ঢাকা, বুধবার, ২৪ চৈত্র, ১৪৩২, ৮ এপ্রিল ২০২৬

তেরখাদায় বোরাধানে ক্ষতিকর পোকা দমনে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ "আলোক ফাঁদ"

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০২ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

তেরখাদায় বোরাধানে ক্ষতিকর পোকা দমনে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ "আলোক ফাঁদ"

তেরখাদা সংবাদাতা |

তেরখাদা উপজেলায় বোরাধানে ক্ষতিকর পোকা দমনে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ হিসেবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে একযোগে ৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় ১৮টি কৃষি ব্লকে আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হয়। নিরাপদে ফসল ঘরে তোলার লক্ষ্যে এ কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়, যা কৃষকদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে স্থাপিত এসব আলোক ফাঁদ দেখতে শত শত মানুষ/কৃষকের ঢল নামে।

সন্ধ্যার পর থেকে রাত পর্যন্ত পরিচালিত এ ফাঁদে আলোতে আকৃষ্ট হয়ে বিভিন্ন ক্ষতিকর পোকামাকড় এসে জমা হয়। ফলে সেগুলো সনাক্ত ও দমন করা সম্ভব হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে আলোর ফাঁদ ব্যবহারের মাধ্যমে ক্ষতিকর পোকা যেমন মাজরা পোকা, পাতা মোড়ানো পোকা, কারেন্ট পোকা কমানো যায়। একই সংগে উপকারী পোকামাকড় সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যায়। অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শিউলি মজুমদার কৃষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আলোকফাদ একটি পরিবেশ বান্ধব ও সাশ্রয়ী পদ্ধতি যা রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার কমাতে সহায়তা করে। তিনি, কারেন্ট পোকা দমন, ব্যাকটেরিয়াল লিফ ব্লাইট (বিএলবি), ব্যাকটেরিয়াল পেনিকেল ব্লাইট, ব্লাস্ট রোগ ও মাজরা পোকার আক্রমন প্রতিরোধ ও সময়োপযোগী করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত পরামর্শ দেন। এ সময় কৃষকদের সচেতন করতে আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মেহেদী হাসান, উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলাম, তেরখাদা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম মফিজুল ইসলাম জুম্মান, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার বিশ্বজিৎ দাস। এছাড়া স্থানীয় জনসাধারণ, কৃষকমহল ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

<p><strong>তেরখাদায় বোরাধানে ক্ষতিকর পোকা দমনে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ "আলোক ফাঁদ"</strong></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>তেরখাদা সংবাদাতা |</strong></span></p><p><strong>তেরখাদা উপজেলায় বোরাধানে ক্ষতিকর পোকা দমনে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ হিসেবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে একযোগে ৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় ১৮টি কৃষি ব্লকে আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হয়। নিরাপদে ফসল ঘরে তোলার লক্ষ্যে এ কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়, যা কৃষকদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে স্থাপিত এসব আলোক ফাঁদ দেখতে শত শত মানুষ/কৃষকের ঢল নামে।</strong></p><p>সন্ধ্যার পর থেকে রাত পর্যন্ত পরিচালিত এ ফাঁদে আলোতে আকৃষ্ট হয়ে বিভিন্ন ক্ষতিকর পোকামাকড় এসে জমা হয়। ফলে সেগুলো সনাক্ত ও দমন করা সম্ভব হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে আলোর ফাঁদ ব্যবহারের মাধ্যমে ক্ষতিকর পোকা যেমন মাজরা পোকা, পাতা মোড়ানো পোকা, কারেন্ট পোকা কমানো যায়। একই সংগে উপকারী পোকামাকড় সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যায়। অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শিউলি মজুমদার কৃষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আলোকফাদ একটি পরিবেশ বান্ধব ও সাশ্রয়ী পদ্ধতি যা রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার কমাতে সহায়তা করে। তিনি, কারেন্ট পোকা দমন, ব্যাকটেরিয়াল লিফ ব্লাইট (বিএলবি), ব্যাকটেরিয়াল পেনিকেল ব্লাইট, ব্লাস্ট রোগ ও মাজরা পোকার আক্রমন প্রতিরোধ ও সময়োপযোগী করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত পরামর্শ দেন। এ সময় কৃষকদের সচেতন করতে আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মেহেদী হাসান, উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলাম, তেরখাদা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম মফিজুল ইসলাম জুম্মান, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার বিশ্বজিৎ দাস। এছাড়া স্থানীয় জনসাধারণ, কৃষকমহল ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।</p>

জেলার খবর

play storeapp store