ঢাকা, শনিবার, ২০ চৈত্র, ১৪৩২, ৪ এপ্রিল ২০২৬

রাজনগরের টেংরা ইউনিয়নে ভিজিডির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১২ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

রাজনগরের টেংরা ইউনিয়নে ভিজিডির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

মনজু বিজয় চৌধুরী | (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি |

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার টেংরা ইউনিয়নে ভিজিডি কর্মসূচির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। উপকারভোগীদের অভিযোগ, নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম চাল দেওয়া হচ্ছে এবং ব্যাংকে জমা দেওয়ার কথা থাকলেও নগদ টাকা নিজেরাই সংগ্রহ করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।অভিযোগ রয়েছে, গত প্রায় ৯ মাস ধরে দুই বছর মেয়াদী ভিজিডি কর্মসূচির আওতায় চাল পাওয়া নারীদের কাছ থেকে ইউনিয়নের গ্রামপুলিশরা সরাসরি নগদ টাকা সংগ্রহ করছেন। এতে দরিদ্র নারীদের সঞ্চয়কৃত টাকা আত্মসাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, অসহায় ও দরিদ্র নারীদের খাদ্য সহায়তা নিশ্চিত করা এবং দারিদ্র্য কমিয়ে আনার লক্ষ্যে সরকার সারা দেশে ২২০ টাকা সঞ্চয় জমা নিয়ে দুই বছর মেয়াদে প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ করে আসছে। রাজনগর উপজেলায় বর্তমানে ১ হাজার ৪৩৫ জন নারী এই সুবিধা পাচ্ছেন। ২০২৫ সালের জুলাই মাস থেকে তারা নিয়মিত চাল পাওয়ার কথা।৮সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, উপকারভোগীদের নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দিয়ে রসিদ দেখিয়ে চাল নেওয়ার কথা। কিন্তু রাজনগরের টেংরা ইউনিয়নে ইউনিয়ন পরিষদের গ্রামপুলিশরা সরাসরি নগদ টাকা গ্রহণ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।এদিকে, প্রতিজন নারী ৩০ কেজি চাল পাওয়ার কথা৮ থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে ২ থেকে ৩ কেজি কম দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। দীর্ঘদিন ধরে এমন অনিয়ম৮ চলায় উপকারভোগীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।টেংরা ইউনিয়নের পূর্ব ইলাশপুর গ্রামের উপকারভোগী রুনা বেগম বলেন,আমাদেরকে সব সময় এভাবেই চাল দেওয়া হয়। গত ৯ মাস ধরে চাল পাচ্ছি। সবসময় টাকা জমা দিয়ে চাল নিতে হয়েছে, আর চালও কম দেওয়া হচ্ছে।এ বিষয়ে গ্রামপুলিশ সজল মালাকার বলেন,আমরা যেভাবে নির্দেশনা পেয়েছি, সেভাবেই চাল বিতরণ করছি।টেংরা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রামদুলারী জানান, অনেক উপকারভোগীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট না থাকায় প্রতিনিধির মাধ্যমে ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়া হচ্ছে। চাল কম দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই।এ বিষয়ে জানতে রাজনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপুল সিকদারের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।তবে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মধুছন্দা দাস বলেন,ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। অনেক সময় গ্রামের নারীরা ব্যাংকে যেতে পারেন না, তাই নগদ টাকা নিয়ে ব্যাংকে জমা করা হয়। তবে চাল কম দেওয়ার বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।

<p><strong>রাজনগরের টেংরা ইউনিয়নে ভিজিডির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ</strong></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>মনজু বিজয় চৌধুরী | (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি |</strong></span></p><p><strong>মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার টেংরা ইউনিয়নে ভিজিডি কর্মসূচির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। উপকারভোগীদের অভিযোগ, নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম চাল দেওয়া হচ্ছে এবং ব্যাংকে জমা দেওয়ার কথা থাকলেও নগদ টাকা নিজেরাই সংগ্রহ করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।অভিযোগ রয়েছে, গত প্রায় ৯ মাস ধরে দুই বছর মেয়াদী ভিজিডি কর্মসূচির আওতায় চাল পাওয়া নারীদের কাছ থেকে ইউনিয়নের গ্রামপুলিশরা সরাসরি নগদ টাকা সংগ্রহ করছেন। এতে দরিদ্র নারীদের সঞ্চয়কৃত টাকা আত্মসাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।</strong></p><p>সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, অসহায় ও দরিদ্র নারীদের খাদ্য সহায়তা নিশ্চিত করা এবং দারিদ্র্য কমিয়ে আনার লক্ষ্যে সরকার সারা দেশে ২২০ টাকা সঞ্চয় জমা নিয়ে দুই বছর মেয়াদে প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ করে আসছে। রাজনগর উপজেলায় বর্তমানে ১ হাজার ৪৩৫ জন নারী এই সুবিধা পাচ্ছেন। ২০২৫ সালের জুলাই মাস থেকে তারা নিয়মিত চাল পাওয়ার কথা।৮সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, উপকারভোগীদের নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দিয়ে রসিদ দেখিয়ে চাল নেওয়ার কথা। কিন্তু রাজনগরের টেংরা ইউনিয়নে ইউনিয়ন পরিষদের গ্রামপুলিশরা সরাসরি নগদ টাকা গ্রহণ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।এদিকে, প্রতিজন নারী ৩০ কেজি চাল পাওয়ার কথা৮ থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে ২ থেকে ৩ কেজি কম দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। দীর্ঘদিন ধরে এমন অনিয়ম৮ চলায় উপকারভোগীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।টেংরা ইউনিয়নের পূর্ব ইলাশপুর গ্রামের উপকারভোগী রুনা বেগম বলেন,আমাদেরকে সব সময় এভাবেই চাল দেওয়া হয়। গত ৯ মাস ধরে চাল পাচ্ছি। সবসময় টাকা জমা দিয়ে চাল নিতে হয়েছে, আর চালও কম দেওয়া হচ্ছে।এ বিষয়ে গ্রামপুলিশ সজল মালাকার বলেন,আমরা যেভাবে নির্দেশনা পেয়েছি, সেভাবেই চাল বিতরণ করছি।টেংরা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রামদুলারী জানান, অনেক উপকারভোগীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট না থাকায় প্রতিনিধির মাধ্যমে ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়া হচ্ছে। চাল কম দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই।এ বিষয়ে জানতে রাজনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপুল সিকদারের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।তবে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মধুছন্দা দাস বলেন,ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। অনেক সময় গ্রামের নারীরা ব্যাংকে যেতে পারেন না, তাই নগদ টাকা নিয়ে ব্যাংকে জমা করা হয়। তবে চাল কম দেওয়ার বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।</p>

জেলার খবর

play storeapp store