ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৪ চৈত্র, ১৪৩২, ১৯ মার্চ ২০২৬

মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ সংলগ্ন ফুটপাথে ড্রেনের স্ল্যাব ভেঙে চরম ঝুঁকি

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

১৮ মার্চ ২০২৬, ০৮:২৮ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ সংলগ্ন ফুটপাথে ড্রেনের স্ল্যাব ভেঙে চরম ঝুঁকি

মনজু বিজয় চৌধুরী | মৌলভীবাজার |

মৌলভীবাজার জেলা বাংলাদেশের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র। মৌলভীবাজার শহরের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ সংলগ্ন সড়কের ফুটপাথে ড্রেনের স্ল্যাব ভেঙে পড়ায় সৃষ্টি হয়েছে চরম ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি। প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী, পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা এই পথ ব্যবহার করলেও দীর্ঘদিন ধরে ভাঙা স্ল্যাবটি সংস্কার না করায় জনমনে ক্ষোভ বিরাজ করছে।সরেজমিনে দেখা যায়, ফুটপাথের একটি বড় অংশের স্ল্যাব ভেঙে নিচে ড্রেন উন্মুক্ত হয়ে আছে। এতে যে কোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর ও বৃষ্টির সময় ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। সম্প্রতি মৌলভীবাজারের প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুল হামিদ মাহবুব তাঁর ভেরিফাইড ফেসবুক পোস্টে শহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন, যা ইতোমধ্যে সচেতন মহলের নজর কেড়েছে। তাঁর বর্ণনায় উঠে এসেছে মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ সংলগ্ন সড়কের একটি চিত্র।

স্থানে পলিথিন, প্লাস্টিকের বোতলসহ বিভিন্ন ধরনের আবর্জনা জমে থাকছে। এতে একদিকে যেমন ড্রেনের পানি আটকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, অন্যদিকে অসতর্কভাবে চলাচলকারী পথচারীদের দুর্ঘটনার ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে।কলেজের এক শিক্ষার্থীর মনি দাশ বলেন, “আমরা প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করি। স্ল্যাব ভাঙা থাকায় অনেক সময় হোঁচট খেতে হয়। রাতে তো একেবারেই দেখা যায় না, খুব ভয় লাগে।সাংবাদিক আব্দুল হামিদ মাহবুব জানান, তিনি নিজেই স্ল্যাবগুলো তুলতে চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু একার পক্ষে তা সম্ভব হয়নি। সহায়তার জন্য আশপাশের কয়েকজনকে ডাকলেও কেউ এগিয়ে আসেননি। তিনি স্মৃতিচারণ করে বলেন, ছোটবেলায় শিশু সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকাকালে এ ধরনের স্বেচ্ছাশ্রমমূলক কাজে অনেকবার অংশ নিয়েছেন—কখনো পুকুরের কচুরিপানা পরিষ্কার, কখনো রাস্তার পাশের ঝোপঝাড় ও আবর্জনা অপসারণ।স্থানীয় এক দোকানদার জামাল হোসেন জানান,“অনেকদিন ধরে এই অবস্থা। কয়েকবার ছোটখাটো দুর্ঘটনাও ঘটেছে। কিন্তু এখনো কেউ এসে ঠিক করেনি। পর্যটন শহর হিসেবে এটা খুবই দুঃখজনক।একজন পথচারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,“মৌলভীবাজারকে পর্যটন নগরী বলা হয়, কিন্তু শহরের এমন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় যদি এভাবে ফুটপাথ ভাঙা পড়ে থাকে, তাহলে বাইরে থেকে আসা মানুষ কী ধারণা নেবে?স্থানীয় এক অভিভাবক রুমেল মিয়া বলেন,“আমার ছেলে-মেয়ে কলেজে পড়ে। প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে যেতে হয়। যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে এটা নিয়ে আমরা খুব চিন্তিত।এদিকে সচেতন মহল বলছেন, মৌলভীবাজার একটি সম্ভাবনাময় পর্যটন জেলা হলেও শহরের অবকাঠামোগত এমন অবহেলা সামগ্রিক ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করছে। দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।মৌলভীবাজার পৌরসভার প্রশাসক মোঃ রুবেল মাহমুদ এর সাথে যোগাযোগের জন্য একাধিক মোবাইল নম্বরে বারবার চেষ্টা করা হলেও কোনো নম্বরেই সংযোগ পাওয়া যায়নি।

<p><strong>মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ সংলগ্ন ফুটপাথে ড্রেনের স্ল্যাব ভেঙে চরম ঝুঁকি</strong></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>মনজু বিজয় চৌধুরী | মৌলভীবাজার |</strong></span></p><p><strong>মৌলভীবাজার জেলা বাংলাদেশের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র। মৌলভীবাজার শহরের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ সংলগ্ন সড়কের ফুটপাথে ড্রেনের স্ল্যাব ভেঙে পড়ায় সৃষ্টি হয়েছে চরম ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি। প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী, পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা এই পথ ব্যবহার করলেও দীর্ঘদিন ধরে ভাঙা স্ল্যাবটি সংস্কার না করায় জনমনে ক্ষোভ বিরাজ করছে।সরেজমিনে দেখা যায়, ফুটপাথের একটি বড় অংশের স্ল্যাব ভেঙে নিচে ড্রেন উন্মুক্ত হয়ে আছে। এতে যে কোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর ও বৃষ্টির সময় ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। সম্প্রতি মৌলভীবাজারের প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুল হামিদ মাহবুব তাঁর ভেরিফাইড ফেসবুক পোস্টে শহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন, যা ইতোমধ্যে সচেতন মহলের নজর কেড়েছে। তাঁর বর্ণনায় উঠে এসেছে মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ সংলগ্ন সড়কের একটি চিত্র।</strong></p><p>স্থানে পলিথিন, প্লাস্টিকের বোতলসহ বিভিন্ন ধরনের আবর্জনা জমে থাকছে। এতে একদিকে যেমন ড্রেনের পানি আটকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, অন্যদিকে অসতর্কভাবে চলাচলকারী পথচারীদের দুর্ঘটনার ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে।কলেজের এক শিক্ষার্থীর মনি দাশ বলেন, “আমরা প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করি। স্ল্যাব ভাঙা থাকায় অনেক সময় হোঁচট খেতে হয়। রাতে তো একেবারেই দেখা যায় না, খুব ভয় লাগে।সাংবাদিক আব্দুল হামিদ মাহবুব জানান, তিনি নিজেই স্ল্যাবগুলো তুলতে চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু একার পক্ষে তা সম্ভব হয়নি। সহায়তার জন্য আশপাশের কয়েকজনকে ডাকলেও কেউ এগিয়ে আসেননি। তিনি স্মৃতিচারণ করে বলেন, ছোটবেলায় শিশু সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকাকালে এ ধরনের স্বেচ্ছাশ্রমমূলক কাজে অনেকবার অংশ নিয়েছেন—কখনো পুকুরের কচুরিপানা পরিষ্কার, কখনো রাস্তার পাশের ঝোপঝাড় ও আবর্জনা অপসারণ।স্থানীয় এক দোকানদার জামাল হোসেন জানান,“অনেকদিন ধরে এই অবস্থা। কয়েকবার ছোটখাটো দুর্ঘটনাও ঘটেছে। কিন্তু এখনো কেউ এসে ঠিক করেনি। পর্যটন শহর হিসেবে এটা খুবই দুঃখজনক।একজন পথচারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,“মৌলভীবাজারকে পর্যটন নগরী বলা হয়, কিন্তু শহরের এমন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় যদি এভাবে ফুটপাথ ভাঙা পড়ে থাকে, তাহলে বাইরে থেকে আসা মানুষ কী ধারণা নেবে?স্থানীয় এক অভিভাবক রুমেল মিয়া বলেন,“আমার ছেলে-মেয়ে কলেজে পড়ে। প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে যেতে হয়। যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে এটা নিয়ে আমরা খুব চিন্তিত।এদিকে সচেতন মহল বলছেন, মৌলভীবাজার একটি সম্ভাবনাময় পর্যটন জেলা হলেও শহরের অবকাঠামোগত এমন অবহেলা সামগ্রিক ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করছে। দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।মৌলভীবাজার পৌরসভার প্রশাসক মোঃ রুবেল মাহমুদ এর সাথে যোগাযোগের জন্য একাধিক মোবাইল নম্বরে বারবার চেষ্টা করা হলেও কোনো নম্বরেই সংযোগ পাওয়া যায়নি।</p>

জেলার খবর

play storeapp store