ঢাকা, মঙ্গলবার, ৯ চৈত্র, ১৪৩২, ২৪ মার্চ ২০২৬

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ব্যবসায়ীকে বেঁধে সাড়ে ৫ লাখ টাকা ছিনতাই-ছিনতাইকারীদেত গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

২৩ মার্চ ২০২৬, ০৩:৩০ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ব্যবসায়ীকে বেঁধে সাড়ে ৫ লাখ টাকা ছিনতাই-ছিনতাইকারীদেত গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন

‎স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | শফিকুল ইসলাম শফিক |

‎সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলায় সামরান মিয়া(২৬) নামের স্থানীয় বিকাশ এজেন্ট ও মুদি মাল ব্যবসায়ীকে হাত-পা ও লিঙ্গ দিয়ে মাথসহ মুখ বেঁধে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ছিনতাইকারী খালেক বাহিনী বিরুদ্ধে।২২ (মার্চ)রবিবার দুপুরে জামতলা বাজারে ৪নং বড়দল উত্তর ইউনিয়ন বাসীর আয়োজনে ছিনতাইকারী বাহিনীর প্রধান খালেক বাহিনীর সকল সদস্যদের দ্রুত গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন পালন করে।‎এ সময় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ভুক্তভোগীর পিতা জহুর মিয়া, স্থানীয় বাসিন্দা হামিদ মিয়া, মোস্তফা, আলী হোসেন, রোমান মিয়া প্রমুখ।উল্লেখ্য ‎গতকাল ২১ মার্চ শনিবার ঈদের রাত ৮ টার সময় স্থানীয় জামতলা বাজারে থাকা সামরানের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বাড়ি যাওয়ার সময় উপজেলার ০৪নং বড়দল উত্তর ইউনিয়নের খাগাইল সোনাপুর জামতলা হইতে আমবাড়ী যাওয়ার কাঁচা রাস্তার ব্রীজের উপর এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর পরেই ছিনতাইকারী খালেকসহ তার বাহিনীর সকল সদস্য গা ডাকা দেয়। ঘটনার পর থেকেই স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ছিনতাইয়ের শিকার সামরান উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের আমবাড়ী গ্রামের জহুর মিয়ার ছেলে।

‎এ ঘটনায় রাতেই ভুক্তভোগী সামরান বাদি হয়ে পার্শ্ববর্তী বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়নের কুকুরকান্দি গ্রামে মুছন আলীর ছেলে ছি*ন*তাই*কারী বাহিনীর প্রধান খালেক মিয়া(৪৫) তার ছেলে আকাশ মিয়া(২২), সোনাপুর গ্রামের গাজী মিয়ার ছেলে মিন্নত আলী (২৫), সোনা মিয়ার ছেলে সুহেল মিয়া(২৮) এর নাম উল্লেখ করে এবং আরও ২/৩ জনকে অজ্ঞাত রেখে তাহিরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পার্শ্ববর্তী বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়নের কুকুরকান্দি গ্রামে মুছন আলীর ছেলে খালেক মিয়া(৪৫) তার ছেলে আকাশ মিয়া(২২), সোনাপুর গ্রামের গাজী মিয়ার ছেলে মিন্নত আলী (২৫), সোনা মিয়ার ছেলে সুহেল মিয়া(২৮)সহ ১০/১৫ জনের একটি গ্রুপ দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসাসহ চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন অ*প*রা*ধ কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। এই খালেক বাহিনীর অত্যাচার এই এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ। বিগত ৫ আগস্ট এর পর ওই বাহিনীর প্রধান খালেক ছাড়া সবাই গা ডাকা দিয়ে ‎ঢাকার শ্যামপুর চলে যায়। ওই বাহিনীর সবাই ঈদের দুদিন আগে বাড়ি আসে। বাড়িতে এসেই এই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটিয়ে রাতেই ঢাকায় চলে যায়। এই ছি*ন*তাই*কারী বাহিনীর সদস্যদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় না আনলে এই গ্রামাঞ্চলেও নিরাপদে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসাবাণিজ্য শেষে টাকাপয়সা নিয়ে বাড়ি ফিরতেও ভয় আর আতঙ্কের মধ্যে থাকবে।‎উল্লেখ: গতকাল শনিবার ঈদের দিন বিকাশ লেনদেন ও দোকানের বেচা বিক্রি শেষে রাত সাড়ে ৭ টায় দোকান বন্ধ করে ঘুরি ঘুরি বৃষ্টির মধ্যে ‎পায়ে হেঁটে নিজ বাড়ীর আমবাড়ীর উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয় সামরান। জামতলা হইতে আমবাড়ী মাদ্রাসার সংলগ্ন কাঁচা রাস্তায় ব্রীজের উপর পৌঁছামাত্রই পূর্ব হইতে ওৎ পেতে থাকা খালেক, আকাশ, মিন্নত আলী,সুহেলসহ ১০/১২ জনের একটি গ্রুপ কোনকিছু বুঝার আগেই লুঙ্গি দিয়ে মাতাসহ ‎সামরানের মুখ বেঁধে ফেলে । এ সময় ছিনতাইকারীরা সামরানের হাত-পা রশি দিয়ে বেঁধে এলোপাতাড়ি মারধর করে সামরানের গলায় ঝুলানো টাকার ব্যাগ নিয়ে যায়। পরে তার ডাকচিৎকারে স্থানীয় লোকজন এসে আহত অবস্থায় ওই ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করে। এ বিষয়ে তাহিরপুর থানার ওসি আমিনুর ইসলাম বলেন, তবে ঘটনা ছিনতাই কি না জানিনা। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী নিজেই বাদি হয়ে একটি লিখতে অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত করছে। তদন্ত পূর্ব পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

<p><strong>সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ব্যবসায়ীকে বেঁধে সাড়ে ৫ লাখ টাকা ছিনতাই-ছিনতাইকারীদেত গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন</strong></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>‎স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | শফিকুল ইসলাম শফিক |</strong></span></p><p><strong>‎সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলায় সামরান মিয়া(২৬) নামের স্থানীয় বিকাশ এজেন্ট ও মুদি মাল ব্যবসায়ীকে হাত-পা ও লিঙ্গ দিয়ে মাথসহ মুখ বেঁধে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ছিনতাইকারী খালেক বাহিনী বিরুদ্ধে।২২ (মার্চ)রবিবার দুপুরে জামতলা বাজারে ৪নং বড়দল উত্তর ইউনিয়ন বাসীর আয়োজনে ছিনতাইকারী বাহিনীর প্রধান খালেক বাহিনীর সকল সদস্যদের দ্রুত গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন পালন করে।‎এ সময় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ভুক্তভোগীর পিতা জহুর মিয়া, স্থানীয় বাসিন্দা হামিদ মিয়া, মোস্তফা, আলী হোসেন, রোমান মিয়া প্রমুখ।উল্লেখ্য ‎গতকাল ২১ মার্চ শনিবার ঈদের রাত ৮ টার সময় স্থানীয় জামতলা বাজারে থাকা সামরানের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বাড়ি যাওয়ার সময় উপজেলার ০৪নং বড়দল উত্তর ইউনিয়নের খাগাইল সোনাপুর জামতলা হইতে আমবাড়ী যাওয়ার কাঁচা রাস্তার ব্রীজের উপর এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর পরেই ছিনতাইকারী খালেকসহ তার বাহিনীর সকল সদস্য গা ডাকা দেয়। ঘটনার পর থেকেই স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ছিনতাইয়ের শিকার সামরান উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের আমবাড়ী গ্রামের জহুর মিয়ার ছেলে।</strong></p><p>‎এ ঘটনায় রাতেই ভুক্তভোগী সামরান বাদি হয়ে পার্শ্ববর্তী বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়নের কুকুরকান্দি গ্রামে মুছন আলীর ছেলে ছি*ন*তাই*কারী বাহিনীর প্রধান খালেক মিয়া(৪৫) তার ছেলে আকাশ মিয়া(২২), সোনাপুর গ্রামের গাজী মিয়ার ছেলে মিন্নত আলী (২৫), সোনা মিয়ার ছেলে সুহেল মিয়া(২৮) এর নাম উল্লেখ করে এবং আরও ২/৩ জনকে অজ্ঞাত রেখে তাহিরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পার্শ্ববর্তী বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়নের কুকুরকান্দি গ্রামে মুছন আলীর ছেলে খালেক মিয়া(৪৫) তার ছেলে আকাশ মিয়া(২২), সোনাপুর গ্রামের গাজী মিয়ার ছেলে মিন্নত আলী (২৫), সোনা মিয়ার ছেলে সুহেল মিয়া(২৮)সহ ১০/১৫ জনের একটি গ্রুপ দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসাসহ চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন অ*প*রা*ধ কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। এই খালেক বাহিনীর অত্যাচার এই এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ। বিগত ৫ আগস্ট এর পর ওই বাহিনীর প্রধান খালেক ছাড়া সবাই গা ডাকা দিয়ে ‎ঢাকার শ্যামপুর চলে যায়। ওই বাহিনীর সবাই ঈদের দুদিন আগে বাড়ি আসে। বাড়িতে এসেই এই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটিয়ে রাতেই ঢাকায় চলে যায়। এই ছি*ন*তাই*কারী বাহিনীর সদস্যদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় না আনলে এই গ্রামাঞ্চলেও নিরাপদে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসাবাণিজ্য শেষে টাকাপয়সা নিয়ে বাড়ি ফিরতেও ভয় আর আতঙ্কের মধ্যে থাকবে।‎উল্লেখ: গতকাল শনিবার ঈদের দিন বিকাশ লেনদেন ও দোকানের বেচা বিক্রি শেষে রাত সাড়ে ৭ টায় দোকান বন্ধ করে ঘুরি ঘুরি বৃষ্টির মধ্যে ‎পায়ে হেঁটে নিজ বাড়ীর আমবাড়ীর উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয় সামরান। জামতলা হইতে আমবাড়ী মাদ্রাসার সংলগ্ন কাঁচা রাস্তায় ব্রীজের উপর পৌঁছামাত্রই পূর্ব হইতে ওৎ পেতে থাকা খালেক, আকাশ, মিন্নত আলী,সুহেলসহ ১০/১২ জনের একটি গ্রুপ কোনকিছু বুঝার আগেই লুঙ্গি দিয়ে মাতাসহ ‎সামরানের মুখ বেঁধে ফেলে । এ সময় ছিনতাইকারীরা সামরানের হাত-পা রশি দিয়ে বেঁধে এলোপাতাড়ি মারধর করে সামরানের গলায় ঝুলানো টাকার ব্যাগ নিয়ে যায়। পরে তার ডাকচিৎকারে স্থানীয় লোকজন এসে আহত অবস্থায় ওই ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করে। এ বিষয়ে তাহিরপুর থানার ওসি আমিনুর ইসলাম বলেন, তবে ঘটনা ছিনতাই কি না জানিনা। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী নিজেই বাদি হয়ে একটি লিখতে অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত করছে। তদন্ত পূর্ব পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।</p>

জেলার খবর

play storeapp store