ঢাকা, বুধবার, ১৮ বৈশাখ, ১৪৩৩, ১ এপ্রিল ২০২৬

রংপুরে তেল সংকট: লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা, প্রতিদিন নষ্ট ৫০ হাজার কর্মঘণ্টা

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

৩১ মার্চ ২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

রংপুরে তেল সংকট: লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা, প্রতিদিন নষ্ট ৫০ হাজার কর্মঘণ্টা

‎শফিকুজ্জামান সোহেল | রংপুর প্রতিনিধি |

রংপুরে চলমান জ্বালানি তেল সংকট জনজীবনে মারাত্মক ভোগান্তি সৃষ্টি করেছে। মোটরসাইকেল চালকসহ সাধারণ মানুষকে তেল সংগ্রহে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। এতে প্রতিদিন জেলায় প্রায় ৫০ হাজার কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের।‎পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলা প্রশাসন জেলার ৮৫টি ফিলিং স্টেশনে ৮৫ জন কর্মকর্তাকে ‘ট্যাগ অফিসার’ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল থেকে তারা দায়িত্ব পালন শুরু করলেও পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইনের চিত্রে তেমন পরিবর্তন আসেনি।‎গঙ্গাচড়া সদর এলাকার বাসিন্দা আব্দুল জব্বার জানান, প্রতিদিন মোটরসাইকেলে ১২-১৪ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে রংপুর শহরে কর্মস্থলে যেতে হয় তাকে।

সোমবার সকাল ৮টায় একটি পাম্পে লাইনে দাঁড়িয়ে প্রায় দেড় ঘণ্টা অপেক্ষার পর তেল পান।একই ধরনের দুর্ভোগের কথা জানান বেসরকারি চাকরিজীবী আব্দুর রহিম। তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও তেল না পেয়ে শেষ পর্যন্ত রিকশা ও অটোরিকশার ওপর নির্ভর করতে হয়েছে।‎পাম্প মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রংপুরে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে। প্রতিটি চালক যদি গড়ে এক ঘণ্টা করে সময় নষ্ট করেন, তবে প্রতিদিন বিপুল কর্মঘণ্টা অপচয় হওয়া স্বাভাবিক।‎খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, এখনো পাম্পগুলোতে তেলের সংকট কাটেনি। সকাল থেকেই বিভিন্ন পাম্পে শত শত যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তেল না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন।‎মেঘনা ডিপোর ইনচার্জ জাকির হোসেন পাটোয়ারী জানান, আগে পাম্পগুলো সপ্তাহে দুইবার পেট্রোল-অকটেন সংগ্রহ করত। বর্তমানে প্রতিদিন চাহিদা থাকলেও সেই অনুপাতে সরবরাহ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না, ফলে সংকট আরও তীব্র হচ্ছে।‎জেলা প্রশাসক এনামুল আহসান বলেন, জ্বালানি বিপণন স্বাভাবিক রাখতে ট্যাগ অফিসাররা প্রতিদিন ফিলিং স্টেশনগুলোতে তদারকি করছেন।

<p><strong>রংপুরে তেল সংকট: লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা, প্রতিদিন নষ্ট ৫০ হাজার কর্মঘণ্টা</strong></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>‎শফিকুজ্জামান সোহেল | রংপুর প্রতিনিধি |</strong></span></p><p><strong>রংপুরে চলমান জ্বালানি তেল সংকট জনজীবনে মারাত্মক ভোগান্তি সৃষ্টি করেছে। মোটরসাইকেল চালকসহ সাধারণ মানুষকে তেল সংগ্রহে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। এতে প্রতিদিন জেলায় প্রায় ৫০ হাজার কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের।‎পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলা প্রশাসন জেলার ৮৫টি ফিলিং স্টেশনে ৮৫ জন কর্মকর্তাকে ‘ট্যাগ অফিসার’ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল থেকে তারা দায়িত্ব পালন শুরু করলেও পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইনের চিত্রে তেমন পরিবর্তন আসেনি।‎গঙ্গাচড়া সদর এলাকার বাসিন্দা আব্দুল জব্বার জানান, প্রতিদিন মোটরসাইকেলে ১২-১৪ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে রংপুর শহরে কর্মস্থলে যেতে হয় তাকে।</strong></p><p>সোমবার সকাল ৮টায় একটি পাম্পে লাইনে দাঁড়িয়ে প্রায় দেড় ঘণ্টা অপেক্ষার পর তেল পান।একই ধরনের দুর্ভোগের কথা জানান বেসরকারি চাকরিজীবী আব্দুর রহিম। তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও তেল না পেয়ে শেষ পর্যন্ত রিকশা ও অটোরিকশার ওপর নির্ভর করতে হয়েছে।‎পাম্প মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রংপুরে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে। প্রতিটি চালক যদি গড়ে এক ঘণ্টা করে সময় নষ্ট করেন, তবে প্রতিদিন বিপুল কর্মঘণ্টা অপচয় হওয়া স্বাভাবিক।‎খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, এখনো পাম্পগুলোতে তেলের সংকট কাটেনি। সকাল থেকেই বিভিন্ন পাম্পে শত শত যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তেল না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন।‎মেঘনা ডিপোর ইনচার্জ জাকির হোসেন পাটোয়ারী জানান, আগে পাম্পগুলো সপ্তাহে দুইবার পেট্রোল-অকটেন সংগ্রহ করত। বর্তমানে প্রতিদিন চাহিদা থাকলেও সেই অনুপাতে সরবরাহ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না, ফলে সংকট আরও তীব্র হচ্ছে।‎জেলা প্রশাসক এনামুল আহসান বলেন, জ্বালানি বিপণন স্বাভাবিক রাখতে ট্যাগ অফিসাররা প্রতিদিন ফিলিং স্টেশনগুলোতে তদারকি করছেন।</p>

জেলার খবর

play storeapp store