ঢাকা, বুধবার, ১৮ বৈশাখ, ১৪৩৩, ১ এপ্রিল ২০২৬

পিরোজপুরে ১৩ বছরের কিশোরীকে ধ/র্ষ/ণ মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কা/রা/দ/ণ্ড

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

৩১ মার্চ ২০২৬, ০৬:৩৪ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

পিরোজপুরে ১৩ বছরের কিশোরীকে ধ/র্ষ/ণ মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কা/রা/দ/ণ্ড

পিরোজপুর প্রতিনিধি |

পিরোজপুর সদর উপজেলায় ১৩ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। সোমবার বিকেলে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের শিশু ধর্ষণ অপরাধ ট্রাইবুনাল পিরোজপুর এর বিচারক এস এম মনিরুজ্জামান এর আদালতে এ রায় দেন।মামলার প্রধান আসামি মিলন সেখ কে ধর্ষণের অপরাধে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। অন্য দুই আসামি অলি গাজী ও মারুফ গাজী কিশোরী ভিকটিমকে অপহরণের অপরাধে প্রত্যেককে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায় তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। আসামিরা হলেন মিলন শেখ (২৮) নাজিরপুর উপজেলা চৌঠাই মহল এলাকার বেলায়েত শেখের পুত্র। এছাড়াও আসামি অলি গাজী (২৪) পিরোজপুর সদর উপজেলার সিকদার মল্লিক এলাকার মৃত আকতার গাজীর পুত্র। আসামি মারুফ গাজী (২৫) নাজিরপুর উপজেলার শেখমাটিয়া এলাকার সাহেব গাজীর পুত্র।

ভিকটিম সনাতন ধর্মী ১৩ বছরের কিশোরী পিরোজপুর সদর উপজেলার পশ্চিম কদমতলা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। তিনি কদমতলা ইউনিয়নের বাসিন্দা। মামলা সূত্রে জানা যায় ২০১৩ সালের ২৩ মার্চ ভিকটিম নাজিরপুরের চৌঠাই মহল এলাকায় মামাবাড়ি থেকে পিরোজপুর শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে আসলে দুই আসামী অলি গাজী ও মারুফ গাজী তাকে অপহরণ করে কৃষ্ণনগর এলাকায় নিয়ে যায়। সেখান থেকে তারা খুলনায় মিলন শেখের কাছে পৌঁছে দিলে মিলন বিয়ের নাটক সাজিয়ে মুসলিম বানিয়ে গোপালগঞ্জে একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে ভিকটিমকে জোরপূর্বক ২০ থেকে ২২ দিন আটকে রেখে একাধিকবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে কিশোর সুযোগ পেয়ে পাশের বাসায় গিয়ে আশ্রয় নিয়ে তার বাড়িতে বাবাকে ফোন করলে পুলিশ নিয়ে তার বাবা মেয়েকে উদ্ধার করে। পরে তার বাবা বাদী হয় পিরোজপুর সদর থানায় একটি অপহরণ ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলার বাদী মনোজ সিংহ বলেন, মেয়েকে জোরপূর্বক অপহরণ করে ২ আসামী অলি গাজী ও মারুফ গাজী নিয়ে প্রধান আসামী মিলন শেখ এর হাতে তুলে দেয়। মিলন শেখ জোরপূর্বক বিয়ের নাটক সাজিয়ে নিয়ে আটকে রাখে। দীর্ঘ ২২ দিন পরে আমরা মেয়েকে উদ্ধার করি। মিলন শেখ সহ বাকি ২ আসনের উপযুক্ত শাস্তি পেয়েছে বলে মনে করছি উচ্চ আদালতেও যেনো এ রায় বহাল থাকে। মামলাটি দীর্ঘদিন আপিল শুনানির পরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের শিশু ধর্ষণ অপরাধ ট্রাইবুনাল পিরোজপুর এর বিচারক এস এম মনিরুজ্জামান এ রায় দেন।পাবলিক প্রসিকিউট (পিপি) অ্যাডভোকেট শাজাহান সরদার জানান ১৩ বছর বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণ মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। রায় পেয়ে আমরা সন্তোষ প্রকাশ করছি।

<p><strong>পিরোজপুরে ১৩ বছরের কিশোরীকে ধ/র্ষ/ণ মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কা/রা/দ/ণ্ড</strong></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>পিরোজপুর প্রতিনিধি |</strong></span></p><p><strong>পিরোজপুর সদর উপজেলায় ১৩ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। সোমবার বিকেলে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের শিশু ধর্ষণ অপরাধ ট্রাইবুনাল পিরোজপুর এর বিচারক এস এম মনিরুজ্জামান এর আদালতে এ রায় দেন।মামলার প্রধান আসামি মিলন সেখ কে ধর্ষণের অপরাধে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। অন্য দুই আসামি অলি গাজী ও মারুফ গাজী কিশোরী ভিকটিমকে অপহরণের অপরাধে প্রত্যেককে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায় তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। আসামিরা হলেন মিলন শেখ (২৮) নাজিরপুর উপজেলা চৌঠাই মহল এলাকার বেলায়েত শেখের পুত্র। এছাড়াও আসামি অলি গাজী (২৪) পিরোজপুর সদর উপজেলার সিকদার মল্লিক এলাকার মৃত আকতার গাজীর পুত্র। আসামি মারুফ গাজী (২৫) নাজিরপুর উপজেলার শেখমাটিয়া এলাকার সাহেব গাজীর পুত্র।</strong></p><p>ভিকটিম সনাতন ধর্মী ১৩ বছরের কিশোরী পিরোজপুর সদর উপজেলার পশ্চিম কদমতলা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। তিনি কদমতলা ইউনিয়নের বাসিন্দা। মামলা সূত্রে জানা যায় ২০১৩ সালের ২৩ মার্চ ভিকটিম নাজিরপুরের চৌঠাই মহল এলাকায় মামাবাড়ি থেকে পিরোজপুর শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে আসলে দুই আসামী অলি গাজী ও মারুফ গাজী তাকে অপহরণ করে কৃষ্ণনগর এলাকায় নিয়ে যায়। সেখান থেকে তারা খুলনায় মিলন শেখের কাছে পৌঁছে দিলে মিলন বিয়ের নাটক সাজিয়ে মুসলিম বানিয়ে গোপালগঞ্জে একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে ভিকটিমকে জোরপূর্বক ২০ থেকে ২২ দিন আটকে রেখে একাধিকবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে কিশোর সুযোগ পেয়ে পাশের বাসায় গিয়ে আশ্রয় নিয়ে তার বাড়িতে বাবাকে ফোন করলে পুলিশ নিয়ে তার বাবা মেয়েকে উদ্ধার করে। পরে তার বাবা বাদী হয় পিরোজপুর সদর থানায় একটি অপহরণ ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলার বাদী মনোজ সিংহ বলেন, মেয়েকে জোরপূর্বক অপহরণ করে ২ আসামী অলি গাজী ও মারুফ গাজী নিয়ে প্রধান আসামী মিলন শেখ এর হাতে তুলে দেয়। মিলন শেখ জোরপূর্বক বিয়ের নাটক সাজিয়ে নিয়ে আটকে রাখে। দীর্ঘ ২২ দিন পরে আমরা মেয়েকে উদ্ধার করি। মিলন শেখ সহ বাকি ২ আসনের উপযুক্ত শাস্তি পেয়েছে বলে মনে করছি উচ্চ আদালতেও যেনো এ রায় বহাল থাকে। মামলাটি দীর্ঘদিন আপিল শুনানির পরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের শিশু ধর্ষণ অপরাধ ট্রাইবুনাল পিরোজপুর এর বিচারক এস এম মনিরুজ্জামান এ রায় দেন।পাবলিক প্রসিকিউট (পিপি) অ্যাডভোকেট শাজাহান সরদার জানান ১৩ বছর বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণ মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। রায় পেয়ে আমরা সন্তোষ প্রকাশ করছি।</p>

জেলার খবর

play storeapp store