ঢাকা, শনিবার, ১৩ চৈত্র, ১৪৩২, ২৮ মার্চ ২০২৬

২ লাখ টন এলএনজি'র বড় চালান নিয়ে চট্টগ্রামে আসছে ৩ জাহাজ

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

২৭ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪২ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

২ লাখ টন এলএনজি'র বড় চালান নিয়ে চট্টগ্রামে আসছে ৩ জাহাজ

এনামুল হক রাশেদী | চট্টগ্রাম |

পাঁচ দিনের মধ্যে প্রায় দুই লাখ টন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) নিয়ে তিনটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ছে। এর মধ্যে একটি জাহাজ ইতোমধ্যে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় পৌঁছেছে, আর বাকি দুটি আগামী বুধবারের মধ্যে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তিনটি জাহাজে মোট এলএনজির পরিমাণ প্রায় ১ লাখ ৯৩ হাজার টন।চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, অস্ট্রেলিয়া থেকে ৬১ হাজার ৯৯৭ টন এলএনজি নিয়ে ‘এইচএল পাফিন’ নামের ট্যাংকার বৃহস্পতিবার কুতুবদিয়া উপকূলে পৌঁছেছে।

এছাড়া ইন্দোনেশিয়া থেকে ৬১ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘নিউ ব্রেভ’ এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ৭০ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘সেলসিয়াস গ্যালাপাগোস’ নামের আরও দুটি জাহাজ আগামী বুধবারের মধ্যে বন্দরে পৌঁছাবে।জাহাজ দুটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট ইউনি গ্লোবাল বিজনেস লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ উপমহাব্যবস্থাপক মো. নুরুল আলম জানান, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ট্যাংকার দুটি সময়মতো পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।বাংলাদেশে আমদানি করা এলএনজির প্রায় ৭০ শতাংশ আসে কাতার থেকে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এই সরবরাহে কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কাতার থেকে এ মাসের মাঝামাঝি সময়ে দুটি এলএনজি ট্যাংকার আসার কথা থাকলেও তা আসেনি। এর মধ্যে একটি ট্যাংকার রাস লাফান বন্দর থেকে এলএনজি বোঝাই অবস্থায় এখনো আটকে রয়েছে।রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলা এলএনজি আমদানি করে থাকে। সংস্থাটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার মধ্যে বিকল্প উৎস থেকে এলএনজি সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি ঘিরে পরিস্থিতি সত্ত্বেও আপাতত বড় ধরনের সরবরাহ সংকট হবে না বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

<p><strong>২ লাখ টন এলএনজি'র বড় চালান নিয়ে চট্টগ্রামে আসছে ৩ জাহাজ</strong></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>এনামুল হক রাশেদী | চট্টগ্রাম |</strong></span></p><p><strong>পাঁচ দিনের মধ্যে প্রায় দুই লাখ টন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) নিয়ে তিনটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ছে। এর মধ্যে একটি জাহাজ ইতোমধ্যে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় পৌঁছেছে, আর বাকি দুটি আগামী বুধবারের মধ্যে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তিনটি জাহাজে মোট এলএনজির পরিমাণ প্রায় ১ লাখ ৯৩ হাজার টন।চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, অস্ট্রেলিয়া থেকে ৬১ হাজার ৯৯৭ টন এলএনজি নিয়ে ‘এইচএল পাফিন’ নামের ট্যাংকার বৃহস্পতিবার কুতুবদিয়া উপকূলে পৌঁছেছে।</strong></p><p>এছাড়া ইন্দোনেশিয়া থেকে ৬১ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘নিউ ব্রেভ’ এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ৭০ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘সেলসিয়াস গ্যালাপাগোস’ নামের আরও দুটি জাহাজ আগামী বুধবারের মধ্যে বন্দরে পৌঁছাবে।জাহাজ দুটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট ইউনি গ্লোবাল বিজনেস লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ উপমহাব্যবস্থাপক মো. নুরুল আলম জানান, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ট্যাংকার দুটি সময়মতো পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।বাংলাদেশে আমদানি করা এলএনজির প্রায় ৭০ শতাংশ আসে কাতার থেকে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এই সরবরাহে কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কাতার থেকে এ মাসের মাঝামাঝি সময়ে দুটি এলএনজি ট্যাংকার আসার কথা থাকলেও তা আসেনি। এর মধ্যে একটি ট্যাংকার রাস লাফান বন্দর থেকে এলএনজি বোঝাই অবস্থায় এখনো আটকে রয়েছে।রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলা এলএনজি আমদানি করে থাকে। সংস্থাটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার মধ্যে বিকল্প উৎস থেকে এলএনজি সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি ঘিরে পরিস্থিতি সত্ত্বেও আপাতত বড় ধরনের সরবরাহ সংকট হবে না বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।</p>

জেলার খবর

play storeapp store