ঢাকা, বুধবার, ২৪ চৈত্র, ১৪৩২, ৮ এপ্রিল ২০২৬

স্বাক্ষর জাল ক‌রে বিল উত্তোলন কর‌লেন সিএ

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩৪ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

স্বাক্ষর জাল ক‌রে বিল উত্তোলন কর‌লেন সিএ

পিরোজপুর প্রতিনিধি |

স্বাক্ষর জাল ক‌রে বিল উত্তোলন কর‌লেন সিএ! প্রধানমন্ত্রীর কা‌ছে বিচার চে‌য়ে ৫৮ পৃষ্ঠার অ‌ভি‌যোগ দি‌লেন শিক্ষক। এমনই এক ঘটনা ঘ‌টে‌ছে পি‌রোজপুর জেলার না‌জিরপুর উপ‌জেলায়। জানা যায়, নাজিরপুরের বাবুরহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শংকর কুমার মি‌স্ত্রীর স্বাক্ষার জাল করে বিল তোলার অভিযোগ উঠে‌ছে না‌জিরপুর উপ‌জেলা প‌রিষদ চেয়ারম‌্যানের সি এ মোঃ ইয়া‌সির আরাফা‌তের বিরু‌দ্ধে । স্কুলের প্রধান শিক্ষক গত ০২ এপ্রিল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী, স্থানীয় সংসদ সদস্য, পিরোজপুর-০১, সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, ঢাকা, বিভাগীয় কমিশনার, বরিশাল, নির্বাহী প্রকৌশলী, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, পিরোজপুর, উপ-পরিচালক, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), পিরোজপুর, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, নাজিরপুর ও না‌জিরপুর প্রেসক্লাব বরাব‌রে এক‌টি লি‌খিত অ‌ভি‌যোগ ক‌রেন এবং তারই সা‌থে স্থানীয় ম‌ফিজুল ইসলাম না‌মের এক ব‌্যক্তি ও একই জায়গায় অ‌ভি‌যোগ ক‌রেন। লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, নাজিরপুর উপজেলা পরিষদের সি এ আরাফাত বাবুবহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়ালের এর কাজ সমাপ্ত না করে চুড়ান্ত বিলের কাগজে সই চান।

এ সময় তিনি তাকে ওই ঠিকাদারী কাজটি সম্পুর্ন করলে চুড়ান্ত বিলে সই দেওয়ার কথা বলেন, তা‌তে ক্ষিপ্ত হ‌য়ে উল্টো ভয় ভিতী প্রদান ক‌রেন, তিনি আরো জানান, দীর্ঘদিন কাজটি পরে থাকার পরে খোজ নিয়ে জানতে পারি আমার স্বাক্ষর জাল করে পুরো টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।অ‌ভি‌যোগকারীর সা‌থে কথা হ‌লে তি‌নি ব‌লেন আমি বিষয়‌টি স্থানীয় ক‌য়েকজন অ‌ভিভাব‌কের আবেদনকৃত দরখা‌স্তের মাধ‌্যমে জান‌তে পারি যে আমি ঠিকাদা‌রের সা‌থে আতাত ক‌রে অনৈ‌তিক সু‌বিধা পে‌য়ে কাজ অসম্পূর্ণ রে‌খে বিল দি‌য়ে দি‌ছি। মূলত ওই ঠিকাদার উপ‌জেলা প‌রিষদ চেয়ারম‌্যা‌নের সি,এ আমার বাসায় ক‌য়েকদফা যান ফাইনাল বি‌লের স্বাক্ষর করা‌তে আমি সই না করায় আমা‌কে বি‌ভিন্ন ধর‌নের হুম‌কিও দি‌য়ে‌ছে সে, পরে বাধ‌্য হ‌য়ে আমি প্রধানমন্ত্রী সহ মোট ৯ নি দপ্ত‌রে বিচার চে‌য়ে অ‌ভি‌যোগ ক‌রে‌ছি।খোজ নিয়ে জানা গেছে, ইশতিয়াক কনস্ট্রাকশন না‌মের এক‌টি লাইসেন্স দি‌য়ে ওই সি,এ বি‌ভিন্ন কাজ ভা‌গি‌য়ে নি‌য়ে ক‌রেন, ত‌বে ওই লাইসেন্স এর মা‌লিক সি,এ ইয়াসির আরাফাত এর বোন জামাই মো: রেজাউল শেখ, পরিচালনা করেন খোদ আরাফাত নিজেই,বি‌লের চে‌কেও স্বাক্ষর ক‌রেন আরাফাত ( দুলাভাইয়ের), শুধুমাত্র দ‌ুলাভাইয়ের নাম ব‌্যবহার ক‌রেন বাকী সব নি‌জেই সামলান। দুলাভাই একজন মুরগী খামারী।

অনুসন্ধান ক‌রে আরো জানা গেছে, ইয়াসির আরাফাত ২০১০ সালে ইউডিসি, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে (উদ্যোক্তা) হিসাবে নাজিরপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে তৎকালীন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খানের সময়কালে যোগদান করেন তার সিএ পদে। ২০১৪ সালে নাজিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যানের সিএ পদে যোগদানের পর থেকে তার বোন জামাই রেজাউল শেখ এর নাম ব‌্যবহার ক‌রে নিজে ঠিকাদারী কাজ শুরু করেন। এর পর তাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পরিষদ চেয়ারম্যানকে ম্যানেজ করে উপজেলা প্রশাসন অধিকাংশ কাজ আর এফ কিউ পদ্ধতি ক‌রে নিজের বোন জামাইয়ের লাইন্সেস মাধ্যামে নিজে করেছেন। গড়ে তুলেছেন মাফিয়ার সামরাজ্য। দূর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে হয়েছেন অঢেল সম্পদের মালিক। গড়ে তুলেছেন আলিশান বাড়ী, ব্যবহার করেন ৫ লক্ষ টাকার দুইটি মোটর সাইকেল। বর্তমানে এই লাইন্সসে অধিনে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় কয়েককোটি টাকার কাজ চলমান, উক্ত কা‌জে অ‌নিয়‌মের কার‌নে স্থানীয় এস এম দারুস সুন্নাত দা‌খিল মাদ্রার কাজ কিছু হওয়ার প‌রে অ‌নিয়‌মের কার‌নে তা বন্ধ ক‌রে দি‌য়ে‌ছেন কর্তৃপক্ষ আর এই সব কাজ অফিস টাইম চলাকালীন সরকারি কাজ ফাঁকি দিয়ে তদারকি করে থাকেন।

২য় অ‌ভি‌যোগকারী মোঃ ম‌ফিজুল ইসলামের অ‌ভি‌যোগ সূ‌ত্রে দেখা যায়, স্থানীয় সাতকাছিমা গ্রামের দিনমজুর মো: ইলিয়াস শেখে ছেলে সিএ আরাফাত তার ৫৮ শতাংশ জায়গা জোড়পূর্বক দখল ক‌রে ভোগ ক‌রেন, এছাড়া তি‌নি আরো অ‌ভি‌যোগ ক‌রে ব‌লেন ১৬ তম গ্রেডের বেত‌নের চাক‌রি ক‌রে বা‌ড়ি ক‌রে‌ছেন ২ কো‌টি টাকা খরচ ক‌রে। অ‌ভি‌যোগ সূ‌ত্রে আরো দেখা যায় গত ১০ বছ‌রে তি‌নি জাইকা প্রকল্প,এডি‌পি,ও রাজস্ব খা‌ত থেকে ব‌্যাপক প্রকল্প ভা‌গি‌য়ে নি‌য়ে কোনটা কাজ না ক‌রে আবার কিছু কাজ ক‌রে, এছাড়া উপ‌জেলা প‌রিষ‌দের আগাছা প‌রিস্কার দে‌খি‌য়ে মা‌সে ২৫ হাজার টাকা সহ হা‌তি‌য়ে নি‌য়ে‌ছেন কো‌টি কো‌টি টাকা।সস্প্রতি উপ‌জেলা প‌রিষ‌দের ৪০ লাখ টাকার বরাদ্দের কা‌জের ফাইল নি‌জেই গা‌য়েব ক‌রে‌ছেন, কাজ না ক‌রে বিল উত্তোলন ক‌রেও নি‌য়ে‌ছেন ম‌র্মে ৩ ডজন প‌ত্রিকায় নিউজ করা হয়,যা নি‌য়ে পুরো জেলাজু‌ড়ে টক অফ দ‌্যা টাউনে প‌রিনত হ‌য়ে‌ছে।এ প্রসঙ্গে পিরোজপুর জেলা প্রশাসক আবু সাইদ জানান, সরকারি চাকরিতে থাকা অবস্থায় অনুমতি ব্যাতিত অন্য কোন পেশায় কাজ করার সুযোগ নাই তার বিরু‌দ্ধে তদন্ত চলমান রয়েছে।খোঁজ নি‌য়ে আরো জানা যায় সম্প্রাতি নাজিরপুর উপজেলা পরিষদের অভিট টিম নাজিরপুর আসেন এই সময় এই অডিট টিম ওর বিরুদ্ধে প্রায় ৭ কো‌টি টাকার অ‌নিয়‌মের অভিযোগ পান। তবু্ও ওই সি এর বিরু‌দ্ধে কোন আইনগত ব‌্যবস্থ‌া গ্রহন না করায় ক্ষিপ্ত হ‌য়ে মোট পৃষ্ঠার এক‌টি ফাইল ক‌রে উপ‌জেলা নির্বাহী অ‌ফিসার‌কে মাধ‌্যম ক‌রে লি‌খিত অ‌ভি‌যোগ করলেন প্রধানমন্ত্রীর নিকট।এ বিষ‌য়ে ওই সি এ মুখ খুলতে রা‌জি নন ত‌বে তি‌নি নি‌জে‌কে নি‌র্দোষ দাবী ক‌রেন।এবিষ‌য়ে জেলা শিক্ষা প্রকৌশলী মোঃ জ‌হিরুল ইসলাম ব‌লেন,বিষয়‌টি খোজ নি‌য়ে দেখব।এ বিষ‌য়ে উপ‌জেলা নির্বাহী অ‌ফিসার সা‌জিয়া শাহানাজ তমা কে দফায় দফায় ফোন করা হ‌লে এবং ক্ষুদে বার্ত‌া পাঠান হ‌লেও তা‌র কোন স্বাক্ষাৎকার পাওয়া যায় নাই।

<p><span style="color: rgb(0, 0, 0);"><strong>স্বাক্ষর জাল ক‌রে বিল উত্তোলন কর‌লেন সিএ</strong></span></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>পিরোজপুর প্রতিনিধি |</strong></span></p><p><strong>স্বাক্ষর জাল ক‌রে বিল উত্তোলন কর‌লেন সিএ! প্রধানমন্ত্রীর কা‌ছে বিচার চে‌য়ে ৫৮ পৃষ্ঠার অ‌ভি‌যোগ দি‌লেন শিক্ষক। এমনই এক ঘটনা ঘ‌টে‌ছে পি‌রোজপুর জেলার না‌জিরপুর উপ‌জেলায়। জানা যায়, নাজিরপুরের বাবুরহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শংকর কুমার মি‌স্ত্রীর স্বাক্ষার জাল করে বিল তোলার অভিযোগ উঠে‌ছে না‌জিরপুর উপ‌জেলা প‌রিষদ চেয়ারম‌্যানের সি এ মোঃ ইয়া‌সির আরাফা‌তের বিরু‌দ্ধে । স্কুলের প্রধান শিক্ষক গত ০২ এপ্রিল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী, স্থানীয় সংসদ সদস্য, পিরোজপুর-০১, সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, ঢাকা, বিভাগীয় কমিশনার, বরিশাল, নির্বাহী প্রকৌশলী, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, পিরোজপুর, উপ-পরিচালক, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), পিরোজপুর, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, নাজিরপুর ও না‌জিরপুর প্রেসক্লাব বরাব‌রে এক‌টি লি‌খিত অ‌ভি‌যোগ ক‌রেন এবং তারই সা‌থে স্থানীয় ম‌ফিজুল ইসলাম না‌মের এক ব‌্যক্তি ও একই জায়গায় অ‌ভি‌যোগ ক‌রেন। লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, নাজিরপুর উপজেলা পরিষদের সি এ আরাফাত বাবুবহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়ালের এর কাজ সমাপ্ত না করে চুড়ান্ত বিলের কাগজে সই চান।</strong></p><p>এ সময় তিনি তাকে ওই ঠিকাদারী কাজটি সম্পুর্ন করলে চুড়ান্ত বিলে সই দেওয়ার কথা বলেন, তা‌তে ক্ষিপ্ত হ‌য়ে উল্টো ভয় ভিতী প্রদান ক‌রেন, তিনি আরো জানান, দীর্ঘদিন কাজটি পরে থাকার পরে খোজ নিয়ে জানতে পারি আমার স্বাক্ষর জাল করে পুরো টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।অ‌ভি‌যোগকারীর সা‌থে কথা হ‌লে তি‌নি ব‌লেন আমি বিষয়‌টি স্থানীয় ক‌য়েকজন অ‌ভিভাব‌কের আবেদনকৃত দরখা‌স্তের মাধ‌্যমে জান‌তে পারি যে আমি ঠিকাদা‌রের সা‌থে আতাত ক‌রে অনৈ‌তিক সু‌বিধা পে‌য়ে কাজ অসম্পূর্ণ রে‌খে বিল দি‌য়ে দি‌ছি। মূলত ওই ঠিকাদার উপ‌জেলা প‌রিষদ চেয়ারম‌্যা‌নের সি,এ আমার বাসায় ক‌য়েকদফা যান ফাইনাল বি‌লের স্বাক্ষর করা‌তে আমি সই না করায় আমা‌কে বি‌ভিন্ন ধর‌নের হুম‌কিও দি‌য়ে‌ছে সে, পরে বাধ‌্য হ‌য়ে আমি প্রধানমন্ত্রী সহ মোট ৯ নি দপ্ত‌রে বিচার চে‌য়ে অ‌ভি‌যোগ ক‌রে‌ছি।খোজ নিয়ে জানা গেছে, ইশতিয়াক কনস্ট্রাকশন না‌মের এক‌টি লাইসেন্স দি‌য়ে ওই সি,এ বি‌ভিন্ন কাজ ভা‌গি‌য়ে নি‌য়ে ক‌রেন, ত‌বে ওই লাইসেন্স এর মা‌লিক সি,এ ইয়াসির আরাফাত এর বোন জামাই মো: রেজাউল শেখ, পরিচালনা করেন খোদ আরাফাত নিজেই,বি‌লের চে‌কেও স্বাক্ষর ক‌রেন আরাফাত ( দুলাভাইয়ের), শুধুমাত্র দ‌ুলাভাইয়ের নাম ব‌্যবহার ক‌রেন বাকী সব নি‌জেই সামলান। দুলাভাই একজন মুরগী খামারী। </p><p>অনুসন্ধান ক‌রে আরো জানা গেছে, ইয়াসির আরাফাত ২০১০ সালে ইউডিসি, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে (উদ্যোক্তা) হিসাবে নাজিরপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে তৎকালীন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খানের সময়কালে যোগদান করেন তার সিএ পদে। ২০১৪ সালে নাজিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যানের সিএ পদে যোগদানের পর থেকে তার বোন জামাই রেজাউল শেখ এর নাম ব‌্যবহার ক‌রে নিজে ঠিকাদারী কাজ শুরু করেন। এর পর তাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পরিষদ চেয়ারম্যানকে ম্যানেজ করে উপজেলা প্রশাসন অধিকাংশ কাজ আর এফ কিউ পদ্ধতি ক‌রে নিজের বোন জামাইয়ের লাইন্সেস মাধ্যামে নিজে করেছেন। গড়ে তুলেছেন মাফিয়ার সামরাজ্য। দূর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে হয়েছেন অঢেল সম্পদের মালিক। গড়ে তুলেছেন আলিশান বাড়ী, ব্যবহার করেন ৫ লক্ষ টাকার দুইটি মোটর সাইকেল। বর্তমানে এই লাইন্সসে অধিনে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় কয়েককোটি টাকার কাজ চলমান, উক্ত কা‌জে অ‌নিয়‌মের কার‌নে স্থানীয় এস এম দারুস সুন্নাত দা‌খিল মাদ্রার কাজ কিছু হওয়ার প‌রে অ‌নিয়‌মের কার‌নে তা বন্ধ ক‌রে দি‌য়ে‌ছেন কর্তৃপক্ষ আর এই সব কাজ অফিস টাইম চলাকালীন সরকারি কাজ ফাঁকি দিয়ে তদারকি করে থাকেন। </p><p>২য় অ‌ভি‌যোগকারী মোঃ ম‌ফিজুল ইসলামের অ‌ভি‌যোগ সূ‌ত্রে দেখা যায়, স্থানীয় সাতকাছিমা গ্রামের দিনমজুর মো: ইলিয়াস শেখে ছেলে সিএ আরাফাত তার ৫৮ শতাংশ জায়গা জোড়পূর্বক দখল ক‌রে ভোগ ক‌রেন, এছাড়া তি‌নি আরো অ‌ভি‌যোগ ক‌রে ব‌লেন ১৬ তম গ্রেডের বেত‌নের চাক‌রি ক‌রে বা‌ড়ি ক‌রে‌ছেন ২ কো‌টি টাকা খরচ ক‌রে। অ‌ভি‌যোগ সূ‌ত্রে আরো দেখা যায় গত ১০ বছ‌রে তি‌নি জাইকা প্রকল্প,এডি‌পি,ও রাজস্ব খা‌ত থেকে ব‌্যাপক প্রকল্প ভা‌গি‌য়ে নি‌য়ে কোনটা কাজ না ক‌রে আবার কিছু কাজ ক‌রে, এছাড়া উপ‌জেলা প‌রিষ‌দের আগাছা প‌রিস্কার দে‌খি‌য়ে মা‌সে ২৫ হাজার টাকা সহ হা‌তি‌য়ে নি‌য়ে‌ছেন কো‌টি কো‌টি টাকা।সস্প্রতি উপ‌জেলা প‌রিষ‌দের ৪০ লাখ টাকার বরাদ্দের কা‌জের ফাইল নি‌জেই গা‌য়েব ক‌রে‌ছেন, কাজ না ক‌রে বিল উত্তোলন ক‌রেও নি‌য়ে‌ছেন ম‌র্মে ৩ ডজন প‌ত্রিকায় নিউজ করা হয়,যা নি‌য়ে পুরো জেলাজু‌ড়ে টক অফ দ‌্যা টাউনে প‌রিনত হ‌য়ে‌ছে।এ প্রসঙ্গে পিরোজপুর জেলা প্রশাসক আবু সাইদ জানান, সরকারি চাকরিতে থাকা অবস্থায় অনুমতি ব্যাতিত অন্য কোন পেশায় কাজ করার সুযোগ নাই তার বিরু‌দ্ধে তদন্ত চলমান রয়েছে।খোঁজ নি‌য়ে আরো জানা যায় সম্প্রাতি নাজিরপুর উপজেলা পরিষদের অভিট টিম নাজিরপুর আসেন এই সময় এই অডিট টিম ওর বিরুদ্ধে প্রায় ৭ কো‌টি টাকার অ‌নিয়‌মের অভিযোগ পান। তবু্ও ওই সি এর বিরু‌দ্ধে কোন আইনগত ব‌্যবস্থ‌া গ্রহন না করায় ক্ষিপ্ত হ‌য়ে মোট পৃষ্ঠার এক‌টি ফাইল ক‌রে উপ‌জেলা নির্বাহী অ‌ফিসার‌কে মাধ‌্যম ক‌রে লি‌খিত অ‌ভি‌যোগ করলেন প্রধানমন্ত্রীর নিকট।এ বিষ‌য়ে ওই সি এ মুখ খুলতে রা‌জি নন ত‌বে তি‌নি নি‌জে‌কে নি‌র্দোষ দাবী ক‌রেন।এবিষ‌য়ে জেলা শিক্ষা প্রকৌশলী মোঃ জ‌হিরুল ইসলাম ব‌লেন,বিষয়‌টি খোজ নি‌য়ে দেখব।এ বিষ‌য়ে উপ‌জেলা নির্বাহী অ‌ফিসার সা‌জিয়া শাহানাজ তমা কে দফায় দফায় ফোন করা হ‌লে এবং ক্ষুদে বার্ত‌া পাঠান হ‌লেও তা‌র কোন স্বাক্ষাৎকার পাওয়া যায় নাই।</p>

জেলার খবর

play storeapp store