ঢাকা, শুক্রবার, ১৯ চৈত্র, ১৪৩২, ৩ এপ্রিল ২০২৬

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে মোবাইল কোর্টে আটক বাল্কহেড নিখোঁজ-রহস্যে ঘেরা ঘটনা,বাড়ছে প্রশ্ন

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১৯ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে মোবাইল কোর্টে আটক বাল্কহেড নিখোঁজ-রহস্যে ঘেরা ঘটনা,বাড়ছে প্রশ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক | মুন্সীগঞ্জ |

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় মোবাইল কোর্ট অভিযানে জব্দ করা দুটি বাল্কহেড রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে জনমনে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ।উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ মার্চ বিকেল প্রায় ৪টার দিকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বাসিত সাত্তারের নেতৃত্বে একটি মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে অবৈধভাবে বালু পরিবহনের অভিযোগে দুটি বাল্কহেড জব্দ করা হয়।

অভিযান চলাকালে সংশ্লিষ্টদের কাছে বৈধ কাগজপত্র চাইলে তারা ৩ মার্চের একটি পুরোনো রসিদ দেখায়। তবে যাচাই-বাছাই করে সেটি মেয়াদোত্তীর্ণ ও অকার্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। পরবর্তীতে তারা কোনো হালনাগাদ বৈধ কাগজপত্র প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হন।এ ঘটনায় জড়িত তিনজনকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এক মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। জব্দ করা বালুর পরিমাণ আনুমানিক ২০ হাজার ঘনফুট, যা দুটি বাল্কহেডে সংরক্ষিত ছিল।প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাল্কহেড দুটি লৌহজং থানার এএসআই সাচ্চা মিয়ার জিম্মায় রাখা হয়, যিনি অভিযানে অংশ নেওয়া ফোর্সের সদস্য ছিলেন।স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ ইসমাইল জানান, ২ এপ্রিল ভোর পর্যন্ত তার নিয়োজিত চৌকিদার ঘটনাস্থলে পাহারায় ছিলেন এবং সকাল ১০টা পর্যন্ত বাল্কহেড দুটি সেখানে দেখা যায়। তবে এরপর হঠাৎ করেই সেগুলো নিখোঁজ হয়ে যায়।তিনি অভিযোগ করেন, ঘটনাস্থলের নিরাপত্তার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট থানার ওপর থাকলেও সেখানে কোনো পুলিশ সদস্যকে দেখা যায়নি। একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন দায়িত্বে থাকা চৌকিদার মোঃ রাজুও।এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। কীভাবে জনসম্মুখ থেকে জব্দকৃত বাল্কহেড উধাও হয়ে গেল, তা নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।জব্দকৃত সম্পদ এভাবে নিখোঁজ হওয়া প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

<p><strong>মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে মোবাইল কোর্টে আটক বাল্কহেড নিখোঁজ-রহস্যে ঘেরা ঘটনা,বাড়ছে প্রশ্ন</strong></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>নিজস্ব প্রতিবেদক | মুন্সীগঞ্জ |</strong></span></p><p><strong>মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় মোবাইল কোর্ট অভিযানে জব্দ করা দুটি বাল্কহেড রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে জনমনে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ।উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ মার্চ বিকেল প্রায় ৪টার দিকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বাসিত সাত্তারের নেতৃত্বে একটি মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে অবৈধভাবে বালু পরিবহনের অভিযোগে দুটি বাল্কহেড জব্দ করা হয়।</strong></p><p>অভিযান চলাকালে সংশ্লিষ্টদের কাছে বৈধ কাগজপত্র চাইলে তারা ৩ মার্চের একটি পুরোনো রসিদ দেখায়। তবে যাচাই-বাছাই করে সেটি মেয়াদোত্তীর্ণ ও অকার্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। পরবর্তীতে তারা কোনো হালনাগাদ বৈধ কাগজপত্র প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হন।এ ঘটনায় জড়িত তিনজনকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এক মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। জব্দ করা বালুর পরিমাণ আনুমানিক ২০ হাজার ঘনফুট, যা দুটি বাল্কহেডে সংরক্ষিত ছিল।প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাল্কহেড দুটি লৌহজং থানার এএসআই সাচ্চা মিয়ার জিম্মায় রাখা হয়, যিনি অভিযানে অংশ নেওয়া ফোর্সের সদস্য ছিলেন।স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ ইসমাইল জানান, ২ এপ্রিল ভোর পর্যন্ত তার নিয়োজিত চৌকিদার ঘটনাস্থলে পাহারায় ছিলেন এবং সকাল ১০টা পর্যন্ত বাল্কহেড দুটি সেখানে দেখা যায়। তবে এরপর হঠাৎ করেই সেগুলো নিখোঁজ হয়ে যায়।তিনি অভিযোগ করেন, ঘটনাস্থলের নিরাপত্তার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট থানার ওপর থাকলেও সেখানে কোনো পুলিশ সদস্যকে দেখা যায়নি। একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন দায়িত্বে থাকা চৌকিদার মোঃ রাজুও।এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। কীভাবে জনসম্মুখ থেকে জব্দকৃত বাল্কহেড উধাও হয়ে গেল, তা নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।জব্দকৃত সম্পদ এভাবে নিখোঁজ হওয়া প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।</p>

জেলার খবর

play storeapp store