ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১১ চৈত্র, ১৪৩২, ২৬ মার্চ ২০২৬

ঈদের পঞ্চম দিনেও রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রে উপচে পড়া ভিড়,উৎসবমুখর নগরী

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

২৫ মার্চ ২০২৬, ০৬:২৭ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

ঈদের পঞ্চম দিনেও রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রে উপচে পড়া ভিড়,উৎসবমুখর নগরী

‎শফিকুজ্জামান সোহেল | ‎রংপুর প্রতিনিধি |

‎ঈদ-উল-ফিতরের পঞ্চম দিনেও রংপুরের বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসা মানুষের সরব উপস্থিতিতে মুখর ছিল নগরীর পার্ক, চিড়িয়াখানা ও দর্শনীয় স্থানগুলো।‎ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে নগরীর চিড়িয়াখানা, শিশু পার্ক, চিকলি ওয়াটার পার্ক, তাজহাট জমিদার বাড়ি ও জাদুঘর, শিরিন পার্ক, প্রয়াস বিনোদন পার্ক, কালেক্টরেট সুরভি উদ্যান ও টাউনহল চত্বরসহ আশপাশের বিভিন্ন স্পটে মানুষের ঢল নামে। এছাড়া নগরীর বাইরে গঞ্জিপুরের ভিন্ন জগৎ, পীরগঞ্জের আনন্দ নগর, কাউনিয়ার তিস্তা পার্ক, মহিপুর ঘাট ও তিস্তা সেতুতেও ছিল ব্যাপক ভিড়।‎সরেজমিনে দেখা যায়, অধিকাংশ বিনোদন কেন্দ্রের প্রবেশপথে দীর্ঘ লাইন। শিশুদের নিয়ে ঘুরতে আসা পরিবারের সংখ্যাই ছিল বেশি। ঈদের পর থেকে কিছুটা ঠান্ডা ও স্নিগ্ধ আবহাওয়া থাকায় শিশু-কিশোরদের আনন্দ-উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো।

‎দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রংপুর চিড়িয়াখানায়ও একই চিত্র দেখা যায়। বেঙ্গল টাইগার, সিংহ, জলহস্তী, হরিণ, বানরসহ বিভিন্ন প্রাণীর খাঁচার সামনে ছিল দর্শনার্থীদের ভিড়। শিশু পার্কেও অর্ধশতাধিক রাইডে চড়তে টিকিট কাউন্টারে ছিল দীর্ঘ লাইন। বিশেষ করে নৌকার আদলে তৈরি ‘রোস্টার’ রাইডে শিশুদের উচ্ছ্বাস ছিল বেশি।‎চিকলি ওয়াটার পার্কেও দর্শনার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। ভাসমান ওয়াটার পার্ক, নাগরদোলা, কৃত্রিম ঝর্ণা ও শিশুদের খেলাধুলার জায়গাগুলোতে ছিল বাড়তি ভিড়। অন্যদিকে, ইতিহাসপ্রেমীদের আকর্ষণের কেন্দ্র তাজহাট জমিদার বাড়ি ও জাদুঘরেও ছিল সব বয়সী মানুষের পদচারণা।দর্শনার্থী মাইশা জানান,ঈদে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসার আনন্দই আলাদা। সবাই মিলে সময় কাটাতে খুব ভালো লাগছে।খোরশেদ আলম সাগরও একই অভিজ্ঞতার কথা জানান।‎চিড়িয়াখানায় ঘুরতে আসা হুমায়ুন আহাম্মেদ বলেন,ছোট বাচ্চাদের নিয়ে এসেছি। বাঘ, সিংহ আর জলহস্তী দেখে তারা খুব খুশি।” শিশু পার্কে ঘুরতে আসা হজরত আলী জানান, তার ছেলে প্রতিটি রাইডেই উঠে বেশ আনন্দ পেয়েছে।‎মিঠাপুকুরের ফকিরবাড়ি পল্লি জাদুঘরের উদ্যোক্তা লেখক আদিল ফকির জানান, জাদুঘরের কাজ পুরোপুরি শেষ না হলেও পরীক্ষামূলকভাবে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। ঈদের পর থেকেই ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।‎এদিকে, ঈদ উপলক্ষে নিরাপত্তা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ মজিদ আলী জানান, ইউনিফর্মধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্ট, ফুট প্যাট্রোল ও মোবাইল টিম মোতায়েন রয়েছে।‎রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি আমিনুল ইসলাম বলেন, “বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। এবারের ঈদে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।সব মিলিয়ে, অনুকূল আবহাওয়া ও উৎসবের আমেজে এবারের ঈদে রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো পরিণত হয়েছে আনন্দের মিলনমেলায়।

<p><span style="color: rgb(0, 0, 0);"><strong>ঈদের পঞ্চম দিনেও রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রে উপচে পড়া ভিড়,উৎসবমুখর নগরী</strong></span></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>‎শফিকুজ্জামান সোহেল | ‎রংপুর প্রতিনিধি |</strong></span></p><p><strong>‎ঈদ-উল-ফিতরের পঞ্চম দিনেও রংপুরের বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসা মানুষের সরব উপস্থিতিতে মুখর ছিল নগরীর পার্ক, চিড়িয়াখানা ও দর্শনীয় স্থানগুলো।‎ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে নগরীর চিড়িয়াখানা, শিশু পার্ক, চিকলি ওয়াটার পার্ক, তাজহাট জমিদার বাড়ি ও জাদুঘর, শিরিন পার্ক, প্রয়াস বিনোদন পার্ক, কালেক্টরেট সুরভি উদ্যান ও টাউনহল চত্বরসহ আশপাশের বিভিন্ন স্পটে মানুষের ঢল নামে। এছাড়া নগরীর বাইরে গঞ্জিপুরের ভিন্ন জগৎ, পীরগঞ্জের আনন্দ নগর, কাউনিয়ার তিস্তা পার্ক, মহিপুর ঘাট ও তিস্তা সেতুতেও ছিল ব্যাপক ভিড়।‎সরেজমিনে দেখা যায়, অধিকাংশ বিনোদন কেন্দ্রের প্রবেশপথে দীর্ঘ লাইন। শিশুদের নিয়ে ঘুরতে আসা পরিবারের সংখ্যাই ছিল বেশি। ঈদের পর থেকে কিছুটা ঠান্ডা ও স্নিগ্ধ আবহাওয়া থাকায় শিশু-কিশোরদের আনন্দ-উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো।</strong></p><p>‎দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রংপুর চিড়িয়াখানায়ও একই চিত্র দেখা যায়। বেঙ্গল টাইগার, সিংহ, জলহস্তী, হরিণ, বানরসহ বিভিন্ন প্রাণীর খাঁচার সামনে ছিল দর্শনার্থীদের ভিড়। শিশু পার্কেও অর্ধশতাধিক রাইডে চড়তে টিকিট কাউন্টারে ছিল দীর্ঘ লাইন। বিশেষ করে নৌকার আদলে তৈরি ‘রোস্টার’ রাইডে শিশুদের উচ্ছ্বাস ছিল বেশি।‎চিকলি ওয়াটার পার্কেও দর্শনার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। ভাসমান ওয়াটার পার্ক, নাগরদোলা, কৃত্রিম ঝর্ণা ও শিশুদের খেলাধুলার জায়গাগুলোতে ছিল বাড়তি ভিড়। অন্যদিকে, ইতিহাসপ্রেমীদের আকর্ষণের কেন্দ্র তাজহাট জমিদার বাড়ি ও জাদুঘরেও ছিল সব বয়সী মানুষের পদচারণা।দর্শনার্থী মাইশা জানান,ঈদে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসার আনন্দই আলাদা। সবাই মিলে সময় কাটাতে খুব ভালো লাগছে।খোরশেদ আলম সাগরও একই অভিজ্ঞতার কথা জানান।‎চিড়িয়াখানায় ঘুরতে আসা হুমায়ুন আহাম্মেদ বলেন,ছোট বাচ্চাদের নিয়ে এসেছি। বাঘ, সিংহ আর জলহস্তী দেখে তারা খুব খুশি।” শিশু পার্কে ঘুরতে আসা হজরত আলী জানান, তার ছেলে প্রতিটি রাইডেই উঠে বেশ আনন্দ পেয়েছে।‎মিঠাপুকুরের ফকিরবাড়ি পল্লি জাদুঘরের উদ্যোক্তা লেখক আদিল ফকির জানান, জাদুঘরের কাজ পুরোপুরি শেষ না হলেও পরীক্ষামূলকভাবে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। ঈদের পর থেকেই ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।‎এদিকে, ঈদ উপলক্ষে নিরাপত্তা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ মজিদ আলী জানান, ইউনিফর্মধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্ট, ফুট প্যাট্রোল ও মোবাইল টিম মোতায়েন রয়েছে।‎রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি আমিনুল ইসলাম বলেন, “বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। এবারের ঈদে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।সব মিলিয়ে, অনুকূল আবহাওয়া ও উৎসবের আমেজে এবারের ঈদে রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো পরিণত হয়েছে আনন্দের মিলনমেলায়।</p>

জেলার খবর

play storeapp store