উৎসাহিত হউক ও লোক দেখানোর কাজের বদলে সত্যিকার অর্থে-ই শিশুদের মুখে হাসি ফোটাক</p>

জেলার খবর

play storeapp store