ঢাকা, শনিবার, ৬ চৈত্র, ১৪৩২, ২১ মার্চ ২০২৬

এনসিপি রংপুরে দ্বন্দ্ব চরমে,অভিযোগ তুলে পদত্যাগ যুগ্ম সদস্য সচিবের

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

২০ মার্চ ২০২৬, ০৪:১৫ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

এনসিপি রংপুরে দ্বন্দ্ব চরমে,অভিযোগ তুলে পদত্যাগ যুগ্ম সদস্য সচিবের

‎শফিকুজ্জামান সোহেল | রংপুর প্রতিনিধি |

‎দলীয় কমিটিতে জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের লোকজনকে অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ তুলে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) রংপুর জেলা কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব শেখ রেজওয়ান পদত্যাগ করেছেন। এতে জেলা কমিটিতে বিদ্যমান দ্বন্দ্ব আরও প্রকাশ্যে এসেছে।‎শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দলের সব পদ ও দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।

‎শেখ রেজওয়ান অভিযোগ করেন, এনসিপির রংপুর জেলা ও মহানগর কমিটির নেতৃত্বে এমন ব্যক্তিদের আনা হয়েছে, যারা জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। তার ভাষ্য, জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাই এখন নেতৃত্বে প্রাধান্য পাচ্ছেন।‎তিনি বলেন,বিপ্লবীদের দল হিসেবে পরিচিত একটি দলে আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন এমন ব্যক্তিদের নেতৃত্বে রাখা হলে সেই দলের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়।‎জেলা কমিটির অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিয়েও কথা বলেন তিনি। জানান, সদস্য সচিব এরশাদ হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ায় তাকে পদ থেকে সরানোর পর ওই পদ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। নিয়ম অনুযায়ী সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান মনিরের দায়িত্ব পাওয়ার কথা থাকলেও তিনি রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ান।‎তার দাবি, তিনি ১ নম্বর যুগ্ম সদস্য সচিব হলেও গ্রুপিংয়ের কারণে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি; বরং পদটি দীর্ঘদিন শূন্য রেখে দল পরিচালনা করা হচ্ছে। এছাড়া দলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সাদিয়া ফারজানা দিনা ও আসাদুল্লাহ আল গালিবের সঙ্গে দ্বন্দ্বের জেরে তাকে নেতৃত্ব থেকে সরানোর চেষ্টা চলছে।‎জেলা কমিটির আহ্বায়ক আল মামুনের বিরুদ্ধেও অভিযোগ এনে তিনি বলেন, দলে গ্রুপিং ও বিভাজন চরম আকার ধারণ করেছে। ‘ছোটরা বড়দের সম্মান করে না, দলীয় শৃঙ্খলা নেই। বিভিন্ন দলের লোক দলে ঢুকে পড়ায় সংকট তৈরি হয়েছে,’ বলেন তিনি।উল্লেখ্য, গত বছরের ২ ডিসেম্বর আল মামুনকে আহ্বায়ক ও এরশাদ হোসেনকে সদস্য সচিব করে এনসিপির রংপুর জেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। পরে জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদের পর এরশাদ হোসেনকে ওই পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় এবং তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়।‎এ বিষয়ে জানতে আহ্বায়ক আল মামুনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

<p>এনসিপি রংপুরে দ্বন্দ্ব চরমে,অভিযোগ তুলে পদত্যাগ যুগ্ম সদস্য সচিবের</p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>‎শফিকুজ্জামান সোহেল | রংপুর প্রতিনিধি |</strong></span></p><p><strong>‎দলীয় কমিটিতে জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের লোকজনকে অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ তুলে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) রংপুর জেলা কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব শেখ রেজওয়ান পদত্যাগ করেছেন। এতে জেলা কমিটিতে বিদ্যমান দ্বন্দ্ব আরও প্রকাশ্যে এসেছে।‎শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দলের সব পদ ও দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।</strong></p><p>‎শেখ রেজওয়ান অভিযোগ করেন, এনসিপির রংপুর জেলা ও মহানগর কমিটির নেতৃত্বে এমন ব্যক্তিদের আনা হয়েছে, যারা জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। তার ভাষ্য, জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাই এখন নেতৃত্বে প্রাধান্য পাচ্ছেন।‎তিনি বলেন,বিপ্লবীদের দল হিসেবে পরিচিত একটি দলে আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন এমন ব্যক্তিদের নেতৃত্বে রাখা হলে সেই দলের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়।‎জেলা কমিটির অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিয়েও কথা বলেন তিনি। জানান, সদস্য সচিব এরশাদ হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ায় তাকে পদ থেকে সরানোর পর ওই পদ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। নিয়ম অনুযায়ী সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান মনিরের দায়িত্ব পাওয়ার কথা থাকলেও তিনি রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ান।‎তার দাবি, তিনি ১ নম্বর যুগ্ম সদস্য সচিব হলেও গ্রুপিংয়ের কারণে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি; বরং পদটি দীর্ঘদিন শূন্য রেখে দল পরিচালনা করা হচ্ছে। এছাড়া দলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সাদিয়া ফারজানা দিনা ও আসাদুল্লাহ আল গালিবের সঙ্গে দ্বন্দ্বের জেরে তাকে নেতৃত্ব থেকে সরানোর চেষ্টা চলছে।‎জেলা কমিটির আহ্বায়ক আল মামুনের বিরুদ্ধেও অভিযোগ এনে তিনি বলেন, দলে গ্রুপিং ও বিভাজন চরম আকার ধারণ করেছে। ‘ছোটরা বড়দের সম্মান করে না, দলীয় শৃঙ্খলা নেই। বিভিন্ন দলের লোক দলে ঢুকে পড়ায় সংকট তৈরি হয়েছে,’ বলেন তিনি।উল্লেখ্য, গত বছরের ২ ডিসেম্বর আল মামুনকে আহ্বায়ক ও এরশাদ হোসেনকে সদস্য সচিব করে এনসিপির রংপুর জেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। পরে জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদের পর এরশাদ হোসেনকে ওই পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় এবং তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়।‎এ বিষয়ে জানতে আহ্বায়ক আল মামুনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।</p>

জেলার খবর

play storeapp store