ঢাকা, রবিবার, ২১ চৈত্র, ১৪৩২, ৫ এপ্রিল ২০২৬

‎মোংলায় ফসলি জমিতে বালু ভরাটে ক্ষতিপুরণের দাবিতে সাত দিনের আল্টিমেটাম

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৮ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

‎মোংলায় ফসলি জমিতে বালু ভরাটে ক্ষতিপুরণের দাবিতে সাত দিনের আল্টিমেটাম

‎রবি ডাকুয়া | বাগেরহাট প্রতিনিধি |

‎বাগেরহাটের মোংলায় হুকুমদখল করা কৃষি জমিতে বালু ভরাটের প্রতিবাদে ও বকেয়া ক্ষতিপূরণের দাবিতে স্থানীয় জমির মালিক কৃষকরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন।‎শনিবার সংশ্লিষ্ট এলাকায় ‘চিলা ইউনিয়ন কৃষি জমি রক্ষা সংগ্রাম কমিটি’ আয়োজিত সমাবেশে কয়েকশ কৃষক অংশ নিয়ে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন।কৃষকদের অভিযোগ, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের পশুর নদী খনন প্রকল্পের বালু ফেলায় প্রায় ৩২৩ একর ফসলি জমি, চিংড়ি ঘের ও ঘরবাড়ির ভিটেমাটি ধ্বংসের মুখে।

ক্ষতিগ্রস্ত চাষি হুমায়ুন কবির ও আলম গাজী জানান, গত তিন বছর ধরে জেলা প্রশাসন তাদের জমি হুকুমদখল করেছে, কিন্তু কোনো ক্ষতিপূরণ দেয়নি।‎সমাবেশে কৃষকরা ৭ কার্যদিবসের মধ্যে পাওনা পরিশোধ না হলে আমরণ অনশন, ভূমি অফিস ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। তারা বলছেন, ক্ষতিপূরণ না দেওয়া পর্যন্ত জমিতে কোনো বালু ফেলতে দেওয়া হবে না।‎বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন জানিয়েছেন, বন্দর কর্তৃপক্ষ ও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত একটি সন্তোষজনক সমাধান করা হচ্ছে।

<p><strong>‎মোংলায় ফসলি জমিতে বালু ভরাটে ক্ষতিপুরণের দাবিতে সাত দিনের আল্টিমেটাম</strong></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>‎রবি ডাকুয়া | বাগেরহাট প্রতিনিধি |</strong></span></p><p><strong>‎বাগেরহাটের মোংলায় হুকুমদখল করা কৃষি জমিতে বালু ভরাটের প্রতিবাদে ও বকেয়া ক্ষতিপূরণের দাবিতে স্থানীয় জমির মালিক কৃষকরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন।‎শনিবার সংশ্লিষ্ট এলাকায় ‘চিলা ইউনিয়ন কৃষি জমি রক্ষা সংগ্রাম কমিটি’ আয়োজিত সমাবেশে কয়েকশ কৃষক অংশ নিয়ে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন।কৃষকদের অভিযোগ, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের পশুর নদী খনন প্রকল্পের বালু ফেলায় প্রায় ৩২৩ একর ফসলি জমি, চিংড়ি ঘের ও ঘরবাড়ির ভিটেমাটি ধ্বংসের মুখে।</strong></p><p>ক্ষতিগ্রস্ত চাষি হুমায়ুন কবির ও আলম গাজী জানান, গত তিন বছর ধরে জেলা প্রশাসন তাদের জমি হুকুমদখল করেছে, কিন্তু কোনো ক্ষতিপূরণ দেয়নি।‎সমাবেশে কৃষকরা ৭ কার্যদিবসের মধ্যে পাওনা পরিশোধ না হলে আমরণ অনশন, ভূমি অফিস ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। তারা বলছেন, ক্ষতিপূরণ না দেওয়া পর্যন্ত জমিতে কোনো বালু ফেলতে দেওয়া হবে না।‎বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন জানিয়েছেন, বন্দর কর্তৃপক্ষ ও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত একটি সন্তোষজনক সমাধান করা হচ্ছে।</p>

জেলার খবর

play storeapp store