ঢাকা, বুধবার, ১৮ বৈশাখ, ১৪৩৩, ১ এপ্রিল ২০২৬

টেস্ট পরীক্ষায় পাস করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে কলেজ শিক্ষার্থীদের সাথে প্রতারণা

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

৩১ মার্চ ২০২৬, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

টেস্ট পরীক্ষায় পাস করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে কলেজ শিক্ষার্থীদের সাথে প্রতারণা

সঞ্জয় শীল | নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি |

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর সরকারি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের টেস্ট পরীক্ষায় ফেল করলেও পাস করিয়ে দেয়ার আশ্বাস দিয়ে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উক্ত কলেজের অফিস সহায়ক রাজীব আহামেদ ও নৈশ প্রহরী শামিম মিয়ার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রভাষক সাইদুল ইসলাম খানকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থীর অভিযোগ তারা টেস্ট পরীক্ষায় ফেল করার ভয়ে আর নৈশ প্রহরী শামিমের খপ্পরে টাকা দিয়েছেন।

এদিকে অভিযুক্ত অফিস সহায়ক রাজীব আহামেদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,নৈশপ্রহরী সামিম ভাই আমাকে বলেছেন কিছু শিক্ষার্থী পাস করানোর জন্য তার কাছে নিয়ে যেতে। পরে আমি প্রায় ১০ জন শিক্ষার্থীকে তার কাছে নিয়ে যাই। তখন তিনি তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন।অভিযুক্ত নৈশপ্রহরী সামিম মিয়ার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।নবীনগর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ একেএম রেজাউল করিম বলেন, আমি ঘটনাটি শুনেছি এবং রসায়ন বিভাগের শিক্ষককে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা এখনও সরাসরি আমার কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

<p><strong>টেস্ট পরীক্ষায় পাস করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে কলেজ শিক্ষার্থীদের সাথে প্রতারণা</strong></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>সঞ্জয় শীল | নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি |</strong></span></p><p><strong>ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর সরকারি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের টেস্ট পরীক্ষায় ফেল করলেও পাস করিয়ে দেয়ার আশ্বাস দিয়ে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উক্ত কলেজের অফিস সহায়ক রাজীব আহামেদ ও নৈশ প্রহরী শামিম মিয়ার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রভাষক সাইদুল ইসলাম খানকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থীর অভিযোগ তারা টেস্ট পরীক্ষায় ফেল করার ভয়ে আর নৈশ প্রহরী শামিমের খপ্পরে টাকা দিয়েছেন। </strong></p><p>এদিকে অভিযুক্ত অফিস সহায়ক রাজীব আহামেদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,নৈশপ্রহরী সামিম ভাই আমাকে বলেছেন কিছু শিক্ষার্থী পাস করানোর জন্য তার কাছে নিয়ে যেতে। পরে আমি প্রায় ১০ জন শিক্ষার্থীকে তার কাছে নিয়ে যাই। তখন তিনি তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন।অভিযুক্ত নৈশপ্রহরী সামিম মিয়ার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।নবীনগর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ একেএম রেজাউল করিম বলেন, আমি ঘটনাটি শুনেছি এবং রসায়ন বিভাগের শিক্ষককে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা এখনও সরাসরি আমার কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’</p>

জেলার খবর

play storeapp store